• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • local-18
  • »
  • BIRBHUM A COVID PATIENT DIED AT SURI SUPER SPECIALITY HOSPITAL DUE NOT ADMIT IN TIME SR

অ্যাম্বুলেন্সে এক ঘন্টা আটকে করোনা আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগেই মৃত্যু

অ্যাম্বুলেন্সে এক ঘন্টা আটকে করোনা আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগেই মৃত্যু

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মৃতার ছেলে হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করেছেন।

  • Share this:

    Madhab Das

    #বীরভূম: করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেলেও ভর্তি না হতে পেরে হাসপাতাল চত্বরেই অ্যাম্বুলেন্সে মৃত্যু হল এক করোনা আক্রান্ত মহিলার। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মৃতার ছেলে হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করেছেন।

    জানা গিয়েছে, বীরভূমের বোলপুর এলাকার রজতপুরের পূর্ব বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন ওই মৃত করোনা রোগী অনিতা রায় (৬০)। গত ৭ দিন আগে তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর শুক্রবার হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তার ছেলে বোলপুর ব্লকের স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করেন। স্বাস্থ্যকর্মীরা তাঁর ছেলেকে পরামর্শ দেন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

    স্বাস্থ্যকর্মীদের পরামর্শ মতো ওই মহিলার ছেলে সন্তোষ রায় বোলপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান তাকে। সেখান থেকে বলা হয় কোন চিকিৎসার জন্য সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যেতে। সন্তোষ রায় সময় নষ্ট না করে দ্রুত সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার মাকে। হাসপাতালে দোরগোড়ায় পৌঁছে গেলেও এরপরেই শুরু হয় যত কান্ড।

    সন্তোষ রায়ের অভিযোগ, 'ভর্তি করার জন্য হাসপাতালের কর্মীদের অনুরোধ করা হলে তারা জানান, এখনো পর্যন্ত বোলপুর হাসপাতাল থেকে করোনা পজিটিভ ইমেল আসেনি। ইমেল না আসা পর্যন্ত ভর্তি হওয়া যাবে না। আর এই ইমেল বিভ্রাটের কারণে এক ঘন্টা আমার মাকে অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই থাকতে হয়। এরপর হঠাৎ মা নড়াচড়া বন্ধ করে দেন।'

    ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালে কর্মরত কর্মীদের সাথে কথা বলতে গেলে তাঁরা ক্যামেরা দেখে মুখ লুকানো শুরু করেন। তবে তাঁদের দাবি, বড়জোর ১৫ মিনিট অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে ছিলেন ওই রোগী। আর সেই সময়ই তিনি মারা যান। একইভাবে হাসপাতালের সুপার শোভন দে দাবি করেছেন, 'মৃতার পরিবারের তরফ থেকে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

    Published by:Simli Raha
    First published: