• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • local-18
  • »
  • NEW DIESEL RESEARCH CAN CHANGE ECONOMY OF THE COUNTRY AC

ডিজেল নিয়ে নতুন গবেষণা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতির ভাগ্য

বায়ো ডিজেল তৈরির ক্ষেত্রে যেহেতু কৃষিকাজ এর প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে রাজ্য তথা দেশের অন্যতম শস্যভান্ডার বর্ধমান জেলাকে কাজে লাগানো য?

বায়ো ডিজেল তৈরির ক্ষেত্রে যেহেতু কৃষিকাজ এর প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে রাজ্য তথা দেশের অন্যতম শস্যভান্ডার বর্ধমান জেলাকে কাজে লাগানো য?

  • Share this:

    পরিবেশ প্রযুক্তিবিদ ও অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞের নয়া নিদান। পরিবেশবিদ ও অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞদের গবেষণার ফল, কমাবে বায়ুদূষণ এবং পরিবেশ দূষণ। কমবে পেট্রোল-ডিজেলের দামও। যা বাস্তবায়িত করলে, বদলে যাবে দেশের অর্থনীতি। ভাগ্য পরিবর্তন হবে কৃষকদের। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবে পশ্চিম বর্ধমান জেলা। তৈরি হবে কয়েক লক্ষ কর্মসংস্থান।

    বায়ো ডিজেল তৈরির ক্ষেত্রে যেহেতু কৃষিকাজ এর প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে রাজ্য তথা দেশের অন্যতম শস্যভান্ডার বর্ধমান জেলাকে গুরুত্ব দিয়েছেন তারা। বায়ো ডিজেলের উৎপাদন দেশে যদি বাড়ে, তাহলে পশ্চিম বর্ধমান জেলার কৃষকদের ভাগ্য বদলাতে পারে। ভাগ্য ফিরতে পারে বেকারদের। তৈরি হতে পারে অনেক কর্মসংস্থান। আয় বাড়বে কৃষকদেরও।

    পরিবেশ প্রযুক্তিবিদ সৌমেন্দ্রমোহন ঘোষ এবং অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞ তথা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অটোমোবাইল বিভাগের প্রধান প্রবীর কুমার বসু দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে একটি গবেষণা চালিয়েছেন। তারা বলছেন যদি বায়ো ডিজেল এর পরিমাণ যথেচ্ছভাবে বাড়ানো যায়, তাহলে তা পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে সূফল এনে দেবে। ঠিক তেমনভাবেই দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দেবে।

    ইতিমধ্যেই ভারত সরকারের অনুমতি ক্রমে পেট্রোলে প্রসেসিং করে মেশানো হচ্ছে ইথানল। ডিজেলের সঙ্গে প্রসেসিং করে মেশানো হচ্ছে পামওয়েল। বিশেষজ্ঞদের নিদান, যদি ডিজেলের সঙ্গে আরও বেশি করে বায়ো অয়েল প্রসেসিং করে মেশানো যায় তাহলে তার সুফল সুদূরপ্রসারী।

    এ ব্যাপারে পরিবেশ প্রযুক্তিবিদ সৌমেন্দ্রমোহন ঘোষ বলেছেন, বর্তমানে ডিজেলের সঙ্গে প্রসেসিং করে 10 শতাংশ পাম অয়েল মেশানো হচ্ছে। তবে তা আরও বাড়ানো যেতে পারে। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, শুধুমাত্র পামওয়েল নয়, এক্ষেত্রে বায়ো ডিজেল হিসাবে রাইস ব্যান্ড অয়েল প্রসেসিং করে ডিজেলের সঙ্গে মেশানো যেতে পারে। তিনি আরও বলছেন, যদি রাইস ব্র্যান্ড ওয়েল, সূর্যমুখী তেল ডিজেলের সঙ্গে মেশানো হয়, তাহলে বর্তমানে যে পরিমাণ ক্রুডঅয়েল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, তার পরিমাণ অনেক কমে যাবে। যা দেশের অর্থনীতিতে ভালো প্রভাব ফেলবে।

    এক্ষেত্রে অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞ প্রবীর কুমার বসু বলেছেন, 100% বায়ো ডিজেল ব্যবহার করেও গাড়ি চালানো যেতে পারে। মূলত পণ্যবাহী গাড়ি গুলির ক্ষেত্রে ডিজেল বেশি ব্যবহার হয়। সেই সমস্ত গাড়িতে বায়ো ডিজেল ব্যবহার হলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম অনেক কমে যেতে পারে। কারণ বর্তমানে ডিজেল আমদানি করতে যে পরিমাণ খরচ ভারত সরকারকে করতে হয়, তার থেকে অনেক কম খরচে দেশে বায়ো ডিজেল তৈরি করা যাবে। পাশাপাশি কৃষকদের আয় বাড়বে। বায়ো ডিজেল তৈরির জন্য পামওয়েল ছাড়াও, রাইস ব্যান্ড অয়েল, সূর্যমুখী তেল, ভেরেন্ডা তেল, মহুয়া তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। এই সমস্ত তেলগুলিকে প্রসেসিং করে খুব কম খরচেই তৈরি করা যেতে পারে বায়ো ডিজেল। তিনি আরও বলেছেন, আমাদের দেশে যে পরিমাণ জমি ফাঁকা পড়ে রয়েছে, সেগুলিতে কৃষিকাজ করেই ডিজেলের 100% চাহিদা পূরণ করতে পারবে সরকার। বায়ো ডিজেল তৈরি করার জন্য যে সমস্ত কৃষিকাজ প্রয়োজন, তা যদি সরকার পদক্ষেপ নেয় তাহলে কয়েক লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। ফাঁকা পড়ে থাকা জমিতে চাষ করে সেই জমিগুলিকেওকাজে লাগানো যেতে পারে। যা পরিবেশের পক্ষেও সুফল এনে দেবে। অন্যদিকে বায়ো ডিজেল গাড়ি চালালে পরিবেশ দূষণের পরিমানও অনেক কমে যাবে।

    এক্ষেত্রে পরিবেশ প্রযুক্তিবিদ সৌমেন্দ্রমোহন ঘোষ এবং অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞ প্রবীর কুমার বসু বলেছেন, বায়ো ডিজেল তৈরির ক্ষেত্রে, পাশ্চাত্যের দেশগুলি ভারতের থেকে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। সেই মডেলগুলিকে ফলো করে ভারতেও বায়ো ডিজেল উৎপাদন বাড়ানো যেতে পারে। তবে 100% বায়ো ডিজেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে bs4 মডেলের নীচের গাড়ি চলবে না বলেও জানিয়েছেন তারা।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: