Home /News /local-18 /
Murshidabad: ইউক্রেন থেকে বাড়ি ফিরলেন সুমন ঘোষ

Murshidabad: ইউক্রেন থেকে বাড়ি ফিরলেন সুমন ঘোষ

ফরাক্কাতে [object Object]

ইউক্রেন থেকে ফরাক্কার চৌকিগ্রামে বাড়ি ফিরলেন সুমন ঘোষ

  • Share this:

    কৌশিক অধিকারীঃ ফরাক্কাঃ প্রতিক্ষার অবসান। যুদ্ধ ক্ষেত্র ইউক্রেন থেকে ফরাক্কাতে ফিরলেন ডাক্তারি পড়ুয়া সুমন ঘোষ। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কার চৌকিগ্রাম থেকে সুমন ঘোষ ২০১৯ সালে ডাক্তারির পড়ার জন্য রওনা দিয়েছিল ইউক্রেনে। ইউক্রেনের ভিএন করাজিন খারকিভ ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি তে ডাক্তারির পাঠরত পড়ুয়া সুমন ঘোষ চোখে মুখে উৎকন্ঠা নিয়ে বাড়ি ফিরে এল। এক মাস পর তৃতীয় বছরের পরিক্ষার আগেই ফারাক্কার চৌকি গ্রামে এসে বাড়ি পৌছালো সুমন ঘোষ। বাড়ি পৌছাতেই খুশি পরিবারের সদস্যরা। প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে বাড়ি ফিরতেই ফুল দিয়ে অভর্থনা জানানো হয়। বাড়ি ফিরতেই বাবা মা কে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন সুমন ঘোষ। ছয় বছরের কোর্স নিয়ে পাঠরত পড়ুয়া। বর্তমানে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। সুমন ঘোষ জানান, আমার অভিজ্ঞতা যা আছে খুব খারাপ। এই বোমার আওয়াজ শুনেই আমি ভারতে প্রবেশ করেছি। খারকিভ শহর থেকে ২৩তারিখ আমি যাই। তবে ২৪ তারিখ আমি দেশে ফেরার জন্য বিমানের টিকিট কাটলেও আমাদের বিমান বাতিল করা হয়। তবে আমি ওডিশা শহরে ছিলাম সেই শহরে সাত আটটা মিশাইল পড়ছে। চোখে মুখে আতঙ্ক ছিল। বাঙ্কার মধ্যে আমরা ছিলাম কোন জল বা খাবার কিছু ছিল না দিনের পর দিন কাটিয়েছি । আমাদের চোখের সামনে মিসাইল পড়ছে। তবে চারিদিকে শুধু বোমার আওয়াজ শুনতে পাই। তবে আমরা নিজে থেকে কিছু খাবার বানিয়ে ছিলাম। শুকনো খাবার খেয়ে কাটিয়েছি। আজকে বাড়ি ফিরে আমি খুশি। আমরা বাসে করে রোমানিয়া বর্ডার ছিলাম আটকে। ৩৪ ঘন্টা আটকে ছিলাম। ভারতীয় সরকার আমাদের কে টিকিট ব্যবস্থা করার পর দিল্লি এসে পৌছাই। দিল্লি বঙ্গ ভবনে এসে পৌঁছানো পর গতকাল রাতে দমদম বিমান বন্দরে এসে পৌঁছায়। তবে ধন্যবাদ ভারত সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার কে বাড়ি ফিরতে পেরে।তবে এখন অনেকেই বাঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তবে অন্যান্য দেশের ছাত্র ও ছাত্রীরা সহযোগিতা পাচ্ছেন। বাবা সুকুমার ঘোষ জানিয়েছেন, আমাদের ছেলে বাইরে ছিল। আমার ছেলে দশ দিন ধরে যুদ্ধের মধ্যে ছিল। অবশেষে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচেষ্টায় আমার সন্তান বাড়ি ফিরে এল। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এসেছে আমি খুবই খুশি। ইউক্রেন মেডিক্যাল পড়ানো জন্য আমি পাঠিযেছিলাম। টাকা জোগাড় করে আমি পাঠিয়েছিলাম। মা সুজাতা ঘোষ জানান, আমি খুব খুশি। আমি চাই যারা বেঁচে আছে তারাও যেন ফিরে আসুক। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসুক। যতদিন যুদ্ধ চলছে ততদিন আমরা চিন্তিত ছিলাম।

    First published:

    Tags: Farakka, Murshidabad

    পরবর্তী খবর