• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • পুজো দিতে এসে মা কালী দর্শন! জিভ বের করে মন্দিরেই তাণ্ডব শুরু মহিলার ! ভাইরাল ভিডিও

পুজো দিতে এসে মা কালী দর্শন! জিভ বের করে মন্দিরেই তাণ্ডব শুরু মহিলার ! ভাইরাল ভিডিও

photo source facebook

photo source facebook

রাস্তার ধারে লোক জমা হয়ে যায়। অনেকেই বলতে থাকেন ভর হয়েছে মহিলার।

  • Share this:

    কি ভয়ঙ্কর কাণ্ড ! ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে এসব কি হল মহিলার ! নীল শাড়ি পরে কালী মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে মায়ের পুজো দেখছিলেন এক ভদ্রমহিলা। তার আশে পাশে আরও অনেক মানুষ রয়েছেন। সকলেই মায়ের মন্দিরে পুজো দিতে এসেছেন। এমন সময় হঠাৎ নীল শাড়ি পরে দাঁড়িয়ে থাকা মহিলা, রাস্তার মাঝেই জিভ বার করতে শুরু করলেন। মায়ের বিশাল মূর্তির দিকে তাঁকিয়ে নানা রকম অঙ্গভঙ্গি করতে শুরু করলেন। এর পর তিনি সামনে থাকা বেরিকেট এক লাফে টপকে সোজা মায়ের মন্দিরে ঢুকে পড়লেন। তাঁকে ওভাবে জিভ বার করে মন্দিরে ঢুকতে দেখেই সকলে বাইরে চলে আসে বা সরে যায়। ওই মহিলা ভিতরে ঢুকে প্রথমে নিজের চুলটা খুলে ফেলে। তারপরেই শুরু হয় তাণ্ডব নৃত্য। একেবারে যেন মা কালী নাচতে শুরু করেছেন। ভয়াবহ দৃশ্য।

    রাস্তার ধারে লোক জমা হয়ে যায়। অনেকেই বলতে থাকেন ভর হয়েছে মহিলার। তাদের মধ্যে কেউ একজন গোতা ঘটনার ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে দেয়। তারপর থেকেই ভাইরাল হয় ভিডিওটা। তবে ভিডিওটা দেখে মনে হচ্ছে গোটাটাই সাজানো। ওই মহিলার যে হঠাৎ করে এই রকম হবে, তা কি করে জানলেন ওই ক্যামেরা ম্যান বা যিনি ফোনে ভিডিও তুলেছিলেন, তিনি? তার মানে আগে থেকেই বিষয়টা সাজানো ছিল। পুরোটাই মহিলার নাটক ছাড়া আর কিছু না। আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার জন্য মানুষ অনেক কিছুই করতে পারে।

    আমাদের দেশের বহু গ্রামে আজও কুসংস্কারের অন্ধকার মানুষের মনে বাসা বেঁধে আছে। যা কঠিন রোগের থেকেও ভয়ঙ্কর। কখনও তাঁদের ভূতে ধরে, কখনও এভাবে ঠাকুরের ভর হয় ! নানা কিছু হতে থাকে। অথচ যারা এটা করে তারা জানেনই না যে এটা এক ধরণের অসুস্থতা। তারা ওঝা ডাকেন, নানা রকম মন্ত্র উচ্চারণ করেন। ঝাঁটা পেটা পর্যন্ত করেন। সে এক ভয়াবহ দিক। এই মহিলাও সেই ধারণা থেকেই এ জিনিস করে বিখ্যাত হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু উল্টে মানুষ এই ভিডিও দেখে সমালোচনাই বেশি করেছেন। তবে ঝড়ের গতিতে সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে এই ভিডিও ।

    Published by:Piya Banerjee
    First published: