লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

মঙ্গলের নোনতা জল থেকে তৈরি করা হবে জ্বালানি ও অক্সিজেন ! আবিষ্কারে চমক !

মঙ্গলের নোনতা জল থেকে তৈরি করা হবে জ্বালানি ও অক্সিজেন ! আবিষ্কারে চমক !

এখন যদি মঙ্গলে মানুষ থাকতে চায়, তা হলে তো বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম লাগবে।

  • Share this:

মঙ্গলে (Mars) মানুষের বসবাস সম্ভব কি না বা মানুষের অস্তিত্ব আগে ছিল কি না, তা নিয়ে বিস্তর গবেষণা চলে প্রতিনিয়ত। যার মধ্যে মঙ্গলে জল আছে কি না তা নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। কিন্তু চার বছর আগে জানা যায়, মঙ্গলে জল আছে। জলের উপস্থিতির নমুনা পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু মঙ্গলে জল বরফ অবস্থায় রয়েছে। এবং জলে অত্যন্ত নুন। যা পান করা বা ব্যবহার করা সম্ভব নয়।

এখন যদি মঙ্গলে মানুষ থাকতে চায়, তা হলে তো বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম লাগবে। অক্সিজেন, জ্বালানি বা জল ছাড়া মানুষের মঙ্গলে বাঁচা সম্ভব নয়। সব কিছু পৃথিবী থেকে সেখানে নিয়ে যাওয়াও সম্ভব নয়। তাই মঙ্গলে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছেই। তার মাঝেই এ বার মঙ্গলে থাকা জল দিয়েই অক্সিজেন ও জ্বালানি বানিয়ে ফেলার পদ্ধতি আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা।

তাঁরা একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইজ সিস্টেম তৈরি করেছেন, যাতে নোনতা ওই জলের বিভিন্ন উপাদান বা অণু আলাদা করা যায়। যেমন- অক্সিজেন (Oxygen), হাইড্রোজেন (Hydrogen)। তার পর তা ব্যবহার করে পরিস্রুত জল বের করা বা জ্বালানি তৈরি করা যায়। এবং এ ক্ষেত্রে তাঁরা নিশ্চিত, তাঁদের এই পরীক্ষিত ফল অবশ্যই কাজ করবের মঙ্গলের -৩৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রাতেও। এর আগে NASA-ও মঙ্গলে অক্সিজেনের উপস্থিতি তৈরি করা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। যদিও এই নতুন যন্ত্র Brine Electrolyser প্রস্তুতকারকদের দাবি, NASA-র ওই ডিভাইজের থেকে এই ডিভাইজটি ২৫ শতাংশ বেশি অক্সিজেন তৈরি করতে পারবে।

এই গবেষণাটির প্রধান বিজয় রমানি এ বিষয়ে বলেন, Brine Electrolyser পাথুরে জলের উপাদানকে অনেক তাড়াতাড়ি বিভাজন করতে পারবে। তাঁর মতে, এটি শুধু মহাকাশ বা মঙ্গলের জন্য প্রযোজ্য এমন নয়। পৃথিবীতেও যে সকল এলাকায় সমুদ্রের জল রয়েছে, সেখানেও সেই জল দিয়ে জ্বালানি ও অক্সিজেন তৈরি করা যেতে পারে। এই যন্ত্রটি শুধুই মঙ্গল গ্রহের জলকে অক্সিজেনে পরিণত করার জন্য তৈরি করা হয়নি।

Brine Electrolyser নামে এই যন্ত্রটির দু'টো ভাগ রয়েছে। এক দিকে হাইড্রক্সিল আয়ন (Hydroxyl Ion) বা OH তৈরি করতে জলের উপাদানগুলি আলাদা করা হয়। আরেকটাতে সেখান থেকে আরও উপাদান বের করা হয়। তবে, অনেকেই বলছে, এই পদ্ধতিটি নতুন নয়। বহু বছর ধরে মানুষ জলের বিভিন্ন উপাদান আলাদা করে আসছে। এই যন্ত্রটি শুধু অনেকটা দামি আর আধুনিক, এই যা! তবে, এটি মঙ্গলের মতো রুক্ষ, পাথুরে এলাকায় টিকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তুলেছেন অনেকেই!

Published by: Piya Banerjee
First published: December 2, 2020, 7:10 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर