• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • AFTER KILLING A DUCK A 5 FOOT LONG 25 KG MAYAL SNAKE WAS CAUGHT IN WEST MIDNAPORE AND HANDED OVER TO THE FOREST DEPARTMENT SR

আস্ত হাঁস সাবাড় করে ৫ ফুট লম্বা-২৫ কেজির ময়াল সাপ ধরা পড়ল গ্রামবাসীদের হাতে

পশ্চিম মেদিনীপুরে উদ্ধার হলো বিশাল মাপের ময়াল সাপ বা ইন্ডিয়ান রক পাইথন। সোমবার সকালে কেশিয়াড়ি ব্লকের খাজরার বগডিয়া গ্রামে দুলাল বরের গোয়ালঘর থেকে উদ্ধার করা হয় এই ময়াল সাপটি।

পশ্চিম মেদিনীপুরে উদ্ধার হলো বিশাল মাপের ময়াল সাপ বা ইন্ডিয়ান রক পাইথন। সোমবার সকালে কেশিয়াড়ি ব্লকের খাজরার বগডিয়া গ্রামে দুলাল বরের গোয়ালঘর থেকে উদ্ধার করা হয় এই ময়াল সাপটি।

  • Share this:

    আস্ত হাঁস সাবাড় করে দিয়ে প্রায় ৫ ফুট লম্বা-২৫ কেজির 'ময়াল সাপ' ধরা পড়ে গেল পশ্চিম মেদিনীপুরে, তুলে দেওয়া হল বনদপ্তরের হাতে। পশ্চিম মেদিনীপুরে উদ্ধার হলো বিশাল মাপের ময়াল সাপ বা ইন্ডিয়ান রক পাইথন। সোমবার সকালে কেশিয়াড়ি ব্লকের খাজরার বগডিয়া গ্রামে দুলাল বরের গোয়ালঘর থেকে উদ্ধার করা হয় এই ময়াল সাপটি। বিশাল মাপের এই সাপটি দেখে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ির লোক ও গ্রামবাসীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন! খবর দেয়া হয় নিকটবর্তী ফরেস্ট অফিস বা বনদপ্তরে। বনদপ্তরের কর্মীরা এসে সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রায় ৫ ফুট ওজনের সাপটির ওজন হবে ২৫ কেজি বা তার বেশি! প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রবিবার রাতেই কাছাকাছি জঙ্গল থেকে গোয়ালঘরে ঢুকে পড়ে সাপটি। দুলাল বাবু জানালেন, "গতকাল রাতের দিকে আমাদের গোয়াল ঘর থেকে হাঁসের চিৎকার শুনতে পাই। তখনই কিছু একটা আন্দাজ করেছিলাম। সকালবেলা গোয়াল ঘরের দরজা খুলে দেখি হাঁস নেই! তারপরই এটিকে দেখতে পেয়ে চক্ষু চড়কগাছ! এরপর, গ্রামবাসীদের সহায়তায় বনদপ্তরে খবর দিই।" গ্রামবাসীরা এটিকে অজগর সাপ বলে মনে করলেও, বনদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এটি ইন্ডিয়ান রক পায়থন (Indian Rock Python) বা ময়াল সাপ। পরিবেশ কর্মী রাকেশ সিংহ দেব জানিয়েছেন, "এটি অজগর না হলেও, কাছাকাছি প্রজাতির ইন্ডিয়ান রক পায়থন বা ময়াল সাপ। গ্রামবাসীরা যে এটিকে না মেরে, বনদপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছেন, সেজন্য দুলাল বাবু সহ গ্রামবাসীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন পরিবেশ কর্মী রাকেশ সিংহ দেব\" তবে বিশাল পায়থন সাপ দেখতে দুলাল বরের বাড়িতে ভিড় জমিয়েছিল গ্রামের শতাধিক মানুষ।

    Published by:Simli Raha
    First published: