বিয়ের আগে টাকা-পয়সা নিয়ে এই কথাগুলো জেনে রাখা ভাল, নাহলে পরে সমস্যা বাড়বে

এই সমস্যা এড়াতে কী কী করা যেতে পারে আসুন জেনে নিই।

এই সমস্যা এড়াতে কী কী করা যেতে পারে আসুন জেনে নিই।

  • Share this:

#কলকাতা:

আমরা যত সময় সাপ্তাহিক ছুটি কাটানোর প্ল্যানের পেছনে খরচ করি তার সিকিভাগও হয়তো ভবিষ্যত, কিংবা আমাদের প্রতিদিনের খরচ, বিয়ের প্ল্যান, অথবা রিটায়ারমেন্টের পর কীভাবে জীবন কাটাব, এসব নিয়ে ভাবি না। নিঃসন্দেহে টাকাপয়সার আলোচনা খুব একটা ইন্টারেস্টিংও নয়। কিন্তু দাম্পত্য কলহে অর্থ সমস্যা সম্পর্কে ফাটল ধরাতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতি তিনজন দম্পতির মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং এক-তৃতীয়াংশের বেশি দম্পতিরা সপ্তাহে অন্তত একবার টাকাপয়সার সমস্যা নিয়ে কলহের মধ্যে পড়েন। প্রায় ৩০% ক্ষেত্রে এই কলহ ডিভোর্স অবধি পৌছে যায়। এই সমস্যা এড়াতে কী কী করা যেতে পারে আসুন জেনে নিই।

কথা বলুন

টাকাপয়সা নিয়ে কথা বলতে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করলেও চেষ্টা করুন ধীরে ধীরে শুরু করতে। সাইকোলজিস্ট ড. সামার ওয়াটসন (Summer Watson) এবং প্রাক্তন ফাইনান্সিয়াল অ্যাডভাইজার জেন ফন্টেনিলা (Jen Fontanilla) এই বিষয়ে কথা বলার জন্য ৫টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সাজেস্ট করেছেন।

·খোলামেলাভাবে কথা বলুন।

·অযথা নিজের জাজমেন্ট সরিয়ে রাখুন।

·আপনার পার্টনারের মতামত বোঝার চেষ্টা করুন।

·উভয়েই টাকাপয়সা সংক্রান্ত ইমোশনগুলো বুঝুন।

·আপনার নিজের কথা, ইচ্ছে পরিস্কারভাবে পার্টনারকে জানান।

সামার এবং জেন আরও বলেছেন, “সম্পর্ক ভবিষ্যতের দিকে এগোনোর সম্ভাবনা থাকলে প্রথম থেকেই এই বিষয়ে আলোচনা শুরু করুন। আপনি নিশ্চয়ই আপনার কাছের মানুষকে নিয়ে কোনও ধোঁয়াশার মধ্যে থাকতে চান না। এমনকি যখন আপনি ডেট করছেন তখন থেকে আপনার পার্টনারের অর্থ সংক্রান্ত ব্যবহারের দিকে লক্ষ রাখা শুরু করুন।”

যে প্রশ্নগুলি আপনি জিজ্ঞেস করতে পারেন

১. আপনার পার্টনার টাকাপয়সা বা এই ধরনের সমস্যা নিয়ে কী ভাবছেন? কেউ তাঁর সঙ্গে আগে এই নিয়ে কথা বলেছে কি না? সে অর্থ সমস্যা থাকলে কেমনভাবে তা মেটায়? এগুলি জানার চেষ্টা করবেন।

২. আপনার পার্টনার মানি ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কি ভাবেন? ওঁর এই সংক্রান্ত পূর্ব অভিজ্ঞতা কেমন? এই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দু'জনেই সিরিয়াসলি আলোচনা করুন। একে অপরের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হলে এইটুকু সাহস এবং সততা দরকার।

৩. পার্টনারের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা কেমন? চেষ্টা করুন মন খুলে কথা বলতে। প্রয়োজনে পার্টনারকে ভরসা দিন, কমিউনিকশন আরও মজবুত করুন।

৪. প্রয়োজনে একে অপরের অর্থনৈতিক অবস্থার কারণও আলোচনা করতে পারেন।

৫. চেষ্টা করুন শুরু থেকেই নিজের নিজের প্ল্যান সম্পর্কে একে অপরকে জানাতে।

এই সব আলোচনা আখেরে আপনাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে। সম্পর্কে একধরনের পজিটিভিটি আসবে।

Published by:Suman Majumder
First published: