লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ঘুম উড়েছে? রাতের পর রাত জাগছেন? সমীক্ষা বলছে এসব মারাত্মক রোগের উপসর্গ

ঘুম উড়েছে? রাতের পর রাত জাগছেন? সমীক্ষা বলছে এসব মারাত্মক রোগের উপসর্গ

নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে না, অর্ধেক রাত জেগেই কাটাচ্ছেন? তা হলে এখন থেকেই সাবধান হন। ঘুমের এই ঘাটতি কিন্তু মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে না, অর্ধেক রাত জেগেই কাটাচ্ছেন? তা হলে এখন থেকেই সাবধান হন। ঘুমের এই ঘাটতি কিন্তু মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এর জেরে অ্যাংজাইটি অর্থাৎ উদ্বিগ্ন থাকার প্রবণতা বা পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডারে (PSTD) ভুগতে পারেন আপনি। যা আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি শরীরের উপরেও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। সম্প্রতি এমনই তথ্য উঠে এসেছে এক সমীক্ষায়। বায়োলজিকাল সাইকয়াট্রি: কগনিটিভ নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড নিউরোইমেজিং নামের জার্নালে প্রকাশিত এই সমীক্ষা জানাচ্ছে, ঘুমের ঘাটতি আমাদের মস্তিষ্কের ফিয়ার এক্সটিংশন লার্নিংয়ের উপরে প্রভাব ফেলে। আর এর জেরে আমাদের অ্যাংজাইটি বেড়ে যায়। এই বিষয়টি গবেষণা করার জন্য একটি স্লিপ ল্যাবরেটরিতে ১৫০ জন প্রাপ্তবয়স্কের উপরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এ ক্ষেত্রে এই ১৫০ জনকে তিনটি গ্রুপে ভাগ করে দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারীদের একটি অংশ স্বাভাবিকভাবে ঘুমোন, একটি অংশ রাতের অর্ধেক সময় ঘুমোন আর অন্য অংশটিকে ঘুমোতে দেওয়া হয়নি। সকালবেলায় এঁদের ফিয়ার কন্ডিশনিংয়ের বিষয়টি পরীক্ষা করা হয়।

এ বিষয়ে সমীক্ষার লেখক তথা অ্যামেরিকার পিটসবার্গ ইউনিভার্সিটির গবেষক অ্যানি জার্মেন জানিয়েছেন, গবেষকরা একটি থ্রি-ফেজ এক্সপেরিমেন্টাল মডেলের সাহায্যে অংশগ্রহণকারীদের মস্তিষ্ক পরীক্ষা করেন। ফাংশনাল ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং ব্যবহার করে তাঁদের মস্তিষ্ক স্ক্যান করা হয়। এর পর তিনটি রং নিয়ে তাঁদের মাথার ফিয়ার এক্সটিংশনের পরীক্ষা করা হয়। এই টাস্কের সময় ব্রেন ইমেজিংয়ের বিষয়টিও পরীক্ষা করা হয়। আর সেখানেই যাঁরা স্বাভাবিক ভাবে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন আর যাঁরা ঘুমোননি তাঁদের ব্রেন অ্যাক্টিভিটির মধ্যে পার্থক্য লক্ষ্য করা গিয়েছে।

সমীক্ষা শেষে দেখা গিয়েছে, যাঁরা অর্ধেক ঘুমিয়েছিলেন আর যাঁদের ঘুম হয়নি তাঁদের মধ্যে ফিয়ার রিজিয়নে ব্রেন অ্যাক্টিভিটি সব চেয়ে বেশি পরিমাণে হয়েছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল, যাঁরা অর্ধেক ঘুমিয়েছিলেন তাঁদের মস্তিষ্কের আবেগ বা ইমোশন রিজিওনের থেকে ফিয়ার রিজিওনেই সব চেয়ে বেশি অ্যাক্টিভিটি হয়েছে।

তাই গবেষকদের মূল্যায়ণ, রাতে অর্ধেক ঘুমোনো বা পর্যাপ্ত সময় পর্যন্ত না ঘুমোনো সব চেয়ে বেশি ক্ষতিকারক। সারারাত না ঘুমোনোর থেকেও বেশি ক্ষতিকারক এটি। কারণ যাঁরা একেবারে ঘুমোচ্ছেন না, তাঁরা দিনের অন্য কোনও সময় যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমিয়ে পড়েন তা হলে কম সমস্যা হবে। কিন্তু যাঁরা দিনের পর দিন অর্ধেক ঘুমিয়ে এ ভাবে ঘুমের ঘাটতি বাড়িয়ে চলেছেন, তাঁরা নানা মানসিক রোগের শিকার হতে পারেন। বাড়তে পারে অবসাদ, উদ্বেগ আর পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডারের ঝুঁকি।

Published by: Akash Misra
First published: November 12, 2020, 2:34 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर