• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • NASA: ধেয়ে আসছে ফুটবল মাঠের মতো বড় গ্রহাণু, NASA বলছে ধ্বংসের মুখে পৃথিবী !

NASA: ধেয়ে আসছে ফুটবল মাঠের মতো বড় গ্রহাণু, NASA বলছে ধ্বংসের মুখে পৃথিবী !

ধেয়ে আসছে ফুটবল মাঠের মতো বড় গ্রহাণু, NASA বলছে চিন্তার কারণ আছে!

ধেয়ে আসছে ফুটবল মাঠের মতো বড় গ্রহাণু, NASA বলছে চিন্তার কারণ আছে!

সম্প্রতি NASA জানিয়েছে যে পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি আরও একটি গ্রহাণু আসতে চলেছে আগামী দিনে।

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: কোন গ্রহাণু আমাদের পক্ষে বিপদের কারণ হবে আর কোনটা হবে না, তা খুব সহজে বলে দেওয়া যায় না। আর যায় না বলেই সতর্ক থাকাটা বাঞ্ছনীয়। গ্রহাণু আছড়ে পরার কারণে পৃথিবী থেকে লোপ পেয়েছে বেশ কিছু জীববৈচিত্র্য, এই তথ্যকে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে বৈজ্ঞানিক সত্যতার সিলমোহর পেয়েছে। ফলে মার্কিন মুলুকের ন্যাশনাল এয়ারোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সংক্ষেপে NASA নিরন্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে গ্রহাণুদের গতিবিধি নিয়ে। কেন না, পৃথিবী মহাশূন্যে ভাসমান গ্রহ বই আর কিছু নয়। শুধু পৃথিবীই নয়, একই সঙ্গে মহাশূন্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে আরও নানা উপাদান। ফলে কখন কোনটা পৃথিবীর কাছে এসে পড়ে, তা নিয়ে চোখ-কান খোলা না রাখলে চলে না।

সম্প্রতি NASA জানিয়েছে যে পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি আরও একটি গ্রহাণু আসতে চলেছে আগামী দিনে। এই গ্রহাণুটির নাম রাখা হয়েছে AF8। জানা গিয়েছে যে এর আয়তন প্রায় একটা ফুটবল মাঠের সমান, এর ব্যাসের দৈর্ঘ্য ২৬০ থেকে ৫৮০ মিটার মতো বিস্তৃত। প্রতি সেকেন্ডে ৯ কিলোমিটার বেগে এই গ্রহাণুটি মহাশূন্যে বিচরণে সক্ষম। পৃথিবীর কক্ষপথে ৩.৪ মিলিয়ন কিলোমিটার ঘেঁষে এটি অবস্থান করবে। আর সেই জন্যই NASA-র বিজ্ঞানীদের দাবি- এর থেকে বিপদের আশঙ্কা নেই, তা খুব একটা জোর দিয়ে বলা চলবে না।

২০২০ সালের ২৫ ডিসেম্বর NASA-র বিজ্ঞানীরা প্রথম এই গ্রহাণুটির অস্তিত্ব সম্পর্কে অবহিত হয়েছিলেন। সেই সময়ে একে নিয়ে তেমন চিন্তার কারণ ছিল না বলেই দাবি করেছেন তাঁরা। তবে এর গতিবিধি সামান্য হলেও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল বিজ্ঞানীদের মনে। তাই নিরন্তর একে ঘিরে গবেষণা চলতেই থাকে। ২০২০ সালের পর চলতি বছরের ৪ মার্চ শেষবারের মতো এর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হয়। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে ২০২০ সালের পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত মোট ১৫৭টি পর্যবেক্ষণ সংঘটিত হয়েছে এই গ্রহাণু ঘিরে। তার ভিত্তিতেই নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে ৪ মে এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর কক্ষপথে ঢুকে পড়বে। তার পরে এটি কোন দিকে যাবে, সে সম্পর্কে এখনও কোনও তথ্য উদ্ধার করে উঠতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। তেমনই পৃথিবীর পাশ ঘেঁষে বেরিয়ে গেলেও আবার সে ভবিষ্যতে ফিরে আসবে কি না, সে সম্পর্কেও নিশ্চিত হয়ে এখনই কোনও তথ্য তাঁরা দিতে পারেননি।

Published by:Piya Banerjee
First published: