ভালোবাসার নামে পার্টনার আপনাকে ঠকাচ্ছে না তো? বলে দেবে এই কয়েকটি লক্ষণ

Representational Image

Signs your lover is after lust, not love: রাতারাতি হয়তো একজন মানুষের আরেকজনকে ভালো লাগতে পারে কিন্তু ভালোবাসা সম্ভব নয়।

  • Share this:

সম্পর্কে হয়তো আমরা অনেকসময় বুঝে উঠতে পারিনা পার্টনাররা আমাদের সঙ্গে সত্যিই ভাল আছেন কিনা। বাইরে থেকে অনেক সম্পর্ককে মজবুত মনে হলেও ভেতরে ভেতরে এমন অনেক লক্ষণই থাকে যা সুস্থ-সুন্দর সম্পর্কের পরিপন্থী। আমাদের কাছের মানুষটির ব্যবহার বা কথাবার্তায় যদি এই লক্ষণগুলি থাকে তবে সে সম্পর্ক নিয়ে আরও একবার ভাবার প্রয়োজন আছে। আসুন এই বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জেনে নিই।

দ্রুত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া

একথা আমরা কেউই অস্বীকার করতে পারবো না যে, ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন আছে। দু’জন মানুষের একে অপরকে জানা, তাদের মধ্যে বিশ্বাস তৈরি হওয়া ধীরে ধীরে সম্পর্কের ভিত তৈরি করে। তাই রাতারাতি হয়তো একজন মানুষের আরেকজনকে ভালো লাগতে পারে কিন্তু ভালোবাসা সম্ভব নয়।

প্রয়োজনে পাশে না থাকা

যে কোনও সম্পর্কে কথা বলা, নিয়মিত যোগাযোগ রাখাটা খুবই দরকার। সবসময়েই যে সেটা প্রয়োজনে হতে হবে এমন কথা নেই। কিন্তু সম্পর্ক তৈরির পড়েও যদি পার্টনার নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে না চান তবে বুঝতে হবে তার কাছে ভালোবাসার কোনও দাম নেই বা সে শুধুমাত্র নিজের চাহিদার পূরণের জন্যই সম্পর্ক রেখেছেন।

সম্পর্কে উদ্যোগ নিতে অনীহা

সম্পর্কটা দু’জনের তাই সম্পর্কে সুস্থ রাখতে, সুন্দর করে তুলতেও দুজনেরই সমান উদ্যোগি হওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে কাছের মানুষটি যদি নিয়মিত আমাদের খোঁজ না নেন, সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা না করেন, দরকারে আমাদের পাশে না দাঁড়ান তাহলে সেরকম মানুষকে পার্টনার বলা যায় কি না সন্দেহ আছে। বুঝে নিতে হবে প্রয়োজনের বাইরে সে আপনার উপস্থিতি রাখতে নারাজ।

সম্পর্কের সুযোগ নিতে চাওয়া

এসব ক্ষেত্রে দেখা যায় একজন আরেকজনকে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করছেন বা সম্পর্কে কর্তৃত্ব ফলাতে চাইছেন। ফলে পার্টনারের খুশির জন্য অপরজনকে বাধ্য হয়েই সবকিছু মেনে নিতে হচ্ছে। কিন্তু উল্টোদিকের মানুষটি নিজের সুখ-স্বাচ্ছ্যন্দের সঙ্গে এতটুকু আপোষ করতে নারাজ।

সম্পর্কে সমস্যা মেটাতে অনীহা

সম্পর্কে উদ্যোগ নিতে অনীহার অর্থ পার্টনার কোনও ভাবেই তার উল্টোদিকের মানুষটিকে নিয়ে ভাবছেন না। রোজকার ছোটখাটো ঝামেলা বা অশান্তি থেকেও এরা নিজেদের বাঁচিয়ে রাখতে চান। উল্টোদিকের মানুষটি যতক্ষণ না পর্যন্ত নিজে উদ্যোগী না হয়ে সমস্যা না মেটাচ্ছেন ততক্ষণ এরা ক্রমাগত অসহযোগিতা করে যাবেন। শেষ পর্যন্ত এদের সব চাহিদা পূরণ হলে তবেই এরা স্বাভাবিক ব্যবহারে ফিরে আসেন।

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: