• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • STROKE PATIENTS INFECTED WITH COVID 19 TAKE LONGER TIME TO RECOVER STUDY TC AC

স্ট্রোক হওয়া রোগীরা সাবধান ! করোনা হলে কিন্তু চরম বিপদ ! দেখুন কি বলছে গবেষণা

কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত থাকা অবস্থায় স্ট্রোকের মতো মারাত্মক এক আঘাত শরীরকে যারপরনাই দুর্বল করে দেয়

কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত থাকা অবস্থায় স্ট্রোকের মতো মারাত্মক এক আঘাত শরীরকে যারপরনাই দুর্বল করে দেয়

  • Share this:

#মুম্বই: এ দেশের কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের মাত্রাটা কিন্তু বিশ্বের নিরিখে অনেকটাই কম! ভারতে যেখানে ১৫০০ রোগীর মধ্যে মাত্র ২১ জনের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের সমস্যা দেখা গিয়েছে, সেখানে আমেরিকার মতো দেশে অনুপাতটা ৫ বা ৬ শতাংশ বেশি, সম্প্রতি এ কথা জানা গিয়েছে মুম্বইয়ের নানাবতী হাসপাতালের তরফে। জানিয়েছেন হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের প্রধান ডক্টর প্রদ্যুম্ন ওক।

সন্দেহ নেই, কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত থাকা অবস্থায় স্ট্রোকের মতো মারাত্মক এক আঘাত শরীরকে যারপরনাই দুর্বল করে দেয়। সেই জন্যই এই দুই সমস্যা যে ক্ষেত্রে রয়েছে, সেখানে সুস্থতার হার খুব কম। সুস্থ হলেও সময় লাগছে অনেক বেশি। অন্য দিকে এটা স্পষ্ট যে এই সব ক্ষেত্রে মৃত্যুহারও ঊর্ধ্বমুখী। এই সব তথ্যই ডক্টর ওক রোগীদের পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন।

তিনি জানিয়েছেন যে চলতি বছরের ১ মে থেকে ৩১ অগস্ট তিনি কোভিড ১৯-এর সমস্যা এবং স্ট্রোক দুই আছে, এমন ২১ জন রোগী দেখেছেন। পাশাপাশি দেখেছেন এমন ২১ জন রোগীকেও, যাঁদের সমস্যা শুধুই স্ট্রোক নিয়ে, তাঁরা কোভিড ১৯-এর সংক্রমণ থেকে মুক্ত। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনা ডক্টর ওককে এ হেন সিদ্ধান্তে নিয়ে এসেছে।

তবে কোভিড ১৯ আর স্ট্রোকের একসঙ্গে শরীরে আঘাত হানার ঘটনা এ দেশে কম হলেও একেবারে যে নেই, তা তো নয়! ফলে বিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে ভারতের চিকিৎসকদের। তাই বৃহৎ মুম্বই কর্পোরেশন পরিচালিত কিং এডওয়ার্ড হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের প্রধান সঙ্গীতা রাওয়াত বলছেন যে তাঁদের কাছে স্ট্রোকের রোগী এলেই তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে কোভিড ১৯ পরীক্ষা করিয়ে নিচ্ছেন। তাতে নিশ্চিত হয়ে চিকিৎসা করার কাজটা অনেকটা সহজ হয়ে যাচ্ছে।

একই সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোকপাত করেছেন ফর্টিস হাসপাতালের তরফে ডক্টর রাজেশ বেনি। তিনি জানিয়েছেন যে সাধারণত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার দুই সপ্তাহের মাথায় স্ট্রোকের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসা চালাকালীন অ্যান্টিকোগুল্যান্টস প্রয়োগ করা হচ্ছে। আর রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেলে তাঁকে রক্ত ঘন রাখার ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে স্ট্রোকের দ্বিতীয় আঘাতের বিষয়টি এড়িয়ে চলা যায়!

Published by:Ananya Chakraborty
First published: