যত বেশি দূষিত এলাকা, সেখানে কোভিড ১৯-এ মৃত্যুর হার তত বেশি! বলছে গবেষণা!

যত বেশি দূষিত এলাকা, সেখানে কোভিড ১৯-এ মৃত্যুর হার তত বেশি! বলছে গবেষণা!

গবেষণা বলছে গাড়ির ধোঁয়া ছাড়াও বিভিন্ন সূত্র থেকে নির্গত দূষিত কণা ২.৫ মাইক্রোমিটার পর্যন্ত পাওয়া যায় বাতাসে।

গবেষণা বলছে গাড়ির ধোঁয়া ছাড়াও বিভিন্ন সূত্র থেকে নির্গত দূষিত কণা ২.৫ মাইক্রোমিটার পর্যন্ত পাওয়া যায় বাতাসে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: বায়ুদূষণ যত বাড়ে, সেটা আমাদের শ্বাসযন্ত্রকে তত খারাপ ভাবে প্রভাবিত করে। যে কারণে আমাদের দেশে কালীপুজো বা দিওয়ালির সময়ে বাজি পোড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বলা হচ্ছে এর থেকে বায়ুতে যে পরিমাণ দূষণের মাত্রা বাড়বে, তাতে আরও জাঁকিয়ে বসবে কোভিড ১৯ সংক্রমণ। এই আশঙ্কা যে একেবারেই অমূলক নয়, সেটাই আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে অত্যন্ত দূষিত এলাকায় যাঁরা থাকেন, তাঁরা কোভিড ১৯ আক্রান্ত হলে মৃত্যুর হার ১১ শতাংশ বেশি হবে।

জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় এই ব্যাপারে তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে। অন্যান্য তথ্য এসেছে কম্পিউটার মডেল ও অ্যাটমোসফেরিক ডেটা থেকে। গবেষণা বলছে গাড়ির ধোঁয়া ছাড়াও বিভিন্ন সূত্র থেকে নির্গত দূষিত কণা ২.৫ মাইক্রোমিটার পর্যন্ত পাওয়া যায় বাতাসে। ভয়ের বিষয় হচ্ছে এই মাত্রার সামান্য হেরফের হলেই, যেমন প্রতি কিউবিক মিটারে এক মাইক্রোগ্রাম দূষিতকণা বাড়লেই, মৃত্যুর হার ১১ শতাংশ বেড়ে যাবে।

রিপোর্ট বলছে আমেরিকার দূষণ হটস্পট স্থান বিশেষে পাল্টে যায়। আমেরিকার বিভিন্ন স্টেটে ৩,০৮৯টি কাউন্টি থেকে সংগ্রহ করা তথ্যের ভিত্তিতে এই কথা বলা হচ্ছে। কোথাও যদি দূষণের মাত্রা শূন্য হয়, অন্য জায়গাতে সেটি প্রতি কিউবিক মিটারে ১২ মাইক্রোগ্রামও হতে পারে। এ তো গেল তথ্যগত পরিসংখ্যান! কিন্তু কী ভাবে দূষণের কারণে করোনার প্রভাব আরও গভীর হতে পারে? গবেষণার বলছে যে দূষিতকণা বা পলিউট্যান্ট যদি আমাদের শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে তা হলে আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই কমে যায়। তা ছাড়া এটি আমাদের শ্বাসযন্ত্রকেও অনেকাংশে বিকল করে দেয়। যাঁদের সাঙ্ঘাতিক করোনা সংক্রমণ হয়েছে, দেখা গিয়েছে তাঁদের বেশিরভাগই শ্বাসকষ্টে ভুগেছেন।

বলে রাখা ভালো যে এই গবেষণা প্রধানত আমেরিকাতেই হয়েছে। তাই বলে এই সূত্র অন্য কোনও দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না, এমনটা কিন্তু নয়। বিশেষ করে এ ব্যাপারে তৃতীয় বিশ্বের সাবধান হওয়ার প্রযোজন আছে। ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশে এমনিতেই বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর অনেকের মৃত্যু হয়। তার সঙ্গে করোনা সংক্রমণের বিষয়টি যুক্ত হলে যে আতঙ্কের কারণ রয়েছে, তা সহজেই অনুমান করা যায়!

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published:

লেটেস্ট খবর