• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • তেলে আগুন, বন্ধ রাস্তা, ভোগান্তি চালকদের...

তেলে আগুন, বন্ধ রাস্তা, ভোগান্তি চালকদের...

দুর্গাপুর ব্যারেজে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হয়েছে লকগেট সারাইয়ের কাজ।

দুর্গাপুর ব্যারেজে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হয়েছে লকগেট সারাইয়ের কাজ।

দুর্গাপুর ব্যারেজে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হয়েছে লকগেট সারাইয়ের কাজ।

  • Share this:

    দুর্গাপুর ব্যারেজে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হয়েছে লকগেট সারাইয়ের কাজ। ইতিমধ্যে নির্দেশিকা জারি করে দুর্গাপুর ব্যারেজের ওপর দিয়ে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সেচ দফতর। বৃহস্পতিবার রাত থেকে সোমবার ভোর চারটে পর্যন্ত পাঁচদিন যান চলাচল বন্ধ থাকবে। যা নিয়ে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে বহু গাড়িচালককে। কারণ তাদের প্রায় ৫০ কিলোমিটার বাড়তি রাস্তা ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছতে হবে।

    পশ্চিম বর্ধমানের সঙ্গে বাঁকুড়া জেলার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম দুর্গাপুর ব্যারেজে ওপর তৈরি ব্রিজটি। কিন্তু বয়সের ভারে, ব্যারেজের বিভিন্ন লকগেট এবং রাস্তায় বিভিন্ন বিপত্তি নানা সময়ে দেখা দেয়। গত বছর এবং চলতি বছরে বেশ কয়েকবার কাজ হয়েছে দুর্গাপুর ব্যারেজের। এবার কাজ শুরু হয়েছে দুর্গাপুর ব্যারেজের ১৭ এবং ২২ নম্বর গেটে। যে কারণে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই বিষয়ে গাড়িচালকরা বলছেন, বর্ধমান থেকে বাঁকুড়া যেতে হলে, দুর্গাপুর ব্যারেজের ব্রীজটি অন্যতম প্রধান ভরসা।

    ব্রিজে যান চলাচল বন্ধ থাকলে, গাড়িগুলিকে রানীগঞ্জ-মেজিয়া হয়ে ঘুরে বাকুড়ায় ঢুকতে হবে। প্রায় ৫০ কিলোমিটার রাস্তা ঘুর পথে যেতে হবে গাড়ি চালকদের। এক লরি চালক দাবি করেছেন, এমনিতেই পেট্রোল-ডিজেলের দাম প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। সেঞ্চুরি পার করেছে পেট্রোল। ডিজেলও সেঞ্চুরির কাছাকাছি। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে, পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে খরচ অনেকটা বেড়েছে। তার মধ্যে যদি ৫০ কিলোমিটার রাস্তা বাড়তি ঘুরতে হয়, তাহলে খরচ আরও বাড়বে। যার ছাপ পড়বে দৈনন্দিন বাজারে।

    এ ছাড়াও রাজ্যে এখনও কোভিড বিধি-নিষেধ জারি রয়েছে। অতিপ্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া রাত ন'টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত রাস্তায় বেরোতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে ৫০ কিলোমিটার রাস্তা বাড়তি ঘুরে, সরকার নির্ধারিত নির্ধারিত সময়ের আগেই গন্তব্যে পৌঁছানো, একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে অনেকের কাছে। সব মিলিয়ে পণ্য পরিবহন থেকে শুরু করে সাধারণ গাড়ি চালকরা অসুবিধার সম্মুখীন হবেন।

    বিশেষত যারা পশ্চিম বর্ধমান থেকে বাঁকুড়া যাবেন তাদের এই পাঁচ দিন ভোগান্তি যে পোহাতে হবে, তা একপ্রকার নিশ্চিত করেই বলা যায়।এছাড়াও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ট্রাফিক পুলিশ কর্তা বলেছেন, একটি রাস্তা বন্ধ থাকার ফলে, অপর রাস্তায় গাড়ির চাপ বাড়বে। সে ক্ষেত্রে যানজটের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এই বিষয়ে সেচ দফতরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার গৌতম বোস বলেছেন, নিয়মিত জেলা ট্রাফিক কর্তাদের সঙ্গে যোগসূত্র বজায় রাখা হচ্ছে। মানুষের অসুবিধা হবে তা ঠিক। কিন্তু ব্যারেজের সংস্কার এবং লকগেটগুলির মেরামতের প্রয়োজন। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি এটাও জানিয়েছেন, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত, যেমন অ্যাম্বুলেন্স, দমকল, পুলিশের গাড়িগুলিকে এই নিষেধাজ্ঞার তালিকা থেকে বাদ রাখা হয়েছে।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: