• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • Murshidabad- গঙ্গার জলস্তর কমতেই গঙ্গার ভাঙ্গন শুরু হলো ফারাক্কা ব্লকের কুলিদিয়ার চর এলাকায়।

Murshidabad- গঙ্গার জলস্তর কমতেই গঙ্গার ভাঙ্গন শুরু হলো ফারাক্কা ব্লকের কুলিদিয়ার চর এলাকায়।

ভাঙছে গঙ্গা তিরবর্তী এলাকা 

ভাঙছে গঙ্গা তিরবর্তী এলাকা 

গঙ্গার জলস্তর কমতেই গঙ্গার ভাঙ্গন শুরু হলো ফারাক্কা ব্লকের কুলিদিয়ার চর এলাকায়।

  • Share this:

    কৌশিক অধিকারীঃ ফারাক্কাঃ মুর্শিদাবাদ জেলাতে গঙ্গায় ভাঙ্গন নতুন কিছু নয়। ফের নতুন করে ভাঙ্গন শুরু হতেই, আতঙ্কিত নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। গঙ্গার জলস্তর কমতেই, গঙ্গাতে ভাঙ্গন শুরু হল ফারাক্কা ব্লকের অন্তর্গত কুলিদিয়ার চর এলাকায় । গঙ্গা পদ্মার ভাঙ্গন মুর্শিদাবাদ মালদার এক জাতীয় সমস্যা। গঙ্গার জল না বাড়লেও ভাঙ্গন অব্যাহত প্রায় সারাবছরই। জল বাড়লেও ভাঙ্গন শুরু হয়, তেমনি জল কমলেও ভাঙ্গন শুরু হয়। ভোট আসে ভোট যায়, কিন্তু এই ভাঙ্গনের সমস্যার সমাধান কোনো দিন হয়না। কয়েক দিন ধরেই ভাঙ্গনের জেরে ফারাক্কা ব্লকের কুলিদিয়ার চর এলাকায় গঙ্গার ধারের গাছগুলি কিছুটা নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে‌। বহু বাড়ি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকার মানুষ। বেশ কয়েকদিনের টানা ভাঙ্গনের ফলে ফসলের জমি ও আমবাগান তলিয়ে গেছে গঙ্গাগর্ভে গোটা এলাকা জুড়ে রয়েছে আতঙ্কের পরিবেশ।

    মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জ, ফারাক্কা, সুতি, সামশেরগঞ্জ সহ বিভিন্ন এলাকা, ভাঙ্গন কবলিত এলাকা বলে পরিচিত । প্রতিবছর বর্ষার সময় ভাঙ্গনের কবলে পড়তে হয় গ্রামের বাসিন্দাদের, তবু প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনা, বলে অভিযোগ। বর্ষা শেষ হতেই নদীর জলস্তর কমে যেতেই এই ভাঙ্গন আরও নতুন করে রূপ ধারন করে। গঙ্গা পদ্মা ভাঙ্গন রোধে কেন্দ্রীয় সরকার আর্থিক সহযোগিতা করলেও ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব হয়নি বলেও অভিযোগ। বর্তমানে ফারাক্কা ব্লকের জলন্ত সমস্যা এখন এই ভাঙ্গন। তবে গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে ভাঙ্গন রোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গঙ্গার জলস্তর কমতেই বেশ কয়েক দিন ধরে শুরু হয়েছে ফারাক্কা ব্লকে কুলিদিয়ার চরের সাইদ আলি পাড়া ও খাসপাড়া এলাকায় গঙ্গা ভাঙ্গন। ভাঙছে গঙ্গা তিরবর্তী এলাকা, যার ফলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। গত কয়েকদিন ধরে প্রায় কয়েকশো মিটার ফসলের জমি গঙ্গার ভাঙ্গনে তলিয়ে গেছে।

    মুর্শিদাবাদ জেলার জেলাশাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী জানিয়েছেন, "রাজ্য সরকারকে সেচ দপ্তর একটা স্কিম পাঠিয়েছিল। সেই স্কিম খুব সম্ভবত মঞ্জুর হয়ে গিয়েছে। প্রায় ২৬ কোটি টাকার স্কিম করা হয়েছে যার কাজ দ্রুত শেষ করা হবে। সেচ দপ্তরের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে আমরা কথা বলেছি ওনাদের তো ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিওর থাকে, প্রসিডিওর কমপ্লিট হলে কাজটা শুরু হবে। আমরা গত বছরে যে ভাঙ্গন দেখেছিলাম সেটা নিয়েই স্কিমটা তৈরি হয়েছে।" তবে আগামী দিনে এই ভাঙ্গন সমস্যা সমাধান হবে বলে জানান তিনি।

    First published: