Menstruation: ঋতুস্রাবের পরে সাপের মতো খোলস ছাড়েন মেয়েরা, ভাইরাল ভিডিওর চমকে ওঠা দৃশ্যে আলোড়ন বিশ্ব জুড়ে!

Photo Source: Tiktok

তিনি দাবি করেছেন যে ঋতুচক্রের পরে মেয়েরা ঠিক সাপের মতোই খোলস ছাড়েন, তাঁদের ত্বক উঠে আসে।

  • Share this:

ঋতুচক্র বা মেনস্ট্রুয়েশন সাইকল, ঋতুস্রাব বা মেনস্ট্রুয়াল ব্লাড নিয়ে এখনও সমাজে অশিক্ষার অন্ধকার রয়ে গিয়েছে। তা এক দিকে যেমন নারীদের অস্বস্তিজনক অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়, তেমনই এই নিয়ে সরাসরি বাক্যালাপের বিষয়ে পুরুষদের মধ্যেও তৈরি করে নানা রকমের ছুঁৎমার্গ। নারী হন বা পুরুষ, প্রসঙ্গ উঠলে অনেকেই এমন ভান করেন যে এরকম কোনও শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া আদতে পৃথিবীতে নেই! সেই সঙ্গে ঋতুচক্র নিয়ে সমাজে, বিশেষ করে পুরুষদের মধ্যে প্রচলিত রয়েছে নানা অবিশ্বাস্য ধারণা! সেই সব মানসিকতাকেই এবার একহাত নিলেন TikTok ইউজার ডাকোটা ফিন্ক (Dakota Fink)। ঋতুচক্র বিষয়ে কুসংস্কারগ্রস্ত পুরুষদের বলা যায় ঘোল খাইয়ে ছাড়লেন তিনি!

সম্প্রতি ডাকোটা তাঁর TikTok হ্যান্ডেল থেকে একটি ভিডিও আপলোড করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেছেন যে ঋতুচক্রের পরে মেয়েরা ঠিক সাপের মতোই খোলস ছাড়েন, তাঁদের ত্বক উঠে আসে। শুধু এটুকু বলেই ক্ষান্ত থাকেননি ডাকোটা, হাতেনাতে তার প্রমাণও দিয়েছেন। ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে যে সাপের খোলস ছাড়ার মতো করেই নিজের মুখ থেকে চামড়া টেনে তুলে ফেলছেন তিনি! যা দেখে আপাতদৃষ্টিতে চমকে উঠতে হলেও পরক্ষণেই বোঝা যাচ্ছে যে আদতে ওটা ত্বক নয়, নিতান্তই এক ফেস মাস্ক! কিন্তু অনভিজ্ঞ এবং ঋতুচক্র নিয়ে কুসংস্কারাগ্রস্ত পুরুষরা এই ভাঁওতা বিশ্বাস করে নিয়েছেন, ডাকোটার ভিডিওর নিচে পোস্ট করা নানা কমেন্ট তা সাফ বুঝিয়ে দিয়েছে।

যেমন, এক ইউজার বেশ সহানুভূতির সঙ্গেই জানিয়েছেন যে ব্যাপারটা জেনে তাঁর খারাপ লেগেছে, মেয়েদের যে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, কে তা কল্পনা করতে পেরেছিল! এই ধরনের মন্তব্য আরও আছে! আর তার জেরে মহিলা TikTok ইউজাররা ডাকোটার মতোই বোকা বানাতে শুরু করেছেন পুরুষদের এই সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে। এক মহিলা যেমন জানিয়েছেন যে ঋতুচক্র যেমন একেক মহিলার ক্ষেত্রে একেক বয়সে শুরু হয়, তেমনই এই খোলস ছাড়ার ব্যাপারটাও একেক মহিলার একেক বয়সে হয়ে থাকে। আরেক ইউজার আবার এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে লিখেছেন যে প্রথম ওঠা খোলস তিনি সযত্নে রেখে দিয়েছেন, মেয়ের যখন প্রথম ঋতুচক্রের অভিজ্ঞতা হবে, তখন তাকে উপহার হিসেবে দেবেন!

First published: