• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • NO TOILETS ANGRY VILLAGERS PROTESTS IN BHATAR SDG

নেই শৌচাগার, ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ ভাতারে...

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের সাহেবগঞ্জ দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে অফিসে বিক্ষোভ।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের সাহেবগঞ্জ দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে অফিসে বিক্ষোভ।

  • Share this:

    #পূর্ব বর্ধমান: সরকারি প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা নেই, গ্রামে অসংখ্য বাড়িতে শৌচাগার নেই এ রকম একাধিক দাবিকে সামনে রেখে বিক্ষোভ গ্রামবাসীর। পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের সাহেবগঞ্জ দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে অফিসে বিক্ষোভ। এ দিন পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে যায় গ্রামবাসীদের একাংশ। আলোচনায় গ্রামবাসীদের সমস্যার সমাধানের জন্য সময় চান পঞ্চায়েত প্রধান। একথা শুনে ক্ষোভে ফেটে পড়ে গ্রামবাসী। প্রধানকে ঘিরেই শুরু হয় বিক্ষোভ।

    তাঁদের অভিযোগ, ১০০ দিনের কাজ পাওয়া যাচ্ছেনা। সরকারি আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে অনিয়ম হচ্ছে।এলাকায় অনেক বাড়িতেশৌচাগার নেই। তাঁদের আরও অভিযোগ, বিধবা ভাতা, বেকার ভাতা কিছুই পান না তাঁরা। একদিকে কাজ নেই তার উপর সরকারি কোন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেননা না। উন্নয়নের কাজে পঞ্চায়েতের কোনও উদ্যোগ নেই। তাঁদের দাবি, প্রধানকে বারবার জানানো সত্ত্বেও কাজ হচ্ছে না। তাই তাঁরা বিক্ষোভের পথে হেঁটেছেন।

    বিক্ষোভকারীদের মধ্যে থাকা লক্ষী রানী বলেন, " বাড়িতে শৌচাগার নেই, কাজ নেই খাবো কি আমরা? সরকারি কোন প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধে পাচ্ছি না। অনেকবার পঞ্চায়েত প্রধানকে বলা হয়েছে গ্রামবাসীদের সমস্যার কথা, কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেনি প্রধান। আমরা গরিব বলে আমাদের কি মান সম্মান নেই। সরকারের দেওয়া সাহায্য নিজেদের পকেটে ঢোকে। আমরা কিছুই পারিনা।" এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি লক্ষী রানীর।

    এ দিকে পঞ্চায়েত প্রধান বিনয় কৃষ্ণ ঘোষ বলেন,"গ্রামবাসীকে ভুল বুঝিয়ে বিক্ষোভে সামিল করানো হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী আমি কাজ করবো। গোটা গ্রামে আমি শৌচাগার কি করে দেব। ব্লকের নির্দেশ মেনে আমি কাজ করি। ব্লক যা বলবে তাই করতে বাধ্য আমি। কিছুদিন একটু সমস্যা ছিল তবে এবার ১০০ দিনের কাজ আবার শুরু হবে। গ্রামবাসীরা অহেতুক বিক্ষোভ করছে।" খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ভাতার থানার পুলিশ। গ্রামবাসীদের পঞ্চায়েত অফিস থেকে বাইরে বের করে দেওয়া হয়। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: