লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

লিভার ক্যানসারের জন্য দায়ী হেপাটাইটিস সি ভাইরাস! নোবেলজয়ী গবেষণাটি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিভার ক্যানসারের জন্য দায়ী হেপাটাইটিস সি ভাইরাস! নোবেলজয়ী গবেষণাটি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

আগেই হেপাটাইটিস এ এবং হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ রক্তবাহিত হেপাটাইটিস আক্রান্তের ক্ষেত্রে প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা যেত না।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ২০২০ সালের চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা হয়েছে সম্প্রতি। হেপাটাইটিস সি ভাইরাস আবিষ্কারের জন্য এ বছর চিকিৎসাশাস্ত্রের সর্বোচ্চ সম্মানটি পাচ্ছেন তিনজন চিকিৎসক। এঁরা হলেন দুই মার্কিন গবেষক হার্ভে জে অল্টার, চার্লস এম রাইস এবং ব্রিটিশ গবেষক মাইকেল হিউটন।

আগেই হেপাটাইটিস এ এবং হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ রক্তবাহিত হেপাটাইটিস আক্রান্তের ক্ষেত্রে প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা যেত না। আর এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের ফলে হেপাটাইটিস সি-এর চিকিৎসা করা এবং প্রয়োজন মতো ওষুধ দেওয়ার কাজ এখন অনেক সোজা হবে। এমনকি একদিন সারা বিশ্ব থেকেও মুছে ফেলা যাবে হেপাটাইটিস সি জন্ডিস রোগটি। এই আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানীত্রয়ীকে নোবেলের পুরস্কার মূল্য হিসেবে মোট ৮ কোটি ১৯ লক্ষ ৪২ হাজার ৮১ সুইডিশ ক্রোনা দেওয়া হবে।

তিনজন বিজ্ঞানীর মধ্যে অল্টার প্রথম আবিষ্কার করেন এইচসিভি বা হেপাটাইটিস সি ভাইরাস ক্রনিক হেপাটাটিসের জন্য দায়ী। ১৯৭০ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ হেলথে গবেষণা করেছেন অল্টার। হিউটন প্রথম এইচসিভি থেকে জেনোমটি আলাদা করে শনাক্ত করতে পেরেছিলেন। ইংলন্ডের বিজ্ঞানী মাইকেল হিউটন ১৯৭৭ সালে লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে পিএইচডি পান। ইংলন্ড-আমেরিকার বিভিন্ন জায়গায় কাজ করার পর আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের লি কা শিং অ্যাপ্লায়েড ভাইরোলজি ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর পদে কর্মরত তিনি। রাইস এবং ওঁর গবেষক দল ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সিদ্ধান্তে আসেন যে একমাত্র হেপাটাইটিস সি ভাইরাসই হেপাটাইটিস ঘটায়। অবশ্য বর্তমানে বিজ্ঞানী রাইস রয়েছেন নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে।

১৯৪০ এর দশকে হেপাটাইটিস এ ভাইরাসের প্রথম সন্ধান মিলেছিল। জানা গিয়েছিল, মূলত জলবাহিত এই ভাইরাস থেকে লিভারের নানা সমস্যা তৈরি হয়। ১৯৬০-এর দশকে বিজ্ঞানী বারুচ ব্লুমবার্গ আবিষ্কার করেন হেপাটাইটিস বি। রক্তবাহিত এই ভাইরাসের সংক্রমণ আরও মারাত্মক এবং তার থেকে যে লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যানসার হতে পারে, তা প্রথম গবেষণায় দেখিয়েছিলেন বিজ্ঞানী ব্লুমবার্গ। সেই কাজের জন্য ১৯৭৬ সালে নোবেল সম্মান পান তিনি। এ বার সেই একই গোত্রের আরও একটি ভাইরাসের সন্ধান দিয়ে নোবেল পেলেন তিন চিকিৎসা বিজ্ঞানী।

হেপাটাইটিস পরিবারের সব ভাইরাসই যকৃৎ বা লিভারকে আক্রমণ করে। লিভারে সংক্রমণ, ফুলে যাওয়া ছাড়াও দেহের অন্যান্য অঙ্গের কার্যক্ষমতাও নষ্ট করে দেয় এই ভাইরাস।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: October 6, 2020, 5:51 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर