• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • IMPACT OF LOCKDOWN ON SWEET SELLERS IN BENGAL SDG

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিলিয়নার বলা হলেও, লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত মিষ্টি বিক্রেতারাও...

বিরিয়ানি, চাউমিনে বর্তমানে ঝোঁক পড়লেও, ভারতবর্ষ তথা সমগ্র বিশ্বের কাছে মাছ-ভাত ও মিষ্টিতেই পরিচিত খাদ্যরসিক বাঙালিরা।

বিরিয়ানি, চাউমিনে বর্তমানে ঝোঁক পড়লেও, ভারতবর্ষ তথা সমগ্র বিশ্বের কাছে মাছ-ভাত ও মিষ্টিতেই পরিচিত খাদ্যরসিক বাঙালিরা।

  • Share this:

    #হাওড়াঃ বিরিয়ানি, চাউমিনে বর্তমানে ঝোঁক পড়লেও, ভারতবর্ষ তথা সমগ্র বিশ্বের কাছে মাছ-ভাত ও মিষ্টিতেই পরিচিত খাদ্যরসিক বাঙালিরা। তাই ভোটের ফল ঘোষণার পর সরকারের তরফ থেকে জারি করা লকডাউনে সময়ের দিক থেকে অনেকটাই সুবিধা দেওয়া হয়েছিল মিষ্টির দোকানগুলিকে। সবজি ও মাছের বাজার, মুদিখানা, জুয়েলারীর মতো দোকানগুলি খোলার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল দৈনিক ৩ ঘণ্টা করে। কিন্তু মিষ্টির দোকানগুলিকে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খুলে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলে অনেকেই মনে করেছিলেন, দীর্ঘ সাত ঘণ্টা সময় দিয়ে মিষ্টির দোকানকে কার্যত লকডাউন থেকে ছাড়ই দেওয়া হয়েছে।

    অন্য দোকানের তুলনায়, সারাদিনে অনেক বেশি সময় ধরে ব্যবসা করবেন মিষ্টি বিক্রেতারা। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের নিয়ে চলতে থাকে নানাধরনের মিম, ট্রোলের মতো ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ। লকডাউনেও প্রায় সারাদিন ধরে ব্যবসা চলায়, অনেকে আবার নিছক মজার ছলেই মিষ্টি বিক্রেতাদের সাথে দেশের বড়ো বড়ো বিলিওনারদের তুলনা করতে থাকেন। কিন্তু বাস্তবিক ক্ষেত্রে চিত্রটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। লকডাউনের এই টাইমিংয়ের ফলে আসলে ক্ষতির সন্মুখীন হচ্ছেন মিষ্টি বিক্রেতারা। তাদের বেশিরভাগেরই বক্তব্য, সকাল সাত'টা থেকে দশটা অবধি বাজার দোকান খোলা থাকায় বেশিরভাগ মানুষই দিনে একবার সেই সময়ের মধ্যে বাইরে বেরিয়ে সমস্ত নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে নিচ্ছেন। সংক্রমণের ভয়ে দ্বিতীয়বার বাড়ি থেকে বেরোতে ভয় পাচ্ছেন তারা। ফলে হাতে গোনা কয়েকজনের জন্যই সারাদিন দোকান খুলে রাখতে হচ্ছে।

    এই বিষয়ে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিলেন হাওড়ার নেতাজি সুভাষ রোডের মা গন্ধেশ্বরী সুইটসের মালিক কেষ্ট হালদার। কেষ্ট বাবু জানালেন, "এমনিতেই এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সমস্ত সামাজিক অনুষ্ঠান প্রায় বন্ধ থাকায় ভাটা পড়েছে মিষ্টির চাহিদায়। বিদ্যালয়গুলি বন্ধ থাকায় বাচ্চাদের টিফিনের জন্য মিষ্টি বিক্রিও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দুধ বিক্রেতারা অনেক কম দামে আমাদের দুধ বিক্রি করতে চাইলেও বিক্রি না হওয়ার ভয়ে নিতে পারছি না।" পাশাপাশি মিষ্টির ব্যবসায় মন্দার ফলে দুধ বিক্রেতা, বাক্স ও মাটির ভাঁড়ের সাথে যুক্ত কর্মী, মিষ্টির দোকানের কর্মী-সহ এই শিল্পের সাথে যুক্ত বহু মানুষই যে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সে কথাও জানালেন তিনি।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: