• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • শক ওয়েভ থেরাপি দিয়ে এ বার ধমনীতে জমে থাকা ক্যালসিয়াম দূর করা যাবে!

শক ওয়েভ থেরাপি দিয়ে এ বার ধমনীতে জমে থাকা ক্যালসিয়াম দূর করা যাবে!

ক্যালসিয়াম প্রায় পাথরের মতো শক্ত হয়ে জমে থাকে। ফলে, তা ভেঙে ধমনীকে আগের মতো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা খুবই কঠিন এক কাজ।

ক্যালসিয়াম প্রায় পাথরের মতো শক্ত হয়ে জমে থাকে। ফলে, তা ভেঙে ধমনীকে আগের মতো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা খুবই কঠিন এক কাজ।

ক্যালসিয়াম প্রায় পাথরের মতো শক্ত হয়ে জমে থাকে। ফলে, তা ভেঙে ধমনীকে আগের মতো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা খুবই কঠিন এক কাজ।

  • Share this:

#কলকাতা: বয়স্ক মানুষ, বিশেষ করে যাঁরা অনেক দিন ধরে জটিল রকমের ডায়াবেটিস বা কিডনির অসুখে ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে করোনারি আর্টারি ক্যালসিফিকেশনের সমস্যা মাঝে মধ্যেই দেখা দিয়ে থাকে। এই চিকিৎসাগত পরিভাষা ভেঙে বিষয়টিকে একটু সহজ ভাবে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। আর্টারি অর্থাৎ ধমনী। যার মাধ্যমে অক্সিজেন সমৃদ্ধ বিশুদ্ধ রক্ত শরীরের নানা অংশ তো বটেই, বিষেষ করে আমাদের হার্ট-এ পৌঁছে তার ক্রিয়াটিকে সজীব রাখছে। কিন্তু এই অসুখের ক্ষেত্রে ধমনীর গায়ে ক্রমশ ক্যালসিয়াম জমে যেতে থাকে। এর ফলে ধমনী আটকে যায়, চিকিৎসাগত পরিভাষায় যাকে আর্টারি ব্লকেড বলা হয়। পরিণামে হার্ট-এ অক্সিজেন সমৃদ্ধ বিশুদ্ধ রক্ত পৌঁছয় না, রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে ওঠে।

এই সমস্যার সমাধানেই এ বার এক বিস্ময়কর পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন শহরের বিএম বিড়লা হার্ট রিসার্চ সেন্টারের ইন্টারভেনশন্যাল কার্ডিওলজিস্ট কনসালট্যান্ট ডক্টর অনিল মিশ্র। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানিয়েছেন যে ধমনীর গায়ে এই ক্যালসিয়াম প্রায় পাথরের মতো শক্ত হয়ে জমে থাকে। ফলে, তা ভেঙে ধমনীকে আগের মতো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা খুবই কঠিন এক কাজ। এ ক্ষেত্রে মূলত অস্ত্রোপচারের সাহায্য নেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। কিন্তু রোগীর বয়স বেশি হলে, সঙ্গে অন্যান্য শারীরিক সমস্যা থাকলে অস্ত্রোপচারও সম্ভবপর হয় না।

এই দ্বিবিধ সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে ডক্টর অনিল মিশ্র এবং তাঁর দল উদ্ভাবন করেছেন শক ওয়েভ থেরাপি। অ্যাকাউস্টিক শক ওয়েভ, যাকে চিকিৎসাগত পরিবাষায় ইনট্রাভাস্কুলার লিথোট্রিপসি বলা হয়, সেই পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে এ বার থেকে ধমনীতে জমে থাকা ক্যালসিয়াম দূর করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন ডক্টর অনিল মিশ্র। এ প্রসঙ্গে তিনি সাংবাদিক বৈঠকে তুলে ধরেছেন জনৈক ৮৭ বছরের রোগীর কথা। রোগীর নাম প্রকাশ না করে তিনি বলেছেন যে বিএম বিড়লা চিকিৎসাকেন্দ্রে ওই ব্যক্তি যখন ভর্তি হন, তখন তাঁর বাম ধমনীর প্রায় ৯০ শতাংশই ক্যালসিয়াম জমে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাঁর ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারে সমস্যা ছিল বলে এই শকওয়েভ করোনারি লিথোট্রিপসি পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।

ডক্টর অনিল মিশ্র জানিয়েছেন যে আপাতত এই পদ্ধতি নিয়ে তাঁরা বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। সে কারণে নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রেই আপাতত এই পরিষেবা সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: