যৌনতায় নিতম্ব উপভোগ কি বিকৃতকামিতা ? কী বলছেন বিশেষজ্ঞ

যৌনতায় নিতম্ব উপভোগ কি বিকৃতকামিতা ? কী বলছেন বিশেষজ্ঞ

যৌনতা যতক্ষণ পর্যন্ত অপর পক্ষের অস্বস্তির কারণ হয়ে না উঠছে, অপর পক্ষের সায় আছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে বিকৃত বলা যায় না

যৌনতা যতক্ষণ পর্যন্ত অপর পক্ষের অস্বস্তির কারণ হয়ে না উঠছে, অপর পক্ষের সায় আছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে বিকৃত বলা যায় না

  • Share this:

নানা পর্বে বার বার আমাদের জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞা পল্লবী বার্নওয়াল যে যৌনতা যতক্ষণ পর্যন্ত অপর পক্ষের অস্বস্তির কারণ হয়ে না উঠছে, অপর পক্ষের সায় আছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে বিকৃত বলা যায় না। তাই এক পাঠক যখন যৌনতায় নিতম্ব উপভোগের বিষয়টি বিকৃতকামিতা কি না জানতে চাইলেন, সবার আগে এই বিষয়টি ফের স্পষ্ট করে দিলেন পল্লবী। পাশাপাশি জানালেন যে এমনকি Paedophilia বা শিশুদের সঙ্গে যৌনাচার, Zoophilia বা পশুদের সঙ্গে যৌনাচার, Necrophilia বা মৃতদেহের সঙ্গে যৌনাচার- এগুলোকেও বিকৃতকামিতা বলা যায় না- এদের সরাসরি ক্রিমিনাল অ্যাক্টের আওতায় গণ্য করতে হয়।

কিন্তু নিতম্ব উপভোগের বিষয়টি ক্রিমিনাল অ্যাক্টের খাতে পড়ে না। বহু প্রাচীন কাল থেকে যৌন সঙ্গমকে কেবল সন্তান উৎপাদনের মাধ্যম হিসেবেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাই যৌনতায় যে বিষয়গুলি আনন্দদায়ক হতে পারে, যেগুলো Penetration বা অন্যের শরীরে, বলা ভালো, নারীর শরীরে প্রবেশ করার বিষয়-বহির্ভূত, তাকে সমাজ, আইন এবং নানা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নানা সময়ে বিকৃতকামিতার আখ্যা দিয়েছে। ফলে এই যে ব্যক্তি Rimming বা পায়ুদেশ লেহন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তা স্বাভাবিকের খাতেই রাখছেন পল্লবী। ঠিক যে রকম ভাবে দুই পুরুষের পারস্পরিক যৌন সম্পর্ক এবং পায়ুসঙ্গম অপরাধ নয়, সে ভাবেই পায়ুদেশ লেহনকেও পল্লবী বিকৃতকামিতা বলতে চান না।

কিন্তু এই জায়গায় এসে একটি অমোঘ প্রশ্ন উঠে আসে- যে ব্যক্তি পল্লবীকে চিঠি দিয়েছেন, তিনি না হয় সঙ্গিনীর পায়ুদেশ লেহন করে আনন্দ পান, কিন্তু সঙ্গিনীও কি বিষয়টিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন? এই ব্যাপারটা ভালো করে ভেবে দেখতে বলছেন পল্লবী। কেন না, যৌনতা দুই পক্ষের ব্যাপার, তা কেবল একপক্ষের তৃপ্তি পাওয়ার মাধ্যম নয়। তাই পল্লবী বিষয়টি নিয়ে এই ব্যক্তিকে সঙ্গিনীর সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করতে বলেছেন। যাঁরা পায়ুদেশ লেহনে আনন্দ পান, তাঁদের জন্যও তাঁর পরামর্শ একই- এক্ষেত্রে সঙ্গী/সঙ্গিনীর মতামত সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; তিনি নারাজ থাকলে এগোনো ঠিক হবে না!

তা বলে নিজের যৌন আনন্দ পাওয়ার মাধ্যমটিকে অবদমিত করতে বলছেন না পল্লবী। জানাচ্ছেন, যদি সঙ্গী/সঙ্গিনীর পায়ুদেশ লেহনের বিষয়টিতে আপত্তি থাকে, ঘৃণাবোধ হয়, তাহলে ডেটিং সাইটের মাধ্যমে পছন্দসই সঙ্গী/সঙ্গিনী খুঁজে নেওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বিশেষ কিছু সাইট পায়ুদেশ লেহনের মতো বিষয়টি নিয়েই তৈরি, সেই সব ফোরামের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি!

Pallavi Barnwal

Published by:Ananya Chakraborty
First published:

লেটেস্ট খবর