চিরপরিচিত বাংলা গানকে রূপান্তরিত করে করোনা সচেতনতায় বীরভূমের ৩ খুদে শিল্পীর

একাধিক চিরপরিচিত বাংলা গানকে রূপান্তরিত করে করোনা সচেতনতায় প্রচার করছেন বীরভূমের ৩ খুদে শিল্পী। যা রীতিমতো জেলায় নজির সৃষ্টি তৈরি করছে।

একাধিক চিরপরিচিত বাংলা গানকে রূপান্তরিত করে করোনা সচেতনতায় প্রচার করছেন বীরভূমের ৩ খুদে শিল্পী। যা রীতিমতো জেলায় নজির সৃষ্টি তৈরি করছে।

  • Share this:

    মাধব দাস,বীরভূম : 'আনন্দ আশ্রম' সিনেমার চিরপরিচিত 'পৃথিবী বদলে গেছে' গান থেকে 'পৃথিবী বদলে গেছে করোনার পরশ পেয়ে' অথবা 'বোঝেনা সে বোঝেনা' সিনেমার 'না রে না আর তো পারি না' গান থেকে 'নাগো না আর ভুল করো না, করোনা জোট বেঁধেছে মারবে সবার প্রাণ' বা 'পৃথিবীটা নাকি ছোট হতে হতে' গান থেকে 'চারিদিকে আজ করোনা ভাইরে, বাঁচতে চাইলে যেওনা বাইরে…'। এই ভাবেই একাধিক চিরপরিচিত বাংলা গানকে রূপান্তরিত করে করোনা সচেতনতায় প্রচার করছেন বীরভূমের ৩ খুদে শিল্পী। যা রীতিমতো জেলায় নজির সৃষ্টি তৈরি করছে।

    বীরভূমের সাঁইথিয়া শহরের পথপ্রদর্শক নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তরফে করোনাকালে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়ে আসছে। করোনার প্রথম ঢেউ থেকেই তারা এলাকায় সচেতনতা তৈরি করার পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস থেকে শুরু করে অত্যাবশ্যকীয় জিনিসপত্র বয়স জ্যেষ্ঠ থেকে করোনা আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করে চলেছে। আর এই সংস্থার উদ্যোগেই সাঁইথিয়া শহরের ৩ খুদে শিল্পী সৃক্কণী, আর্য্য ও মধুস্মিতা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এইসকল চিরপরিচিত গান রূপান্তরিত করে করোনা সচেতনতা জন্য গেয়ে চলেছে। শিশুশিল্পীদের কণ্ঠে এই গান যেমন শ্রুতি মধুর হয়ে উঠেছে ঠিক তেমনই চিরপরিচিত গান হওয়ার দরুণ তা আমজনতার নজরও কাড়ছে।

    ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্ণধার প্রীতম দাস জানিয়েছেন, "বেশিরভাগ মানুষই গান শুনতে ভালোবাসেন। এর পাশাপাশি বাংলা গান শোনার ক্ষেত্রে আমাদের মত মফস্বল এলাকার মানুষদের আলাদা ঝোঁক রয়েছে। যে কারণে মানুষের মুখে মুখে গাইতে শোনা যায় এমন কয়েকটি গান বেছে নিয়ে সেগুলিকে রূপান্তরিত করে করোনা সচেতনতা জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এতে মানুষ যেমন দূর থেকে এই গান শুনলেই কিছুক্ষণের জন্য অন্তত তিনি তার মন এই দিকে দেবেন। সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের এই পদক্ষেপ।"

    খুদে ওই তিন শিল্পীর মধ্যে সৃক্কণী ঠাকুরের বয়স মাত্র ৯ বছর, সে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী। সাঁইথিয়ার পালিতে সে থাকে। আরেক খুদে শিল্পী মধুস্মিতা ব্যানার্জীর বয়স মাত্র নয় বছর। সেও চতুর্থ শ্রেণীতে পড়াশোনা করে এবং সাঁইথিয়া শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে থাকে। অন্যদিকে আর্য সিনহা ১০ বছর বয়সী ক্ষুদে শিল্পী পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র।

    Published by:Simli Raha
    First published: