Home /News /local-18 /
Murshidabad News- মহারাষ্ট্রে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু। দেহ ফিরতেই শোকের ছায়া পরিবারে 

Murshidabad News- মহারাষ্ট্রে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু। দেহ ফিরতেই শোকের ছায়া পরিবারে 

পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ ফিরতেই শোকের ছায়া পরিবারে

পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ ফিরতেই শোকের ছায়া পরিবারে

মহারাষ্ট্রের পুনেতে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর।

  • Share this:

    #বহরমপুরঃ মুর্শিদাবাদ জেলাতে সেই ভাবে গড়ে ওঠেনি কোন শিল্প। তাই প্রতি বছর পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজে রওনা দিতে হয় ভিন রাজ্যে (Murshidabad News)। ফের ভিন রাজ্যে গিয়ে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল পরিযায়ী শ্রমিকের। মহারাষ্ট্রের পুনেতে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বড়ঞা থানার কল্যানপুর গারাম পঞ্চায়েতের বেলগ্রামের বাসিন্দা বছর ত্রিশের মিন্টু সেখের। ঘটনায় গুরুতর জখম ওই একই গ্রামের বাদশা শেখ ও আকিবুর সেখ নামের আরও দুই যুবক।

    সোমবার সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ ঘটনার কথা এলাকায় আসতেই শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবার সহ এলাকায়। বুধবার সকালে কফিন বন্দী নিথর দেহ এসে পৌঁছয় গ্রামে।রোজগার বৃদ্ধি করতে বড়ঞা থেকে মাস তিনেক আগে মহারাষ্ট্রের পুনেতে গন্দেবালি এলাকায় রাজমিস্ত্রীর যোগাদানে কাজে যায় ওই তিন যুবক। বর্তমানে কোভিড মহামারি পরিস্থিতিতেও একটু বেশি রোজগারের আশায় কাজ করছিলেন তারা। অন্যান্য দিনের মতো সোমবার সন্ধ্যায় কাজ থেকে ঘরে ফেরার পথে গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর জখম হয় তারা। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মিন্টু সেখকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। অপরদিকে দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা চলছে স্হানীয় হাসপাতালে। প্রথমে দেহ গ্রামে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে স্থানীয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয় মৃতের পরিবার। গ্রামের বাসিন্দাদের ও পরিবারের প্রচেষ্টায় বুধবার সকালে দেহ এসে পৌঁছায়।

    বর্তমানে পরিবারে বাবা, মা, স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে সংসার যাপন করতেন মিন্টু সেখ। গত তিন মাস আগে মহারাষ্ট্রের পুনেতে রওনা দিয়েছিলেন কাজে যোগদান করতে।(Murshidabad News)। বাবা মুস্তাকিন সেখ জানিয়েছেন, "পরিবার সেই ভাবে স্বচ্ছল নয়, তাই উপার্জনের জন্য মিন্টু মহারাষ্ট্রে গিয়েছিল কাজের উদ্দেশ্যে। সোমবার সন্ধ্যায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর খবর আসতেই আমাদের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। আগামী দিনে আমাদের কীভাবে সংসার চলবে তা বুঝে উঠতে পারছি না। কীভাবে এতজন নিয়ে সংসার চালাব তাও বুঝে উঠতে পারছি না"।

    মৃতার স্ত্রী ডালিয়া বিবি বলেন, "শেষ সোমবার সকালে ফোনে কথা হয়েছিল। বলেছিল এখন কাজে যাচ্ছি আবার পরে ফোন করব। কিন্তু আর ফোন করল না"। শেষ ফোনে কথা বারবার মনে করে কান্নায় ভেঙে পড়েন ডালিয়া বিবি। বড়ঞা বিধায়ক জীবন কৃষ্ণ সাহা জানান, "আমি ঘটনার খবর শুনেছি। আমাদের এলাকার অধিকাংশ যুবক তারা রওনা দেন ভিন রাজ্যে কাজের উদ্দেশ্যে ।তবে এই ভাবে দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে আমরাও শোকাহত", বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    Kaushik Adhikary

    First published:

    Tags: Berhampore, Migrant Worker, Murshidabad

    পরবর্তী খবর