Home /News /local-18 /
Jalpaiguri news: দীর্ঘ ৪১ বছরের প্রথা ভেঙে পূর্ণিমার নিশুতি রাতে নয়, সকালেই পূজিতা হলেন বনের দেবী 'বনদুর্গা'

Jalpaiguri news: দীর্ঘ ৪১ বছরের প্রথা ভেঙে পূর্ণিমার নিশুতি রাতে নয়, সকালেই পূজিতা হলেন বনের দেবী 'বনদুর্গা'

(বামে) দেবী বনদুর্গা, (ডানে) বৈকুণ্ঠপুর জঙ্গলে হোমযজ্ঞের আয়োজন

(বামে) দেবী বনদুর্গা, (ডানে) বৈকুণ্ঠপুর জঙ্গলে হোমযজ্ঞের আয়োজন

বৈকুন্ঠপুরের গা ছমছম করা পরিবেশ ও ঘন জঙ্গলেই পুজো করা হয়।

  • Share this:
    #জলপাইগুড়ি: দেবীর অনেক রূপ। সেই রূপের অন্যতম বনদুর্গা। বনের জীবজন্তু থেকে শুরু করে, গাছপালা রক্ষা করার গুরুদায়িত্ব বনদুর্গারই (Jalpaiguri news)। শাস্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী, নিশুতি রাতেই পুজো করা হয় এই দেবীর। কিন্তু এই বছর হল তার ব্যতিক্রম। সকালেই সারা হল পুজো। বৈকুন্ঠপুরের গা ছমছম করা পরিবেশ ও ঘন জঙ্গলেই এই পুজো করা হয়। রাজগঞ্জের বৈকুণ্ঠপুরের গভীর জঙ্গলে ঠুনঠুনিয়া মায়ের পুজো করা হয় বনদুর্গা রূপে। রাজগঞ্জের চেউলিবাড়ির অদূরে সংরক্ষিত বনের মধ্যে প্রতি বছর পৌষ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে গভীর রাতে বনদুর্গার পুজো হয় (Jalpaiguri news)। তবে এইবার দিনের বেলাতেই পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। এই পুজোয় সামিল হন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত দর্শনার্থী। শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, ময়নাগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, বালুরঘাট থেকে আসেন অনেকেই। বনদুর্গার পুজোয় রীতিমত আলোকিত হয়ে ওঠে বৈকুন্ঠপুরের গভীর জঙ্গল। সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মাঝে এই পুজো হওয়ায় অনেক ধরণের প্রশ্ন তোলেন পরিবেশপ্রেমীরা। তবুও তিন দশক ধরে হয়ে আসছে এই পুজো (Jalpaiguri news)। উদ্দীপনার শেষ নেই স্থানীয়দের। উদ্যোক্তারা মুখে শোনা যায়, আগে বৈকুণ্ঠপুরের রাজ-আমলেও বনেই দুর্গাপুজো হত। বনদুর্গার আয়োজন প্রায় ৪০ বছর আগে শুরু হয়। স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী নিজেদের উদ্যোগেই, পৌষ-পূর্ণিমায় পুজোর আয়োজনে মেতে ওঠেন। প্রতিমা গড়া হয় শিলিগুড়িতেই। শিলিগুড়ি থেকে সেই প্রতিমা আনা হয়। বনে পুজো হওয়ায় পুলিশ-প্রশাসন ও বন দফতরও সতর্ক থাকেন। বন দফতরের কয়েকজন অফিসার জানান, বনাঞ্চলের মধ্যে পুজোর সময়ে যাতে কোনও নেশার আসর না বসে সেইদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে (Jalpaiguri news)। সেই এলাকায় হাতির করিডর থাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বনদুর্গার আরাধনায় বনাঞ্চলে আলোকিত হয়ে উঠেছিল। ৪১ বছর ধরে চলে আসা প্রথায় এইবার পড়ল তালা। মানুষের সমাগমে ছিল না কোনও ফাঁক। তবুও কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে শারীরিক দূরত্ব মেনেই চলল আয়োজন। এইবার সকালে পুজো হলেও, মানুষের ভিড়ে কোনও খামতি ছিল না। পুজোর পাশাপাশি হল যজ্ঞও। পুজো কমিটির সম্পাদক রাজু সাহা বলেন, "এই বছর নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রশাসনের তরফে পুজোর দিন সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়। সন্ধ্যার আগেই পুজো শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়"। Vaskar Chakraborty
    Published by:Samarpita Banerjee
    First published:

    Tags: Durga Idol, Jalpaiguri, Siliguri

    পরবর্তী খবর