লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ভয়ের দিন শেষ ! ক্ষমতা হারিয়ে সর্দি কাশির জীবাণুতে পরিণত হবে করোনা ভাইরাস

ভয়ের দিন শেষ ! ক্ষমতা হারিয়ে সর্দি কাশির জীবাণুতে পরিণত হবে করোনা ভাইরাস
photo source collected

আপাতত বিশ্বের যা পরিস্থিতি, তাতে কথাটা শুনতে অদ্ভুত লাগবে ঠিকই! হয় তো বা বিশ্বাস করতেও ইচ্ছা করবে না! কিন্তু সম্প্রতি মার্কিন মুলুকের বিজ্ঞানীরা এমনই এক দাবিতে সরব হয়েছেন।

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: আপাতত বিশ্বের যা পরিস্থিতি, তাতে কথাটা শুনতে অদ্ভুত লাগবে ঠিকই! হয় তো বা বিশ্বাস করতেও ইচ্ছা করবে না! কিন্তু সম্প্রতি মার্কিন মুলুকের বিজ্ঞানীরা এমনই এক দাবিতে সরব হয়েছেন। তাঁরা তাঁদের বক্তব্যের সপক্ষে একটি প্রতিবেদনও লিখে ফেলেছেন, যা প্রকাশিত হয়েছে বিখ্যাত সায়েন্স নামের জার্নালে। সেই প্রতিবেদনের মূল কথা একটাই- পরবর্তীকালে করোনাভাইরাস (Coronavirus) দুর্বল হয়ে পড়বে। তা আর ভয়াবহতা সৃষ্টি করবে না পৃথিবীতে।

খবর বলছে যে সম্প্রতি ইউনাইটেড স্টেটস-এর এমোরি ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক তথা বিজ্ঞানী ডক্টর জেনি লেভাইন এ হেন চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেছেন বিশ্বের সামনে। তিনি জানিয়েছেন যে চারটি সাধারণ সর্দি-কাশির করোনাভাইরাস এবং SARS-CoV-2 যা কি না আদতে কোভিড ১৯-এর জন্য দায়ী, তার তুলনামূলক বিশ্লেষণে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া গিয়েছে।

জেনি বলছেন যে এই চার সাধারণ সর্দি-কাশির করোনাভাইরাস যেমন করে আজকের দিনে দুর্বল হয়ে পড়েছে, কোভিড ১৯-এর ক্ষেত্রেও ঠিক সেই ব্যাপারটাই দেখা যাবে। যে ভাবে শিশুরা সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয়, তেমন করেই ভবিষ্যতে তারা কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হবে। তবে তার প্রকোপ হবে খুবই মৃদু। সাধারণ ওষুধেই তা সেরেও যাবে। জেনির বক্তব্য, মোটামুটি ভাবে ৩ থেকে ৫ বছর বয়সের মধ্যে ভবিষ্যতের শিশুরা এই অতি মৃদু কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হবে।

অধ্যাপকের দাবি- কোভিড ১৯-এর ভ্যাকসিন যত দ্রুত হারে পৃথিবীতে প্রয়োগের কাজ চলতে থাকবে এবং যত বেশি সংখ্যক হারে তা সংক্রমিত হওয়া ঠেকাবে, ততই দুর্বল হয়ে পড়তে থাকবে SARS-CoV-2। সেই দিক থেকে দেখলে ঠিক কত বছরের মধ্যে এই মারণ ভাইরাস দুর্বল হয়ে পড়বে, তা তাঁর পক্ষে এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব হয়নি। তবে কী ভাবে ব্যাপারটা ঘটবে, তার মূল সূত্রটি বিশ্লেষণ করতে তিনি পিছ-পা হননি।

জানা গিয়েছে যে এই ভাইরাসের দুর্বল হয়ে পড়ার সূত্রটি লুকিয়ে আছে আদতে আমাদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার উপরে। ভ্যাকসিনের প্রয়োগ এক দিকে আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবে। ফলে, আমাদের ডিএনএ ধীরে ধীরে এই রোগের সঙ্গে মোকাবিলায় পটু হয়ে উঠবে। অন্য দিকে, ছোটবেলাতেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ হলে তা শরীরে তৈরি করবে অ্যান্টিবডি। পরিণামে বড় হলে শরীরে এই ভাইরাস আর তেমন আক্রমণ ঘটাতে পারবে না।

জেনি বলছেন, কালক্রমে SARS-CoV-2 সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাসের চেয়েও দুর্বল হয়ে পড়বে ০.১ শতাংশের নিরিখে।

Published by: Piya Banerjee
First published: January 14, 2021, 5:12 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर