Home /News /local-18 /
Birbhum News: বৃদ্ধা মা-কে লাথি ছেলের! বাধ্য হয়ে বাড়ি ছাড়েন মা, পৌরসভার উদ্যোগে চারমাস পর বাড়ি ফিরলেন বৃদ্ধা

Birbhum News: বৃদ্ধা মা-কে লাথি ছেলের! বাধ্য হয়ে বাড়ি ছাড়েন মা, পৌরসভার উদ্যোগে চারমাস পর বাড়ি ফিরলেন বৃদ্ধা

বৃদ্ধা

বৃদ্ধা আদুরী কোনায়

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই বৃদ্ধার ছেলে সুজিত কোনায় এবং তার স্ত্রী আরতি কোনায়

  • Share this:

    #বীরভূম: শীতকালে রোদে বসা নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত। রোদে বসা যাবে না, এমনই নির্দেশ ছিল ছেলের। সেই নির্দেশ না মানায় মাকে মারধর করে ছেলে৷ এমনটাই অভিযোগ বৃদ্ধার৷ অভিযোগ, ছেলের কথা না শোনায় বৃদ্ধা মায়ের কপালে জোটে লাথি৷ ঘটনায় বেশ কিছুক্ষণ অচেতন থাকেন তিনি। পরে জ্ঞান ফিরে আসে৷ কিন্তু ছেলের অত্যাচার থামে না৷ অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে একদিন ঘর ছেড়ে ওই বৃদ্ধা চলে যান ভাইয়ের বাড়িতে। সেখানেই কোনভাবে মাথা গুঁজে ছিলেন। তবে ঘরে ফেরার জন্য মন কাঁদছিল তাঁর। শেষমেষ চার মাস পর ঘরে ফেরা হলো তাঁর।

    ঘটনাটি ঘটেছিল বীরভূমের সিউড়ি থানার অন্তর্গত সিউড়ি পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের কোড়া পাড়ায়। গত মাঘ মাসের শুরুতেই আদুরী কোনায় নামে ষাটোর্ধ্ব ওই বৃদ্ধার সঙ্গে ছেলে-বৌমার বচসা বাঁধে৷ তারপর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান তিনি। কয়েক মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে বৃহস্পতিবার তিনি ফিরে আসেন বাড়িতে৷ স্থানীয় একটি ক্লাব এবং সিউড়ি পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় ওই বৃদ্ধা ফিরে আসেন৷

    সিউড়ি পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান বিদ্যাসাগর সাউ জানিয়েছেন, "ছেলে বৌমার অত্যাচারে এই বৃদ্ধা বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। এরপর একদিন তার ভাই আমাকে পুরো বিষয়টি জানান। আমি তার মুখ থেকে সমস্ত কিছু শোনার পর, স্থানীয় ক্লাবের সাহায্যে তাকে ফেরানোর উদ্যোগ নিই। দুপক্ষের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এদিন বাড়ি ফিরিয়ে আনা হলো তাঁকে। তবে শর্ত রাখা হয়েছে, যে ঘরে আদুরী দেবী থাকতে চান সেখানেই থাকতে দিতে হবে।পরবর্তীকালে যদি এমন কোন ঘটনা ঘটে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

    এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই বৃদ্ধার ছেলে সুজিত কোনায় এবং তার স্ত্রী আরতি কোনায়। তাদের দাবি, তাদের মা নিজে থেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। অত্যাচার, খেতে-পরতে না দেওয়ার মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি। পুরোটাই মিথ্যা এবং বানিয়ে বলছেন তাদের মা, এমনটাই দাবি ছেলে -বৌমার৷

    Madhab Das
    First published:

    Tags: Birbhum

    পরবর্তী খবর