• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • ALLEGATIONS OF EMBEZZLING MID DAY MEAL AGAINST TEACHER VILLAGERS PROTESTING AT SCHOOL

মিড ডে মিল আত্মসাৎ করার অভিযোগ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে

প্রতিবাদ জানিয়ে এদিন ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক অভিভাবিকারা প্লাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিদ্যালয়ে

প্রতিবাদ জানিয়ে এদিন ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক অভিভাবিকারা প্লাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিদ্যালয়ে

  • Share this:

    উত্তর ২৪ পরগনা : করোনা আবহে দীর্ঘদিন বন্ধ স্কুল কলেজ থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সরকারি স্কুলগুলোতে মিড ডে মিলের ব্যবস্থা অনেক আগে থেকেই। তবে সরকারের প্রচেষ্টায় বিভিন্ন সরকারি স্কুলে মিড ডে মিল অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। যেহেতু রাজ্যে বিধি-নিষেধ চলছে সেহেতু খুব কম সংখ্যক অভিভাবক এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা স্কুলে উপস্থিত হয় এই কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন। এরই মাঝে স্কুলের মিড ডে মিল আত্মসাতের ঘটনা ঘটল এক স্কুলে। স্কুলের শিক্ষিকার বিরুদ্ধেই উঠল অভিযোগ।

    উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবরা থানার বালুইগাছি পালপাড়া আদর্শ অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা রুমা দাস মজুমদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছাত্র-ছাত্রীদের মিড-ডে-মিল আত্মসাৎ করার। তারই প্রতিবাদ জানিয়ে এদিন ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক অভিভাবিকারা প্লাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিদ্যালয়ে।

    গ্রামবাসীদের এবং অভিভাবকদের অভিযোগ স্কুলে মিড ডে মিল দেওয়ার সময় ছাত্র-ছাত্রীদের আত্মসাৎ করেন রমা দাস মজুমদার তারই প্রতিবাদে গত মাসে শিক্ষিকাকে স্কুলের ভেতরে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। এরপর প্রশাসনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় মিড-ডে-মিল দেওয়ার সময় থাকতে দেওয়া হবে না না ওই শিক্ষিকাকে। তবে হঠাৎ-ই এদিন মিড-ডে-মিল দেওয়ার সময় অভিভাবকরা দেখতে পান ওই শিক্ষিকা স্কুলে এসেছেন মিড-ডে-মিল দেওয়ার জন্য। তারপরই হইচই পড়ে যায় স্কুল চত্বরে। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন অভিভাবক থেকে স্থানীয় গ্রামবাসীরা। যদিও শিক্ষিকার দাবি তিনি চুরি করেছেন এমন কোনো অভিযোগ নেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। এদিন তিনি জানান যেহেতু তিনি স্কুলে কর্মরত তাই তিনি স্কুলে এসেছেন কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে।

    যদিও স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দাবি গত মাসে উনি অতিরিক্ত মিড ডে মিলের খাবার নিয়ে বেরিয়ে ছিলেন।  অতিরিক্ত মিড ডে মিল থাকায় গ্রামবাসীরা তাকে ঘিরে ধরেন, এরপর থেকে স্কুলে আসতে বারণ করা হয়েছিল রুমা দাস মজুমদারকে। কিন্তু শিক্ষিকা কোনো কথা না শুনেই স্কুলে আসেন। এরপর গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখান। ঘটনাস্থলে হাবরা থানার পুলিশ এসে পৌঁছায়। পুলিশের আশ্বাসে অভিভাবক তথা গ্রামবাসীরাও বিক্ষোভ তুলে নেয়। তবে গ্রামবাসীরা তথা অভিভাবকরা দাবি তোলেন ওই শিক্ষিকা যেন স্কুলে আর না আসেন। এই বিষয়ে পুলিশ তরফ থেকে জানানো হয় বিষয়টির তদন্ত করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    রাতুল ব্যানার্জি

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: