• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • স্কুল বন্ধ থাকায় মোবাইলের প্রতি আসক্তি বাড়ছে ঘরবন্দি পড়ুয়াদের !

স্কুল বন্ধ থাকায় মোবাইলের প্রতি আসক্তি বাড়ছে ঘরবন্দি পড়ুয়াদের !

photo source local 18

photo source local 18

স্বাস্থ্যবিধিকে মান্যতা দিয়ে ইতিমধ্যে স্কুল খোলার দাবিও জানিয়েছেন অনেক অভিভাবকেরা ।

  • Share this:

    #নদিয়া:  করোনা আবহে প্রায় দু'বছর ধরে বন্ধ রয়েছে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্কুল কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যার ফলে কার্যত ঘরবন্দী হয়ে পড়েছে বিভিন্ন বয়সী স্কুল পড়ুয়ারা। স্বাভাবিক স্কুল জীবনের পঠন-পাঠনের পাশাপাশি খেলাধুলা, বিনোদন থেকে বঞ্চিত তারা। এক প্রকার সাথীহারা অবস্থায় বর্তমানে একাকীত্ব জীবন যাপন করতে হচ্ছে শিশু থেকে কিশোর বিভিন্ন বয়সী ছাত্র-ছাত্রীদের। যার ফলে গৃহবন্দি অবস্থায় সরাসরি এর বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে শিশুমনে। করোনা অতিমারীর প্রভাবে স্বাভাবিক স্কুলজীবনকে হারিয়ে ফেলেছে পড়ুয়ারা। এই মুহূর্তে গৃহবন্দি ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে বিনোদনের একমাত্র অবলম্বন হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফলে প্রতিনিয়ত মোবাইলের প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের মনে। ভয়াবহ এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চলতে থাকলে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ খারাপ হবে। ফোনের অপব্যবহার যে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে, সেই বিষয়ে ইতিমধ্যেই চিন্তার ভাঁজ ফেলতে শুরু করেছে বিভিন্ন শিক্ষাবিদ থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞদের কপালে। স্কুল খোলা থাকলে দিনের একটা বড় সময় পঠন পাঠন ও খেলাধুলার মধ্যে দিয়ে স্কুল ভবনে কাটাতে হয় ছাত্র-ছাত্রীদের। ফলে স্কুলের আনন্দময় অনুকূল পরিবেশ শারীরিক ও মানসিকভাবে বিকাশ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ছাত্র-ছাত্রীদের। ছাত্রছাত্রীদের কাছে  আনন্দদায়ক ও সহজলভ্য করে তুলতে ইতিমধ্যেই অত্যাধুনিক আনন্দদায়ক শিক্ষাদানের একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে সরকারকে। যা ছাত্র-ছাত্রীদের সার্বিক বিকাশ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। কিন্তু করোনা আবহে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় গঠনমূলক শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি শৈশবের স্কুল জীবন থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের। যা রীতিমতো মানসিক অবসাদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীদের মনে। আর এই একাকীত্ব ও মানসিক অবসাদ ভুলতে গিয়ে মোবাইল গেম ও কম্পিউটারের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে গোটা ছাত্রসমাজ। দিনের মধ্যে বেশিরভাগ সময়ে তাঁরা নিজেকে ব্যস্ত রাখছে মোবাইলে গেম খেলে কিংবা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম্পিউটার টেবিলে। যা আগামীতে শিক্ষা ও সমাজ ব্যবস্থায় অন্ধকারাচ্ছন্ন দিন ডেকে আনতে পারে। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আজকের ছোট-ছোট ছাত্র-ছাত্রীদের জীবন গঠনের ক্ষেত্রে বলে ধারণা শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের একাংশের। স্বাস্থ্যবিধিকে মান্যতা দিয়ে অবিলম্বে স্কুল খোলার জন্য ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মাধ্যমে আবেদন জানাতে শুরু করেছেন ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবারের সদস্যরাও। পাশাপাশি পুনরায় স্কুল খোলার মধ্য দিয়ে শিক্ষাঙ্গনে ফিরে আসুক শিশুদের স্বাভাবিক শৈশব জীবন বলেও দাবি তুলছেন ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকেরা।

    Mainak Debnath

    Published by:Piya Banerjee
    First published: