• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • রথের আগে দুবরাজপুরের হেতমপুরে পালিত হল জগন্নাথ দেবের নেত্র উৎসব

রথের আগে দুবরাজপুরের হেতমপুরে পালিত হল জগন্নাথ দেবের নেত্র উৎসব

রথের আগে দুবরাজপুরের হেতমপুরে পালিত হলো জগন্নাথ দেবের নেত্র উৎসব

রথের আগে দুবরাজপুরের হেতমপুরে পালিত হলো জগন্নাথ দেবের নেত্র উৎসব

রথের আগে দুবরাজপুরের হেতমপুরে পালিত হল জগন্নাথ দেবের নেত্র উৎসব

  • Share this:

    মাধব দাস, বীরভূম: জগন্নাথ দেবকে কেন্দ্র করে কেবলমাত্র রথযাত্রা রয়েছে এমনটা নয়। জগন্নাথ দেবকে কেন্দ্র করে রয়েছে আরও বেশ কয়েকটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান। সেসকল অনুষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা এবং নেত্র উৎসব। রথ যাত্রার আগে স্নানযাত্রা এবং নেত্র উৎসব পালন করা হয়ে থাকে। রীতি মেনে রথযাত্রার ঠিক আগের দিন এই নেত্র উৎসব পালিত হলো বীরভূমের দুবরাজপুরের হেতমপুরে।

    বীরভূমের হেতমপুরের গৌরাঙ্গ মঠে প্রতিবছর রথ যাত্রার আগে জৈষ্ঠ্য মাসের পূর্ণিমা তিথিতে জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা পালিত হয়। আর এই স্নান যাত্রার পর টানা ১৫ দিন জগন্নাথ দেবের দর্শন পাওয়া যায় না। প্রথাগত বিশ্বাস অনুযায়ী, স্নানযাত্রা পর জগন্নাথ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপর তাকে রাজবৈদ্যর চিকিৎসাধীনে গোপনে রাখা হয় একটি সংরক্ষিত কক্ষে। এই অসুস্থতার পর্যায়টি অনসর নামে পরিচিত। রাজবৈদ্যের আয়ুবৈদিক পাচন খেয়ে এক পক্ষকালের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠেন। জগন্নাথ দেবের এই সুস্থ হয়ে ওঠার পর তার দর্শন পান ভক্তরা। এই দীর্ঘদিন ভক্ত এবং ভগবানের অদর্শনের পরে দুজনের মিলন হওয়ার কারণে, নেত্রের মিলনের আনন্দ উৎসব, এই অনুষ্ঠানের নাম নেত্র উৎসব।

    অন্যান্য বছর হেতমপুরের এই গৌরাঙ্গ মঠের জগন্নাথ দেবের নেত্র উৎসবকে কেন্দ্র করে অজস্র ভক্তদের সমাগম হয়ে থাকে। তবে গত বছর থেকে করোনা পরিস্থিতির কারণে আশ্রম কর্তৃপক্ষ হাতেগোনা কয়েকজন ভক্তদের নিয়ে এই উৎসব পালন করে আসছেন। তবে যাতে ভক্তরা জগন্নাথদেবের নেত্র উৎসব থেকে বঞ্চিত না হন তার জন্য মঠ কর্তৃপক্ষ সরাসরি উৎসবের সম্প্রচার করার ব্যবস্থা করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    গৌরাঙ্গ মঠের সম্পাদক ভক্তি বাড়িদি ত্রিদন্ডী মহারাজ জানিয়েছেন, \"করোনা ভাইরাসের কারণে ভক্তদের সুরক্ষার কথা ভেবে ভক্তদের আসতে বারণ করা হয়েছে। তবে সোশ্যাল মিডিয়াকে কাজে লাগিয়ে ফেসবুক লাইভ করে ভগবানকে অর্থাৎ জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রাকে ভক্তদের দর্শন করানো সম্ভব হয়েছে।\"

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: