Home /News /life-style /
Life Style: রোজ যা খাচ্ছেন, সেটাই মেজাজ খিটখিটে করে তুলছে না তো? বুঝতে হবে খাবারের প্রভাব

Life Style: রোজ যা খাচ্ছেন, সেটাই মেজাজ খিটখিটে করে তুলছে না তো? বুঝতে হবে খাবারের প্রভাব

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

Life Style: একাধিক গবেষণাতেও দেখা গিয়েছে, খাবার শুধু শারীরিক সুস্থতা নয় মানসিক স্বাস্থ্যেও প্রভাব ফেলে।

  • Share this:

#কলকাতা: ভাল সিনেমা দেখলে বা বই পড়লে মন ভাল হয়ে যায়। প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে আচমকা দেখা হয়ে যাওয়া কিংবা সুগন্ধিও মন ভাল করে দিতে পারে নিমেষে। কিন্তু খাবার? খাদ্যরসিকরা এ ব্যাপারে একমত হবেন সন্দেহ নেই, তবে পেটপাতলা লোকেদের মন ভাল করে দিতে পারে সুখাদ্য। একাধিক গবেষণাতেও দেখা গিয়েছে, খাবার শুধু শারীরিক সুস্থতা নয় মানসিক স্বাস্থ্যেও প্রভাব ফেলে।

মানসিক স্বাস্থ্য বলতে কী বোঝায়: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মানসিক স্বাস্থ্য হল সুস্থতার একটা অবস্থা যেখানে ব্যক্তি তার ক্ষমতাগুলোকে বুঝতে পারে। এবং সেই অনুযায়ী জীবনে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হয়।

খাবারই ওষুধ হয়ে উঠুক: আধুনিক চিকিৎসার জনক একবার বলেছিলেন, ‘খাবারকে ওষুধ করে তুলুন আর ওষুধকে খাবার’। খাবার কীভাবে মেজাজকে প্রভাবিত করে তা নিয়ে মধ্যযুগে মানুষ খুব উৎসাহী ছিল। ডিকিন ইউনিভার্সিটির ফুড অ্যান্ড মুড সেন্টারের পরিচালক ডাঃ জ্যাকা বলছেন, ‘স্যালাড খেলে হয় তো মেজাজ ভাল হবে না। কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্য ভাল রাখতে পারে এমন বহু খাবার এই দুনিয়ায় আছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই হল স্বাস্থ্যকর সবুজ শাকসবজি’।

আরও পড়ুন- 'সিদ্ধান্ত জানান', উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে শিশির-দিব্যেন্দুকে চিঠি তৃণমূলের

আবেগ কি পছন্দসই খাবার নিয়ন্ত্রণ করে: অবশ্যই হ্যাঁ। খাবার মেজাজকে যতটা প্রভাবিত করতে পারে, মেজাজও খাদ্য পছন্দকে প্রভাবিত করতে পারে। ২০১৮ সালে অষ্ট্রেলিয়ায় একটি গবেষণা হয়। এটা ‘স্মাইলস’ ট্রায়াল নামেই বেশি পরিচিত। বিষন্নতায় ভুগছে এমন দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সমীক্ষা চালানো হয়। এক দলকে স্বাস্থ্যকর খাবারদাবারের তালিকা করে দেওয়া হয়। অন্য দল তাদের মতো খাবার খেতে থাকে। ৩ মাস পর দেখা যায় যারা স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলেছে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য অন্য গোষ্ঠীর তুলনায় ভাল।

সবার সঙ্গে খাওয়া কি মেজাজে প্রভাব ফেলে: সবার সঙ্গে বসে খাওয়ার কিছু সুবিধে আছে। এটা মানসিক স্বাস্থ্যে ভাল প্রভাব ফেলে। জীবনে ছন্দ যোগ করে। অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার বোধ তৈরি হয়। চেয়ারে বসে খেলে হজম ভালো হয়। গল্প করতে করতে খাওয়ার ফলে খাবার প্রক্রিয়াটাও ধীর হয়।

আরও পড়ুন- গত ৩০ বছরে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা! হড়পা বানে পাকিস্তানে মৃত ৫৫০ মানুষ

সবার সঙ্গে একদিন: সপ্তাহে অন্তত একটা দিন পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে খাওয়াদাওয়া করা উচিত। রান্না হবে সহজ সরল। দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হবে, কেনাকাটা করা, টেবিল সেট করা, রান্না করা বা ধোয়া। এই সময়টা টিভি বন্ধ থাক।

যা খাওয়া হয় অনুভবেও তাই আসে: খাদ্য এবং মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে সম্পর্কটা জটিল। যা খাওয়া হয় সে রকমই অনুভূতি জড়িয়ে ধরে। এই দুটি জিনিসের মধ্যে একটা যোগসূত্র রয়েছে। এটা অনুভব করতে একেক সপ্তাহে একেক রকম খাবার খেয়ে দেখা যেতে পারে।

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Health Tips

পরবর্তী খবর