সঙ্গমে অপর পক্ষের দাবি হয়ে উঠছে অসহনীয়? কী করা যায়, বলছেন বিশেষজ্ঞ

তবে এই গবেষণা এ রকম কোনও দাবি করছে না যে, শুধুমাত্র স্বাভাবিক যৌনজীবনই একজন মানুষকে সুস্থ রাখতে পারে এবং হার্ট অ্যাটাকের পর যৌনজীবন শুরু করা বাধ্যতামূলক। এ ক্ষেত্রে পুরো বিষয়টি নির্ভর করে ব্যক্তির ইচ্ছের উপর। Representational Image

একজনের বিশেষ কিছু দাবি যদি অন্যজনের পক্ষে অসহনীয় হয়ে ওঠে, তবে যৌনতার অভিজ্ঞতা কখনই মধুর হয় না!

  • Share this:

শারীরিক মিলন কখন সুখের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যায়?

এর সব চেয়ে সহজ এবং বাস্তবসম্মত উত্তর একটাই হয়- যখন সেখানে শারীরিক তৃপ্তিলাভের পন্থায় দুই পক্ষেরই সম্মতি থাকে! কিন্তু একজনের বিশেষ কিছু দাবি যদি অন্যজনের পক্ষে অসহনীয় হয়ে ওঠে, তবে যৌনতার অভিজ্ঞতা কখনই মধুর হয় না!

এই পর্বে বিশেষজ্ঞা পল্লবী বার্নওয়ালকে এই সম্মতি-সংক্রান্ত সমস্যার জায়গা থেকেই চিঠি দিয়েছেন এক পাঠক। তিনি লিখেছেন যে যৌন মিলনের ক্ষেত্রে সব সময়েই তাঁর সঙ্গিনী তাঁকে মুখমেহন বা Oral Sex-এর প্রস্তাব দেন। এই পর্যন্ত ব্যাপারটায় কোনও অসুবিধা নেই বলেই জানিয়েছেন ওই যুবক। তিনিও সঙ্গিনীর যোনিদেশ নিজের জিভ দিয়ে স্পর্শ করে আনন্দ পান বলে দাবি করেছেন!

সমস্যা তৈরি হয় এর ঠিক পরের ধাপে! যুবকটির বক্তব্য- এক্ষেত্রে সঙ্গিনী তাঁকে নিজের যেনিপথ থেকে নিঃসৃত রতিরসপানে বাধ্য করান! এই ব্যাপারটির সঙ্গে তিনি নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারেন না। তাই প্রতিকারের উপায় জানতে চেয়ে চিঠি দিয়েছেন বিশেষজ্ঞাকে।

সবার প্রথমে পল্লবী এখানে একটা ব্যাপার স্পষ্ট করে দিয়েছেন। সঙ্গী বা সঙ্গিনীর যৌনাঙ্গ থেকে নিঃসৃত তরল পান, যাকে পুরুষদের ক্ষেত্রে ইংরেজিতে Cunnilingus এবং নারীদের ক্ষেত্রে Fellatio বলা হয়ে থাকে, তা ততক্ষণ পর্যন্তই সঠিক, যতক্ষণ অন্যপক্ষ বিব্রত বোধ না করছেন! অন্য যে কোনও শারীরিক সুখলাভের পন্থা সম্পর্কেও একই বক্তব্য তাঁর! তাহলে করণীয় কী?

বিশেষজ্ঞা বলতে বাধ্য হচ্ছেন যে এক্ষেত্রে সবার আগে নিজেকে অন্যের হুকুম তামিল করা থেকে বিরত রাখাই হচ্ছে সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার প্রথম পদক্ষেপ। কেন না, যদি কোনও কিছু শারীরিক মিলনের সময়ে অস্বস্তিকর বলে মনে হয় এবং তাও কোনও ব্যক্তি যদি সেটা করতে বাধ্য হন, সেক্ষেত্রে তাকে স্বতস্ফূর্ত যৌন মিলনের খাতে ফেলা যায় না- বরং যৌন নিপীড়ন বলাটাই ঠিক হবে!

কিন্তু এটাও ঠিক যে এই মতবিরোধ সম্পর্কে সমস্যা তৈরি করবেই! সেটার জন্য মানসিক ভাবে তৈরি থাকতে হবে, মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে। এর পর খোলাখুলি একটা আলোচনায় বসতে হবে। জানাতে হবে নিজের অস্বস্তির কথা। এর পর পারস্পরিক একটা সুষ্ঠু আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করে নিতে হবে যে শারীরিক মিলনের সময়ে কী করা হবে আর কী বাদ দেওয়া হবে!

সব শেষে পল্লবীর বক্তব্য- একই ভাবে নিজের কোনও ইচ্ছাও অন্যের উপরে চাপিয়ে দেওয়া চলবে না!

 Pallavi Barnwal 

Published by:Ananya Chakraborty
First published: