করোনার জেরে বাড়ছে মানসিক চাপ, প্রভাব পড়ছে ত্বকে; কী ভাবে মুক্তি পাবেন, জেনে নিন!

করোনার জেরে বাড়ছে মানসিক চাপ, প্রভাব পড়ছে ত্বকে; কী ভাবে মুক্তি পাবেন, জেনে নিন!
Photo- File

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন...

  • Share this:

#নয়াদিল্লি:  করোনার জেরে গত বছর মার্চের শুরু থেকে ঘরবন্দী মানুষজন। প্রায় এক বছর হতে যায়, এখনও আতঙ্ক কাটেনি। ওয়ার্ক ফ্রম অফিসও চালু হয়নি বেশ কিছু সংস্থার। যার ফলে বাড়িতে চার দেওয়ালের মধ্যে একঘেয়েমি বেড়েছে। আর এর ফলে বেড়েছে মানসিক চাপও। যার প্রভাব পড়ছে আমাদের শরীরে। খারাপ হচ্ছে ত্বক ও চুল।

চিকিৎসকরা বলছেন, মানসিক চাপ বা স্ট্রেসের ফলে হরমোনে পরিবর্তন হয়। এর বিরাট প্রভাব পড়ে ত্বকে। স্ট্রেসের ফলে ব্রণ, ব়্যাশেস, চুল পড়া বা চুল নষ্ট হওয়া বেড়ে যায়। যদিও যাঁরা বাড়ি থেকে কাজ করছেন, তাঁদের একাংশের দাবি বাড়িতে ত্বকের যত্ন অনেক বেশি নেওয়া যায়। কিন্তু চিকিৎসকরা এই দাবি খারিজ করে বলছেন, বাইরে থেকে ত্বকের যত্ন নিলেও মানসিক চাপের জন্য যে ক্ষতি হয়, তা উপর থেকেই বোঝা যায়। এই ক্ষতি বাইরে থেকে ঠিক করা যায় না। তবুও ক্লিনজিং, টোনিং ও ময়শ্চারাইজিংয়ের নিয়ম প্রত্যেকের প্রতি দিন মেনে চলা উচিৎ।

এই বিষয়ে সেটাফিল ইন্ডিয়ার তরফে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ গীতাঞ্জলি শেট্টি বলছেন, ত্বক ভালো রাখতে সব চেয়ে প্রথমে দরকার জল বেশি করে পান করা ও শরীর হাইড্রেট রাখা। তাঁর মতে, মানসিক চাপের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে ত্বকে। এবং এর ফলে ত্বক তেলতেলে হয়ে যায়, ব্রণও হতে পারে।


মানসিক চাপ হলে হরমোনে পরিবর্তন হয়, ফলে তা ত্বকে প্রভাব ফেলে। ত্বকের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়। ফলে বলিরেখা তাড়াতাড়ি পড়ে। ব়্যাশেস ও ব্রণও বেশি পরিমাণে হয়। আর এর জন্য একজিমা (Eczema), রোসাসিয়া (Rosacea), সোরিয়াসিস (Psoriasis) হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।

কী ভাবে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়?

যদি ব্রণর পরিমাণ বেশি দেখা যায় বা জ্বালাভাব শুরু হয়,তা হলে দিনে অন্তত তিন বার করে মুখ পরিষ্কার করতে হবে। যাঁদের ত্বক রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে, তাঁদের ফোমিং ক্লিন্সার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করতে দিনে দু'বার। ত্বকের যে কোনও প্রোডাক্টে ভিটামিন C থাকলে তা ত্বক আরও ভালো করে তোলে।

যদি আপনি জানেন আপনার মানসিক চাপ হচ্ছে, তা হলে অবশ্যই ব্রেক নিন। কোথাও থেকে ঘুরে আসুন, আপনার ত্বক ভালো হয়ে যাবে।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন

ত্বকের যত্ন নিতে হবে রোজ, বলছেন চিকিৎসকরা। ভিটামিন E, C যুক্ত খাবার খেতে হবে। আমন্ডস, কড লিভার অয়েল, চিংড়ি মাছ, পিনাট বাটার, স্যামন মাছ, সানফ্লাওয়ার সিড ইত্যাদি খেতে হবে। আর সব চেয়ে আগে বেশি করে জল খেতে হবে!

Published by:Debalina Datta
First published: