নাতির জন্য ২০০ টাকার খাবার কিনতে গিয়ে ২ লক্ষ টাকার জরিমানা বৃদ্ধের!

নাতির জন্য ২০০ টাকার খাবার কিনতে গিয়ে ২ লক্ষ টাকার জরিমানা বৃদ্ধের!
uk man fined rs 2 lakh while out to buy food from mcdonald for grandson

নাতির জন্য ২০০ টাকার খাবার কিনতে গিয়ে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা ভরতে হল ইংল্যান্ডের এক প্রবীণ নাগরিককে!

  • Share this:

    #লন্ডন: নাতির জন্য ২০০ টাকার খাবার কিনতে গিয়ে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা ভরতে হল ইংল্যান্ডের এক প্রবীণ নাগরিককে! ম্যাকডোনাল্ডে (McDonald) খাবার কিনতে গিয়ে পার্কিং নিয়ে তাঁকে অভিযোগের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিল ট্রাফিক পুলিশ। যার জেরে নিরানন্দে পরিণত হল ম্যাকডোনাল্ডের তথাকথিত 'হ্যাপি মিল'!

    ৭৫ বছরের জন বাবেজ (john Babbage) ইংল্যান্ডের লুটনের বাসিন্দা। নাতি টেলরকে (Tyler) সারপ্রাইজ দিতে তাঁকে নিয়েই ম্যাকডোলান্ডের আউটলেটে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে নাতির জন্য ২০০ টাকার সুস্বাদু খাবার কেনেন বাবেজ। প্যাকেট ভর্তি 'হ্যাপি মিল' নিয়ে গাড়িতে গিয়ে বসেন ৭৫ বছরের ব্রিটিশ নাগরিক। তখন গাড়ি থেকে নেমে পাশের মাঠে খেলতে চলে যান ওই বৃদ্ধের নাতি টেলর।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, নাতিকে বেশ কয়েকবার গাড়িতে ফিরে আসার জন্য অনুরোধ করেন বাবেজ। কিন্তু বৃদ্ধের কথায় কর্ণপাত না করে খেলায় মত্ত থাকে ছোট্ট টেলর। ইতিমধ্যে ডেকে ডেকে সাড়া হয়ে ক্লান্ত হয়ে যান প্রবীণ বাবেজ। এর পর গাড়িতেই তিনি ঘুমিয়ে পড়েন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এভাবে দীর্ঘ সময় কেটে যাওয়ার পর বাবেজের ঘুম ভাঙে পুলিশের ডাকে। ৭৫ বছরের বৃদ্ধকে পার্কিং নিয়ম ভাঙার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়।


    পুলিশের দাবি, ম্যাকডোনাল্ড আউটলেটের বাইরে ফ্রি পার্কিংয়ের জন্য যে সময় নির্ধারিত, তা অতিক্রম হয়ে যাওয়ায় জন বাবেজকে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে। ৭৫ বছরের বৃদ্ধকে জরিমানা হিসেবে ২ লক্ষ টাকা দিতে হয়। নাতির জন্য আনন্দ করতে গিয়ে এভাবে যে বিপদে পড়তে হবে, তা ভাবতেই পারেননি ইংল্যান্ডের জন বাবেজ। যদিও তিনি নিজের অপরাধ কবুল করতে রাজি হননি বলেই জানা গিয়েছে।

    গত জানুয়ারিতে লুটনেই করোনাভাইরাসের জেরে জারি থাকা লকডাউনের নিয়ম ভেঙে গাড়ি চালিয়ে ১৬০ কিলোমিটার অতিক্রম করেছিলেন এক ব্রিটিশ নাগরিক। যিনি দাবি করেছিলেন যে বাড়ির কাছে ম্যাকডোনাল্ডের কোনও আউটলেট না পেয়ে তিনি এই কাজ করেছেন। এই অপরাধের জন্য ওই ব্যক্তিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছিল পুলিশ। একই স্থানে আরও একটি বড়সড় ঘটনা হাতেনাতে ধরতে পারায়, পুলিশ যে কতটা তৎপর, তা প্রমাণ হয়েছে!

    First published: