Medical Tests Before Marriage: বিয়ের আগে এই সাতটি মেডিক্যাল টেস্ট করিয়ে নিন, ভবিষ্যত হবে সুরক্ষিত

সাত পাকে বাঁধা পড়ার আগে এই সাতটি পরীক্ষা (Medical Tests) অবশ্যই করিয়ে নেওয়া উচিত।

সাত পাকে বাঁধা পড়ার আগে এই সাতটি পরীক্ষা (Medical Tests) অবশ্যই করিয়ে নেওয়া উচিত।

  • Share this:

#কলকাতা: বিয়ের কথা পাকা করার অন্যতম জরুরি পদক্ষেপ হল পাত্র, পাত্রীর কোষ্ঠী মেলানো। ভারতীয়রা বিশ্বাস করেন যে একমাত্র কোষ্ঠীই বলে দিতে পারে যে বিয়ে সুখের হবে কি না। যদিও বাস্তব চিত্র একেবারেই আলাদা। কোষ্ঠীতে রাজযোটক মিল থাকার পরেও ভেঙে গিয়েছে বহু বিয়ে। আজকের এই আধুনিক যুগে কোষ্ঠীর চেয়ে জরুরি হল পাত্র, পাত্রীর স্বাস্থ্য। সেইজন্যই হবু বর ও বউয়ের কিছু পরীক্ষা আগে থেকে করে নেওয়া উচিত। এতে শুধু তাঁদের বিবাহিত জীবন সুখের হবে তাই নয়, সুরক্ষিত হবে আগামী দিনে সন্তানের ভবিষ্যৎও। সাত পাকে বাঁধা পড়ার আগে এই সাতটি পরীক্ষা অবশ্যই করতে হবে।

এইচআইভি পরীক্ষা

হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (এইচআইভি) এইডস সৃষ্টি করে এবং শরীরের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা দুর্বল করে। বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিশ্চিত করতে হবে যে সঙ্গীর কেউই এইচআইভি পজিটিভ নন।

ডিম্বাশয় পরীক্ষা

যে মহিলারা তাঁদের জীবনে দেরিতে বিয়ে করেন তাঁদের আগে ডিম্বাশয় পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ত্রিশের কোঠায় যে সব মহিলাদের বয়স, তাঁদের ডিম্বাণু কোষের উৎপাদন হ্রাস পায় যা পরিবার পরিকল্পনাকে একটি কঠিন প্রক্রিয়া করে তুলতে পারে। যাই হোক, যদি উভয় অংশীদার কখনও জৈবিক সন্তান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবে পরীক্ষাটি অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে।

বন্ধ্যাত্ব পরীক্ষা

পাত্র, পাত্রী উভয়েরই বিয়ের আগে বন্ধ্যাত্ব পরীক্ষা করা উচিত। কারণ বন্ধ্যাত্ব শুধু নারীদের নয়, পুরুষদেরও হতে পারে। পুরুষদের মধ্যে এটি শুক্রাণুর স্বাস্থ্য এবং শুক্রাণুর সংখ্যা পরীক্ষা করতে সহায়তা করে। নারীরা গর্ভধারণে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হবে কি না সেটাও এই পরীক্ষায় স্পষ্ট হবে।

আরও পড়ুন- আর্থিক সংকট পিছু ছাড়ছে না? 'এই' জিনিস ঘরে রেখে দেখুন, কখনও টাকার অভাব হবে না!

জেনেটিক টেস্ট

বিয়ের আগে দু'জনকেই জেনেটিক পরীক্ষা করতে হবে। যাতে বোঝা যায় কোনও বংশানুক্রমিক রোগ তাঁদের মধ্যে আছে কি না।

এসটিডি পরীক্ষা

বিবাহিত ব্যক্তিদেরও এসটিডি বা যৌন সংক্রামিত রোগের জন্যও পরীক্ষা করা উচিত। যদি দু'জনের মধ্যে একজনেরও এই রোগ থাকে তাহলে অপরজনও সংক্রমিত হতে পারেন।

রক্তের গ্রুপের তুলনামূলক পরীক্ষা

দম্পতিদের গর্ভাবস্থায় অসুবিধা হতে পারে যদি তাঁদের রক্তের গ্রুপে সমতা না থাকে। এটি নিশ্চিত করা উচিত যে উভয়েরই আরএইচ উপাদান একই আছে বা একই সমতায় আছে।

রক্তের ব্যাধি পরীক্ষা

পাত্র ও পাত্রীর রক্তের পরীক্ষা করা উচিত দেখার জন্য যে রক্তে হিমোফিলিয়া বা থ্যালাসেমিয়ার জীবাণু আছে কি না। এটা না হলে ভবিষ্যতে তাঁদের সন্তানও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

Published by:Suman Majumder
First published: