ওজন কমানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী সেল্ফ মনিটরিং ডিজিটাল টুল, দাবি সমীক্ষার!

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী সেল্ফ মনিটরিং ডিজিটাল টুল, দাবি সমীক্ষার!

Image for representation

নতুন তথ্য উঠে এল Obesity Journal-এ প্রকাশিত এক সমীক্ষায়।

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: অতিরিক্ত ওজন নিয়ে আজকাল অনেকেই সমস্যায় পড়েন। কেউ ডায়েট বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেন। কেউ নিয়মিত নানা শরীরচর্চা করেন। কেউ আবার একাধিক স্মার্ট ব্যান্ড, ট্র্যাকার ও ডিজিটাল টুলগুলি ব্যবহার করেন। যাতে সব সময়ে নিজের ওজন সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। সব চেয়ে বড় বিষয় হল, নিজে থেকে নানা টুলের সাহায্য নিয়ে ওজন বাড়া-কমার বিষয়টির উপরে নজর রাখা যায়। আর সেই সূত্র ধরেই সম্প্রতি এক নতুন তথ্য উঠে এল Obesity Journal-এ প্রকাশিত এক সমীক্ষায়। গবেষকদের দাবি, ওজন কমানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় সেল্ফ মনিটরিং ডিজিটাল টুলগুলি। তাঁদের কথায়, ৭৪ শতাংশ ক্ষেত্রে ওজন কমানোর সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই ডিজিটাল সেল্ফ মনিটরিংয়ের বিষয়টি।

এই বিষয়ে আমেরিকার স্ট্যান্ডফোর্ড ইউনিভার্সিটির (Stanford University)-এর গবেষক Michele L. Patel জানিয়েছেন, বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ওজনের মনিটরিং তথা ওজনের গতিবিধির উপরে নজর রাখার বিষয়টি অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা নেয়। এর পিছনে যথেষ্ট কারণও রয়েছে। এক্ষেত্রে ডিজিটাল টুলগুলিকে সহজেই এদিক-ওদিক নিয়ে যাওয়া যায়। এর জেরে যে কোনও সময় প্রয়োজন মতো নিজের ওজনের উপরে নজর রাখা যেতে পারে। এর জন্য কোনও বাড়তি ঝামেলাও পোহাতে হয় না।

সমীক্ষাটি সম্পূর্ণ করতে এমন কয়েকজন প্রাপ্ত বয়স্কের কেস স্টাডি নিয়ে গবেষণা শুরু করা হয়, যাঁরা অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলত্বের শিকার। এক্ষেত্রে নিজে থেকে ওজনের গতিবিধির উপরে নজর রাখার জন্য তাঁরা ঠিক কোন ধরনের ডিজিটাল টুল বা প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হয়। ওজন কমানোর জন্য এই সেল্ফ মনিটরিংয়ের ক্ষেত্রে ঠিক কতটা সময় লেগেছে, সে দিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে ছয়টি কেস স্টাডিজে ১২ সপ্তাহ বা তার বেশি সময় লক্ষ্য করা গিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে আবার ছয় মাস বা তার বেশি সময়ও নজরে এসেছে।

ডিজিটাল সেল্ফ মনিটরিংয়ের বিষয়টি ভালো করে বোঝার জন্য ৬৭টি কেস স্টাডিকে বিশদে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এর মধ্যে ৭২ শতাংশের ক্ষেত্রে ওজনের গতিবিধি নির্ণয় করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এর পাশাপাশি ৮১ ও ৮২ শতাংশের ক্ষেত্রে ডায়েটারি ইনটেক (Dietary Intake) অর্থাৎ নিয়ম মেনে খাওয়া-দাওয়া ও ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি অর্থাৎ শরীরচর্চার বিষয়টি লক্ষ্য করা যায়।

সামগ্রিক ভাবে দেখতে গেলে পুরো সমীক্ষায় ৭৪ শতাংশ ক্ষেত্রেই ওজন কমানোর সঙ্গে ডিজিটাল সেল্ফ মনিটরিংয়ের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। তাঁদের কথায়, তিন ধরনের পরিস্থিতি তা সে ডায়েটারি ইনটেক, ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি হোক কিংবা বডি ওয়েট, প্রতিটি ক্ষেত্রে সেল্ফ মনিটরিংয়ের বিষয়টি কিন্তু উপস্থিত। তবে ব্যক্তি বিশেষে ওজন কমানোর গতিবিধি ভিন্ন বলেই দাবি করছে সমীক্ষা!

Published by:Debalina Datta
First published: