• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • BIRBHUM POTTER FROM BIRBHUM HAS BUILT HIS HOUSE LIKE A BUS PBD

বাস নাকি বাড়ি! শিল্পীর হাতের যাদুতে এটিই এখন বীরভূমের অন্যতম আকর্ষণ

বাস না বাড়ি! শিল্পীর হাতের যাদুতে এটিই এখন বীরভূমের অন্যতম আকর্ষণ

দূর থেকে দেখলে মনে হবে মাঠের মাঝে একটি বাস দাঁড়িয়ে আছে।

  • Share this:
    মাধব দাস, বীরভূম : দূর থেকে দেখলে মনে হবে মাঠের মাঝে একটি বাস দাঁড়িয়ে আছে। কিছুক্ষণ পরেই হয়তো বাসটি ওই জায়গা ছেড়ে গন্তব্যের দিকে ছুটতে শুরু করবে। কিন্তু তা তো হবার নয়! কারণ সেটি হুবহু বাসের মতো দেখতে হলেও তা আদতে বাস নয়। সেটি একটি বাসের আদলে আস্ত বাড়ি। এমন অভূতপূর্ব একটি বাড়ির খোঁজ মিললো বীরভূমে। শিল্পীর হাতের যাদুতে বাড়িটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেকোনো ব্যক্তি দূর থেকে দেখলে ধোকা খেতে বাধ্য। বীরভূমে এমন বাসের আদলে তৈরি আস্ত বাড়িটি রয়েছে পাঁড়ুই থানার অন্তর্গত ধানাই গ্রামে। ওই গ্রামের উদয় দাস নামে এক মৃৎশিল্পী নিজের হাতেই নিজের পছন্দের বসতবাড়িটি তৈরি করেছেন। বাড়িটির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে ১০ দিন আগে। বাড়িটি তৈরি করতে তার খরচ হয়েছে আনুমানিক তিন লক্ষ টাকা। আপাতত তিনি ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে সেই বাড়িটি তৈরি করেছেন। নিজের শখের সেই বাড়িটি দেখতে যেমন হুবহু বাসের মতো ঠিক তেমনই তার নামও দিয়েছেন 'মা লক্ষ্মী ট্রাভেলস'। বাড়িটির ডিজাইন থেকে শুরু করে রং এবং অন্যান্য যাবতীয় কাজে বাসের ছোঁয়ায় ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি ওই বাস বাড়িটির রুট নামও লেখা হয়েছে 'বোলপুর সিউড়ি'। পাশাপাশি যেমন বাসের ছাদের গায়ে লেখা থাকে 'রিজার্ভের জন্য যোগাযোগ করুন' ঠিক তেমনটাও লেখা হয়েছে একটি মোবাইল নম্বর দিয়ে। মোটের উপর এমন বাড়ি দেখে হতবাক বীরভূমের বাসিন্দারা। বাড়িটি তৈরি হওয়ার পর থেকে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষের ভিড় জমেছে বাড়িটি দেখার জন্য। তবে এমন অভিনব বাড়ির আইডিয়া কিভাবে এলো ওই মৃৎশিল্পীর? এ বিষয়ে মৃৎশিল্পী উদয় দাস জানিয়েছেন, "আমি প্রতিমা তৈরি করার কাজ করে থাকি। মাটি ছাড়াও সিমেন্ট দিয়েও প্রতিমা তৈরি করার কাজ করি। যে কারণে বছরের বিভিন্ন সময় বহু মানুষ আসেন আমার বাড়িতে। কিন্তু নিজের ঠিকঠাক বাড়ি না থাকার কারণে তাদের বসতে দেওয়ার জায়গা পাই না। এরপর আমার মাথায় আসে যদি বাসের মতো একটি বাড়ি তৈরি করা হয় তাহলে সবাইকে বসতে দিতে পারবো। তারপর গতবছর লকডাউন চলাকালীন এই বাড়িটি তৈরি করার কাজ শুরু করি। ধীরে ধীরে বাড়ি তৈরি করার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে গত ১০ দিন আগে। সম্পূর্ণ কাজটি আমি নিজে করেছি।" এলাকার এক যুবক সুজিত দাস জানিয়েছেন, "দূর দূরান্ত থেকে এই বাড়িটি এখন লোকেরা দেখতে আসছেন। যা দেখে আমাদের গর্ব হচ্ছে। আমাদের এলাকার কেউ একজন এমন বাড়ি তৈরি করেছেন যা সত্যিই সবার নজর কেড়েছে।"
    Published by:Pooja Basu
    First published: