• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • PROGESTERONE TREATMENT CAN HELP REDUCE SEVERITY OF COVID 19 IN MEN FINDS STUDY AC

পুরুষশরীরে করোনার প্রভাব কমাতে পারে প্রোজেস্টেরন, বলছে নয়া সমীক্ষা

পুরুষশরীরে করোনার প্রভাব কমাতে পারে প্রোজেস্টেরন, বলছে নয়া সমীক্ষা!

এই ভাইরাস মহিলাদের থেকে পুরুষদের বেশি ক্ষতি করছে এবং ভাইরাসে আক্রান্ত মহিলাদের থেকে পুরুষদের মত্যুর হারও বেশি।

  • Share this:

#ক্যালিফোর্নিয়া: ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। প্রথম থেকেই চিকিৎসকরা বলে আসছেন, এই ভাইরাস মহিলাদের থেকে পুরুষদের বেশি ক্ষতি করছে এবং ভাইরাসে আক্রান্ত মহিলাদের থেকে পুরুষদের মত্যুর হারও বেশি। এক্ষেত্রে পুরুষদের চিকিৎসায় দিশা দেখাচ্ছে এই নতুন গবেষণা। যাতে বলা হয়েছে, প্রোজেস্টেরন দিয়ে চিকিৎসা করা হলে করোনা যে কোনও পুরুষশরীরে কম মাত্রায় ক্ষতি করতে পারে। কারণ এই হরমোনে অ্য়ান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে। যা ফ্যাটাল ইমিউন রেসপন্সকে কমিয়ে দেয়।

ক্যালিফোর্নিয়ার এক গবেষক দল এই নতুন সমীক্ষাটি করেন। যাতে দেখা যায়, পুরুষদের শরীরে ও মহিলাদের শরীরে এই ভাইরাস আলাদা আলাদা ভাবে কাজ করে, ফলে দুই শরীরে এর প্রভাবও আলাদা। পুরুষদের ক্ষেত্রে করোনায় ক্ষতি অনেকটা বেশি হয়।

Online Journal Chest-এ প্রকাশিত এই সমীক্ষার অন্যতম গবেষক পালমোনোলজিস্ট সারা গান্দাহারি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে হাসপাতালে কাজ করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে, এই ভাইরাস পুরুষ ও মহিলা শরীরে খুবই আলাদা আলাদা ভাবে কাজ করে। পুরুষ ও মহিলা দু'জনের শরীরেই প্রোজেস্টেরন তৈরি হয়। কিন্তু মহিলাদের শরীরে ১২ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এই হরমোন বেশি তৈরি হয়। পাশাপাশি মেনোপজের বয়স যাঁদের এখনও হয়নি, এমন মহিলাদের থেকে করোনা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। একই ভাবে মেনোপজ পরবর্তী সময়ে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

এই সমীক্ষাটি করার জন্য ৪০ জন পুরুষকে বেছে নেওয়া হয়। যাঁদের দু'টি দলে ভাগ করা হয়। যাঁদের একটি দলকে সাধারণ চিকিৎসার আওতায় রাখা হয় এবং অন্য দলকে প্রতি দিন দু'বার করে পাঁচদিনের জন্য প্রোজেস্টেরন দেওয়া হয়। এবং প্রত্যেককেই ১৫ দিন হাসপাতালে রাখা হয়।

এই পরীক্ষার পর দেখা যায়, যাঁদের সাধারণ চিকিৎসার আওতায় রাখা হয়েছিল তাঁদের থেকে যাঁদের প্রোজেস্টেরন দেওয়া হয়েছে তাঁরা অনেক বেশি সুস্থ রয়েছেন। এবং তাঁদের শরীরে অক্সিজেনের মাত্রাও সে ভাবে কমেনি। এর পাশাপাশি এই সকল রোগীদের হাসপাতালে ভর্তিও করতে হয়নি বা করতে হলেও ভেন্টিলেশনের প্রয়োজন পড়েনি।

তবে, এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার যে এই ৪০ জনের শারীরিক অবস্থাই যেহেতু ভালো ছিল না তাই দুই দল থেকেই একজন করে ১৫ দিন পর মারা যান। তাঁদের এই পরীক্ষার অঙ্গ হিসেবে আর ধরা হয় না। এবং চিকিৎসকরা জানান, এই পরীক্ষামূলক প্রয়াসের জন্য তাদের মৃত্যু হয়নি।

এই সমীক্ষা থেকে এই ধরনের ফলাফল পাওয়া গেলেও গান্দাহারি জানান, এই বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। এখনও এটি পরীক্ষামূলক পর্যায়েই রয়েছে। এই পরীক্ষা বা গবেষণা নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: