• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • local-18
  • »
  • BIRBHUM AT THE SAME TIME 700 TREES WERE CUT DOWN AT THE ROOT OF NANUR IN BIRBHUM

একসঙ্গে ৭০০ গাছ কেটে ফেলা হল বীরভূমের নানুরের মুলুকে

প্রশাসনিক অনুমতিতেই বীরভূমের নানুরের মুলুকে একসাথে কেটে ফেলা হল ৭০০ সোনাঝুরি গাছ।

প্রশাসনিক অনুমতিতেই বীরভূমের নানুরের মুলুকে একসাথে কেটে ফেলা হল ৭০০ সোনাঝুরি গাছ।

  • Share this:

    একদিকে যখন গাছপালা, জঙ্গল বাঁচানোর আহ্বান দিচ্ছেন প্রশাসনিক কর্তারা থেকে সমাজসেবী এবং সাধারণ মানুষ, ঠিক তখনই প্রশাসনিক অনুমতিতেই বীরভূমের নানুরের মুলুকে একসাথে কেটে ফেলা হল ৭০০ সোনাঝুরি গাছ। আর এই একসাথে বিপুলসংখ্যক গাছ কেটে ফেলার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বোলপুর শান্তিনিকেতনের সমাজসেবী থেকে পরিবেশবিদরা।

    সমাজসেবী থেকে পরিবেশবিদরা সরব হয়েছেন এতগুলি গাছ একসাথে কেটে ফেলার বিরুদ্ধে। তাদের দাবি, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে গাছ ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেটা ঠিক। কিন্তু একসাথে এতগুলো গাছ কেটে ফেলে কোন একটি জায়গাকে জঙ্গলে পরিণত করে দেওয়া মোটেই কাম্য নয়। বনদপ্তর কিভাবে এই অনুমতি দিতে পারে তা নিয়েও তারা প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের বক্তব্য বিকল্প কোন পথ বেছে নেওয়া প্রয়োজন। কারণ ব্যবসায়িক কাজে গাছ ব্যবহৃত হলেও বিদেশে বিভিন্ন বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

    উদাহরণস্বরূপ জানাতে গিয়ে পরিবেশ প্রেমী অরণী ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, ধরুন একটা গাছ সাত বছর পর কাঠের জন্য কাজে লাগানো যেতে পারে। সেক্ষেত্রে কোন একটি জায়গায় ৭০০টি গাছ রয়েছে। কিন্তু আমরা একসাথে সব গাছ কাটবো না। জঙ্গলের মধ্যে সাতটি গাছ অন্তর অন্তর একটি গাছ কাটবো। পরের বছর ঠিক একইভাবে অন্য একটি গাছকে বেছে নিয়ে ৭ টি কাজ অন্তর অন্তর গাছ কাটা যেতে পারে। আর ওই গাছ কেটে দেওয়ার পাশাপাশি সঙ্গে সঙ্গে অন্য একটি চারা গাছ রোপন করব। তাতে কি হবে চারাগাছটি ধীরে ধীরে বড় হবে অথচ একসাথে গোটা একটি জায়গা মরুভূমিতে পরিণত হবে না। প্রাকৃতিক সামঞ্জস্য বজায় থাকবে। কিন্তু এই পদ্ধতি কেন বেছে নিচ্ছে না আমাদের বনদপ্তর?

    একইভাবে সমাজসেবী নুরুল হক জানিয়েছেন, যেখানে গাছ কাটার কথা শুনছি সেখানে নতুন করে কোনো রকম বনসৃজন হচ্ছে না বলেই আমার কাছে খবর আছে। এই জায়গায় বনদপ্তর কেন এমন হঠকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রসঙ্গত, বর্তমান করোনাকালে চতুর্দিকে যখন অক্সিজেন নিয়ে হাহাকার তৈরি হয়েছে সেই সময়ই এইভাবে এতসংখ্যক গাছ কেটে দেওয়ার আরো বেশি নজর কাড়ছে আমজনতার। বিশিষ্টজনেরা বনদপ্তরের এমন পদক্ষেপকে হতাশাজনক বলেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন। অন্যদিকে বনদপ্তরের আধিকারিক জয় নারায়ন মন্ডল জানিয়েছেন, ওই এলাকা হলো ফরেস্ট এলাকা। প্রতিবছর নিয়ম মেনে যেভাবে গাছ কাটা এবং বনসৃজন করা হয় সেটাই করা হবে।

    Published by:Simli Raha
    First published: