• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • THIS IS THE TIME OF THE DAY WHEN YOU CAN BURN CALORIES AUTOMATICALLY SWD TC

বসে বসেই কমে মেদ! দিনের এই সময়ে দেহ নিজেই সক্রিয় হয়ে ক্যালরি ঝরায়, বলছে গবেষণা

কিছু না করে চুপচাপ হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকলেও শরীর নিজের নিয়মে চলে বাড়তি মেদ কম করে ফেলে।

কিছু না করে চুপচাপ হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকলেও শরীর নিজের নিয়মে চলে বাড়তি মেদ কম করে ফেলে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: হাত ঘড়ি বা দেওয়াল ঘড়ি দেখে আমরা সময় বুঝে সেই মতো কাজকর্ম করি। আমাদের শরীরের ভিতরেও একটি অভ্যন্তরীণ ঘড়ি আছে। শরীরের ভিতরের এই ঘড়িকে বলে সারকাডিয়ান রিদম। মূলত শরীরের মধ্যে জন্মের সময় থেকে এই ঘড়ি ফিট করা আছে বলেই আমরা বুঝতে পারি কখন খিদে পাচ্ছে, কখন ঘুম পাচ্ছে ইত্যাদি। শুধু তাই নয়, আমাদের অজান্তেই এই বডি ক্লক ইঙ্গিত দেয় কখন এবং কতটা বাড়তি মেদ আমাদের ঝরিয়ে ফেলা দরকার। কিছু না করে চুপচাপ হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকলেও শরীর নিজের নিয়মে চলে বাড়তি মেদ কম করে ফেলে। শুনতে অবাক লাগলেও সাম্প্রতিক গবেষণা সে রকমই কথা বলেছে।

কারেন্ট বায়োলজি নামক এক জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে যে মাঝ দুপুরে এবং বিকেল শুরুর সময়ে দিনের অন্যান্য সময়ের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি মেদ ঝরে যায়। অনেকেই দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার পর একটু জিরিয়ে নেন। ভাতের প্রভাবে অনেক সময়েই চোখ জুড়ে আসে। এর পর এমনটা হলে আর অপরাধ বোধে ভোগার কোনও দরকার নেই। কারণ শরীর ঘুমের তোয়াক্কা না করে নিজে থেকেই সক্রিয় হয়ে মেদ ঝরিয়ে ফেলবে।

এই গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখানো হয়েছে কী ভাবে মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে এই সারকাডিয়ান ক্লক কাজ করে। আর সেই কারণেই যাঁদের রাত্রে ভালো ঘুম হয় না বা নাইট শিফট করার জন্য যাঁরা রাত্রে ঘুমোতে পারেন না, তাঁরা অন্যদের তুলনায় চট করে বেশি ওজন বাড়িয়ে ফেলেন।

মেটাবলিজমের মাত্রা, ডায়েটারি অভ্যাস এবং ঘুমের ধরন এসব মাথায় না রেখে সারা দিন বিপাকীয় হারের পরিবর্তনগুলি মূল্যায়নের জন্য, বিজ্ঞানীরা এক পরীক্ষাগারে যেখানে কোনও জানলা বা ঘড়ি নেই সেখানে একমাসে সাতজন অংশগ্রহণকারীকে নিরীক্ষণ করেছিলেন। অংশগ্রহণকারীদের কোনও ফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি এবং তাঁরা কখন ঘুমোতে যাবেন, কখন ঘুম থেকে উঠবেন এবং খাবেন তার শিডিউল দেওয়া হয়েছিল। প্রতি রাতে, অংশগ্রহণকারীরা আগের রাতের চেয়ে চার ঘন্টা পরে ঘুমাতে যেতেন। যার কারণে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়িটি তার নিজস্ব ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি। এক্ষেত্রে এই ঘড়ি অন্য কিছুর উপরে নির্ভর না করে এটি শরীরের উপরে ছেড়ে দেয়। এভাবে গবেষকদের দিনের বিভিন্ন জৈবিক সময়ে বিপাকের হার পরিমাপ করতে সুবিধা হয়।

দেখা গিয়েছে যে রাত্রের দিকে সব চেয়ে কম ক্যালোরি ঝরেছে শরীর থেকে। কিন্তু দুপুরের দিকে বা বিকেলের দিকে ক্যালোরি বার্ন হওয়ার মাত্রা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই গবেষণা একটি ছোট স্কেলে করা হয়েছিল তবে ফলাফলগুলি দেখিয়েছে যে কী ভাবে সারকাডিয়ান রিদম মেটাবলিজমকে প্রভাবিত করে। সবাই শুধুই ওজন হ্রাস করার চেষ্টা করেন, সেটা না করে সামগ্রিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে একটি সাধারণ সময়সূচী বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে এই গবেষণা।

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: