Home /News /life-style /
Summer Activities: এটাই সময়! গরমের ছুটিতে সন্তানকে এই কাজগুলো শেখান...

Summer Activities: এটাই সময়! গরমের ছুটিতে সন্তানকে এই কাজগুলো শেখান...

গরমের ছুটিতে যা শেখাবেন শিশুকে

গরমের ছুটিতে যা শেখাবেন শিশুকে

Summer Activities: ছুটি উপভোগ করার মাঝে এই সময়টা কিন্তু বাচ্চাদের শেখা ও মানসিক বিকাশের জন্যও অত্যন্ত জরুরি।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: করোনা কাটিয়ে পুরোদস্তুর খুলে গিয়েছে স্কুল। তবে খুব তাড়াতাড়ি গরমের ছুটি (Summer Activities) পড়বে। চাঁদিফাটা রোদ্দুরে স্কুল যাওয়ার হাত থেকে রেহাই পাবে বাচ্চারা। হাতে সময় পাওয়া যাবে প্রায় এক মাস। এই সময়টা সাধারণত বইপত্র তোলা থাকে। চুটিয়ে ছুটি উপভোগ করে বাচ্চারা।

তবে বইপত্র তোলা থাকলেও ছুটি উপভোগ করার মাঝে এই সময়টা কিন্তু বাচ্চাদের শেখা ও মানসিক বিকাশের জন্যও অত্যন্ত জরুরি। ছুটির মাস এমন ভাবে কাজে লাগাতে হবে, যাতে মজা-আনন্দের মাঝেই বাচ্চা শিখে নিতে পারে বেশ কিছু জিনিস। অন্য সময় স্কুলের চাপ, পরীক্ষার জন্য সময় পায় না বাচ্চারা। ছুটির সময়টা তাই ব্যবহার করতে হবে চুটিয়ে।

আরও পড়ুন : বলিরেখার জন্য বুড়িয়ে যাচ্ছে ত্বক? ক্রিম নয়, ভরসা রাখুন এই সহজ প্রাকৃতিক উপায়ে!

বাগান করা:

প্রকৃতির সঙ্গে অন্তরঙ্গ হয়ে ওঠার এটাই সেরা সময়। বাচ্চাকে বাগান করায় উৎসাহ দিতে হবে (Summer Activities)। একফালি জমিতে কিংবা টবে বসাতে হবে ফুল বা ফলের গাছ। খেলুক কাদামাটির সঙ্গে। হাসি মজায় কেটে যাবে গরমকালটা।

রান্না করা:

রান্নাও একপ্রকার শিল্প। তবে তার চেয়েও বেশি এটা একটা বেসিক লাইফ স্কিল (Summer Activities)। বেঁচে থাকতে গেলে খেতে হবে। তাই রান্নাও করতে হবে। ম্যাগি, পিৎজার মতো সহজ রেসিপিগুলো কীভাবে রান্না করতে হয়, তা যত্ন-সহকারে শিখিয়ে দিতে হবে বাচ্চাকে।

আঁকা:

বাচ্চার হাতে উঠুক এক বাক্স রং। নিজের মনের মতো করে ডিজাইন করুক কোনও টি-শার্ট বা বুক কভার। অথবা কোনও কিছু দিয়ে নিজেই বানিয়ে ফেলুক কোনও মিউজিক ইন্সট্রুমেন্ট বা কোনও গেম।

আরও পড়ুন : নীরজ চোপড়ার মতো লম্বা চুল এখন ফ্যাশনে ইন! কিন্তু যত্ন নেবেন কীভাবে?

মিনিয়েচার:

কাগজ বা কার্ডবোর্ড দিয়ে তৈরি করুক ছোট ছোট ফার্নিচার কিংবা যা মন চায়। এতে ওদের কল্পনাশক্তি যেমন বাড়বে, তেমনই উন্নত হবে সৃজনশীলতাও।

অ্যানিমাল ডায়েরি:

আশপাশে যে সব জন্তু জানয়ার দেখছে, তাদের ছবি দিয়ে একটা ডায়েরি বানানো যায়। তাতে লেখা থাকুক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টস। এতে প্রাণিজগতের সঙ্গে সখ্যও তৈরি হবে।

পিকনিক:

সপ্তাহে একদিন পরিবারের সবাই মিলে জমিয়ে পিকনিক করা যেতে পারে। এতে একঘেয়েমি থেকে মুক্তি মিলবে। সঙ্গে বাচ্চার মনে গড়ে উঠবে বেঁধে বেঁধে থাকার অভ্যাস।

পড়ার অভ্যাস:

কোনও ছবির বই হোক, কিংবা কমিকস বা কোনও ম্যাগাজিন। বা কোনও গল্পের বই। বাচ্চাকে নিয়ে একসঙ্গে পড়তে হবে। এতে পড়ার অভ্যাস ও পড়ার মাধ্যমে শেখার অভ্যাস তৈরি হবে। শব্দভান্ডারও বাড়বে।

অ্যাডভেঞ্চার ও শিক্ষা:

ভ্রমণ বিলাস নয়, বাচ্চাকে নিয়ে যেতে হবে পাহাড়ে ট্রেকিং বা রিভার ক্যাম্পিং, অথবা জঙ্গল সাফারিতে। পাথর কুড়ানো, প্রজাপতি ধরার মতো অ্যাডভেঞ্চারে মেতে উঠুক সে। কিংবা মিউজিয়াম বা ঐতিহাসিক জায়গাতেও নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। এতে ওর যেমন প্রকৃতির সঙ্গে পরিচয় ঘটবে, তেমনই যে কোনও পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা, সাহস, উদ্যমও তৈরি হবে।

Published by:Sanjukta Sarkar
First published:

Tags: Parenting, Summer Vacation

পরবর্তী খবর