• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • স্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি বাচ্চার ঝোঁক নেই? কাজে দেবে এই পন্থাগুলো!

স্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি বাচ্চার ঝোঁক নেই? কাজে দেবে এই পন্থাগুলো!

শিশুর ঝাোকই হল অস্বাস্থ্যকর বাইরের খাবার খাওয়া! তাই ধৈর্য না হারিয়ে ধীরে ধীরে বাচ্চাকে সবজি খাওয়ানো অভ্যেস করতে হবে। বকুনি দিলে জিনিসটা খাওয়া নিয়ে তার মনে ভয় আর অনিচ্ছা বাড়বে বই কমবে না।

শিশুর ঝাোকই হল অস্বাস্থ্যকর বাইরের খাবার খাওয়া! তাই ধৈর্য না হারিয়ে ধীরে ধীরে বাচ্চাকে সবজি খাওয়ানো অভ্যেস করতে হবে। বকুনি দিলে জিনিসটা খাওয়া নিয়ে তার মনে ভয় আর অনিচ্ছা বাড়বে বই কমবে না।

বাচ্চাদের বাড়ির স্বাস্থ্যকর খাবারে মনোনিবেশ করাতে হবে। তারই জন্য রইল টিপস

  • Share this:

অভিভাবক হওয়া এবং বাচ্চা মানুষ করা জীবনের অন্যতম কঠিন কাজ বা গুরুত্বপূর্ণ কাজ, এটা অনেকেই স্বীকার করে থাকেন। বাচ্চাদের মন বুঝে তাদের খাওয়ানো, বিভিন্ন ভালো অভ্যাস তৈরি করার জন্য অনেকটা সময় বাচ্চার অভ্যাস, রিঅ্যাকশন ও ব্যবহারের উপরে নজর রাখতে হয়। ছোটবেলার ছোট ছোট খারাপ অভ্যাসই বড় হয়ে বিরাট আকার নেয়। বা ভালো অভ্যাস অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। তাই বাচ্চাদের ধরন, ব্যবহার বুঝে খুব ছোট থেকেই তাদের ভালো জিনিস শেখানো উচিৎ- বিশেষ করে ভালো ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ানো। আর এখানেই অভিভাবকদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। কারণ চিপস, চকোলেট বা ফাস্ট ফুডেই বাচ্চাদের ঝোঁক থাকে বেশি। ফলে স্বাস্থ্যকর খাবার, সবজি বা বাড়িতে তৈরি খাবার খাওয়াতে রীতিমতো বেগ পেতে হয়। করোনা পরিস্থিতিতে স্কুল না থাকায় আরও এই সমস্যা বেড়ে গিয়েছে বলে জানাচ্ছেন অভিভাবকেরা।

কিন্তু ছোট থেকে স্বাস্থ্যকর খাবার না খাওয়ালে বড় হয়ে পেটের সমস্যা, ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যা বা অন্যান্য অনেক রোগ আসতে পারে। তাই বাচ্চাদের বাড়ির স্বাস্থ্যকর খাবারে মনোনিবেশ করাতে হবে। তারই জন্য রইল ক'টা টিপস!

১. বাচ্চাদের অভ্যাস ঠিক করতে হলে নিজেরটা আগে করা দরকার

বাচ্চারা সব সময়েই বাবা-মাকে কপি করে থাকে। বাবা-মা যা করেন, ছোট থেকে সেগুলোর বেশিরভাগটাই শেখে বাচ্চা। তাই তাদের অভ্যাস ঠিক করার আগে নিজেদের অভ্যাস ঠিক করা দরকার। বাচ্চারা যদি দেখে বাবা বা মা সারা দিন বিছানায় শুয়ে রয়েছেন, কাজ করছেন না, ফোন ঘাঁটছে বা সিরিয়াল দেখছেন, তা হলে তারাও তাই করবে। যদি বাবা-মা রোজ বাইরের খাবার এনে খান, তা হলে বাচ্চারাও সেটাই শিখবে। তাই বাচ্চাদের অভ্যাস বদলের আগে নিজেদেরটা ঠিক করতে হবে।

২. রান্নায় বাচ্চাদের সাহায্য নেওয়া

খাবারে অনীহা থাকে অনেকে বাচ্চারই। ঘরে তৈরি রুটি-তরকারি দেখলেই তারা পালিয়ে যায়। তাদের থেকে যদি রান্না করতেই সাহায্য চাওয়া হয়, তারা কিন্তু খুশি হতে পারে। এবং রান্না করতে গিয়ে বা সাহায্য করতে গিয়ে তারা সেই খাবারটিকে আকর্ষণীয় মনে করতে পারে।

৩. বাড়িতেই ভালো ভালো খাবার বানানোর চেষ্টা

অনেক সময়েই অসচেতন অবস্থায় অনেক বাবা-মা বলে ফেলেন, কাজ শেষ করলে মিলবে চকোলেট বা বাচ্চার পছন্দের বাইরের কোনও খাবার। এতে বাবা-মায়েরাই তাকে চকোলেটের প্রতি লোভ দেখান, ফলে চকোলেট খাওয়া যে বেশি ভালো নয় সেটা তারা বুঝতে চাইতে না-ও পারে। তাই চকোলেট বা এই ধরনের বাজার থেকে আনা খাবারের বদলে তাদের উপহার হিসেবে বাড়িতেই কিছু বানিয়ে দেওয়া যেতে পারে। যা শরীরের জন্য ভালো হবে। আর এ ভাবে বাড়িতে তৈরি খাবার খাওয়া অভ্যাসও হয়ে যাবে।

৪. পছন্দের খাবারের মাঝেই লুকোনো থাক পুষ্টিকর খাবার

কোনও পছন্দের খাবারের মধ্যেই যদি লুকিয়ে পুষ্টিকর খাবার দিয়ে দেওয়া যায়, তা হলে সেটা বাচ্চারা বুঝতে পারে না সাধারণত। যেমন- মিল্ক শেক খেতে পছন্দ করলে তার মধ্যে বিভিন্ন বাদাম পেস্ট করে দিয়ে দেওয়া যেতে পারে। বা কোনও ফ্রুট স্যালাডের মধ্যে কোনও ড্রাই ফ্রুটস অ্যাড করা যেতে পারে। বা কোনও বাচ্চা বার্গার খেতে পছন্দ করলে, বার্গারের ভিতর কিছু ভালো পুষ্টিকর উপাদান অ্যাড করলে তারা বুঝতে পারবে না।

৫. মাঝে মাঝে বাইরের খাবার খেতে দেওয়া

গরমকালে একেবারে আইসক্রিম খেতে না দেওয়া বা সিনেমা দেখতে গেলে চিপস না দেওয়া অন্যায় হবে। এতে বাচ্চারা জেদি হয়ে যেতে পারে এবং যা খেতে দেওয়া একদম হচ্ছে না সে দিকেই ঝোঁক বাড়তে পারে। তাই মাঝে মাঝে এই সব খেতে দিতে হবে। তবে, এগুলো খেলে অবশ্যই পরের দিনগুলোতে যেন পুষ্টিকর খাবার খায়, সেটাও খেয়াল রাখতে হবে।

৬. নতুন খাবার খাওয়ানো

বাচ্চারা নিজেরাই বুঝতে পারে না কোনটা খেতে ভালো লাগবে, কোনটা লাগবে না। তাই একদম ছোটবেলাতেই বেশি নতুন রকম খাবার খাওয়ালে তাদের পছন্দ না-ও হতে পারে। তাই তাদের পছন্দের খাবার দিলে তাদের বাড়ির খাবারের প্রতি অনীহা তৈরি হবে না।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: