Home /News /local-18 /

School Reopens|| অনলাইন থেকে অফলাইনে ফিরে প্রথম দিনেই ৯০ শতাংশ উপস্থিতির হার, স্কুলে ফিরে খুশি পড়ুয়ারা

School Reopens|| অনলাইন থেকে অফলাইনে ফিরে প্রথম দিনেই ৯০ শতাংশ উপস্থিতির হার, স্কুলে ফিরে খুশি পড়ুয়ারা

কোভিড বিধি মেনেই স্কুলে প্রবেশ ছাত্র-ছাত্রীদের।

কোভিড বিধি মেনেই স্কুলে প্রবেশ ছাত্র-ছাত্রীদের।

Bangla News: ৮৫ শতাংশেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত হয়েছিলেন প্রথম দিন। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হার ছিল ১০০ শতাংশ। দীর্ঘ সময়ের পর স্কুল খোলায় খুশি ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে অভিভাবকেরা।

  • Share this:

    #বারাসাত: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে খুলল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রায় এক বছরের বেশি সময় পর কোভিড বিধি মেনে এদিন খুলল স্কুল। দীর্ঘদিনের এক আবদ্ধ জীবন থেকে প্রাণ ছুটল এই প্রজন্মের যৌবনদের। বহুদিন পর আবার সেই পুরনো দিনের ফেরা। অনেকের স্মৃতি হয়ে থাকে এই স্কুল জীবনের কাহিনী। কিন্তু করোনার কারণে তা যেন প্রায় শেষ হতেই চলেছিল। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। করোনাকে সঙ্গে করেই পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখে খোলা হল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আগেই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা করেছিলেন ১৬ নভেম্বর থেকে স্কুল খোলার। নির্দেশ দেওয়া হয় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর পঠন-পাঠন শুরু করতে। সেইমতো জেলার প্রায় ১০০ শতাংশ স্কুল আজ থেকে তা শুরু করল।

    ঘোষণা অনুযায়ী স্কুলকে স্যানিটাইজার, পরিষ্কার সমস্ত কিছুরই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল শিক্ষা দফতরকে। প্রতিটি রুম পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখা থেকে স্যানিটাইজ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হয়। সরকারি নির্দেশ মেনে বিদ্যালয় প্রবেশের মুখে থার্মাল গান দিয়ে ছাত্রছাত্রীকে প্রতিটি শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয়। এরপর স্যানিটাইজার করিয়ে সকলের মুখে মাস্ক চেক করাও হয়। এ ছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের শুভকামনা জানিয়ে চকলেটের ব্যবস্থা করা হয়। বিদ্যালয়ের ভেতরে কিভাবে সামাজিক দূরত্ব মেনে বসানো হবে যাতে সংক্রমণ কোনভাবেই ছড়াতে না পারে তার জন্য সবরকম সরকারি নির্দেশিকা মেনে বিদ্যালয়ের নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে চালু হল জেলার প্রত্যেকটি স্কুলের পঠন-পাঠন প্রক্রিয়া।

    জেলা শিক্ষা দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আজ ৮৫ শতাংশেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত হয়েছিলেন প্রথম দিন। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হার ছিল ১০০ শতাংশ। দীর্ঘ সময়ের পর স্কুল খোলায় খুশি ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে অভিভাবকেরা। তবে কিছুটা আতঙ্কিত তারা। অভিভাবকদের মতে, যদি ১৮ বছরের নিচে করোনার টিকা হত তাহলে অনেকটাই চিন্তা মুক্ত থাকতে পারত তারা এবং তাদের সন্তানেরাও। যেহেতু ১৮ বছরের নিচে বয়সের টিকা এখনও সরকারের পক্ষ থেকে অনুমতি দেওয়া হয়নি তাই কিছুটা হলেও আতঙ্ক কাজ করছে অভিভাবক থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের মনেও। তবে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে তার ট্রায়াল। সরকারের পক্ষ থেকে যথেষ্টই নেওয়া হচ্ছে তার জন্য উদ্যোগ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলায় অনলাইন মাধ্যম থেকে অফ অফলাইনে আবারও পঠন পাঠন শুরু হওয়ায় খুশি পড়ুয়ারা।

    রাতুল ব্যানার্জি

    Published by:Shubhagata Dey
    First published:

    Tags: North 24 Parganas

    পরবর্তী খবর