পড়াশোনায় মন বসছে না? একাগ্রতা বাড়াবে মারিও কার্ট খেলার মিউজিক, শুনেই দেখুন না!

হোমওয়ার্ক হোক বা অ্যাসাইনমেন্ট, ঝড়ের গতিতে শেষ হয়ে যাচ্ছে এই গান শুনতে শুনতে।

হোমওয়ার্ক হোক বা অ্যাসাইনমেন্ট, ঝড়ের গতিতে শেষ হয়ে যাচ্ছে এই গান শুনতে শুনতে।

  • Share this:

#নিউইয়র্ক: উত্তর আমেরিকার কিছু ছাত্রছাত্রী এক অদ্ভুত দাবি করেছেন। মারিও কার্টকে মনে আছে আপনার? ‘এম’ লেখা লাল টুপি পরা মস্ত গোঁফওয়ালা ভিডিও গেমের মারিও? দাবিটা কী? না, তাঁরা বলছেন যে ওই মারিও কার্ট খেলার সঙ্গে যে গান বাজে সেটা শুনলে না কি পড়াশোনায় দারুণ মন বসছে। হোমওয়ার্ক হোক বা অ্যাসাইনমেন্ট, ঝড়ের গতিতে শেষ হয়ে যাচ্ছে এই গান শুনতে শুনতে।

তা কী ভাবে এই আজগুবি সত্যের উন্মোচন হল সেটাও শুনে রাখুন। ২২ বছরের ক্যানাডিয়ান ছাত্র ড্যানিয়েল ভয়েট হলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি না কি এই গানের হাতেনাতে ফল পেয়েছেন। গান শুনতে শুনতে কাজ করছেন ড্যানিয়েল, সেটার ভিডিও পোস্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখাপড়া নিয়ে এই পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

কথা হল, ড্যানিয়েলের না কি একটা পাঁচ পাতার রচনা লেখার কথা ছিল। বেমালুম সেটা ভুলে গিয়েছিলেন তিনি। মধ্যরাতে মনে পড়ায় মারিও কার্টের গান চালিয়ে এই রচনা লিখে শেষ করেন ড্যানিয়েল। দেখা যায় যে মাত্র এক ঘণ্টায় এত বড় লেখা অনায়াসে লিখে ফেলেছেন তিনি।

ড্যানিয়েলের এই ভিডিও পোস্ট করা মাত্রই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। চোখ কপালে উঠে যাবে এটা শুনলে যে এই ভিডিওর ৬.৩ মিলিয়ন ভিউ হয়েছে। অনেকেই বলেছেন যে তাঁরাও এই পদ্ধতি নিজেদের উপর প্রয়োগ করে দেখবেন। আবার অনেকে কমেন্ট করেছেন যে তাঁরা ইতিমধ্যেই এই উপায় প্রয়োগ করে দারুণ ফল পেয়েছেন। তাঁদেরও না কি কাজের গতি অনেক বেড়ে গিয়েছে।

একজন ট্যুইটার ব্যবহারকারী তো বলেই দিয়েছেন যে একাগ্রতা বাড়াতে মারিও কার্টের মতো ভাল ওষুধ না কি আর নেই। তাঁর মতে, স্কুলের যে কোনও কাজ দুরন্ত গতিতে করে ফেলা যায় এই গেমের গান শুনতে শুনতেই। মাত্র আধ ঘণ্টাতেই ৬০০ শব্দ লিখে ফেলে একদম সিরিয়াস হয়ে গিয়েছেন তিনি এই ব্যাপারে, দাবি ট্যুইটারেতির।

তবে মানুষের মস্তিষ্কের উপর যে সঙ্গীত বিশেষ প্রভাব ফেলে সেটা বিজ্ঞানীরা অনেক আগেই বলেছেন। যে কারণে অসুস্থ রোগীদের উপরেও আজকাল সঙ্গীত প্রয়োগ করে তাঁদের সুস্থ করে তোলা হয়। মনোবিদ ডাক্তার এমা গ্রে বলেছেন, দ্রুত লয়ের যে কোনও গান মস্তিষ্ককে সজাগ রাখে তাই কাজও দ্রুত হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: