চকোলেট, চিপসেই পড়ে বাচ্চার মন? একটু বুদ্ধি খাটালেই খাবে বাড়ির খাবার, সঙ্গে থাক এই টিপসগুলি

চকোলেট, চিপসেই পড়ে বাচ্চার মন? একটু বুদ্ধি খাটালেই খাবে বাড়ির খাবার, সঙ্গে থাক এই টিপসগুলি

বাচ্চাদের মতো করেই তাদের হেলদি ফুড খাওয়াতে হবে। কী ভাবে ? জেনে নিন

বাচ্চাদের মতো করেই তাদের হেলদি ফুড খাওয়াতে হবে। কী ভাবে ? জেনে নিন

  • Share this:

একটু বড় হতে শুরু করলেই বাচ্চারা খাওয়াদাওয়া নিয়ে সমস্যা করতে থাকে। বেশিরভাগ বাচ্চারই ঝোঁক থাকে চকোলেট, কোল্ড ড্রিংক্স বা ফাস্ট ফুডের প্রতি। বাচ্চাদের কী খাওয়ালে ভালো হয়, কী খাওয়াতে হবে, সে বিষয়ে ধারণা থাকলেও বাড়ির রান্না বিশেষ করে ডাল, ভাত বা সবজি খাওয়াতে রীতিমতো ঝক্কি পোহাতে হয়। তাই বাচ্চাদের মতো করেই তাদের হেলদি ফুড খাওয়াতে হবে। কী ভাবে?

১. বাচ্চারা বিভিন্ন ধরনের রঙ পছন্দ করে

কালারফুল জিনিস পছন্দ করে যে কোনও বাচ্চা। বিভিন্ন ধরনের রঙের মিশেল তাদের আকর্ষণ করে। তাই তাদের জন্য খাবার বানানোর আগে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে প্লেটে যেন বিভিন্ন রঙ দেখা যায়। বিশেষ করে উজ্জ্বল রঙ ব্যবহার করলে প্লেট আরও সুন্দর লাগে। তাই গাজর, কড়াইশুটি, ক্যাপসিকাম, ভুট্টা দেওয়া যেতে যেতে পারে প্লেটে। অ্যাড করা যেতে পারে কোনও সবুজ শাকও।

২. খুব সুন্দর করে সাজিয়ে খাবার পরিবেশন করা

খাবার যেমন-তেমন করে দিলে বাচ্চাদের তা ভালো না-ও লাগতে পারে। বড়দেরও অনেক সময় ভালো লাগে না ছড়িয়ে-ছিটিয়ে খেতে দিলে। তাই খাবার ঠিক মতো সাজিয়ে দিলে তা বাচ্চাদের আকর্ষণ করতে পারে। যদি পরোটা বা স্যান্ডউইচের মতো কিছু প্লেটে থাকে. তা হলে তাতে কেচআপ অ্যাড করে ব্রাইট করে তোলা যায়।

৩. ফলের রস

অনেক বাচ্চাই গোটা ফল খেতে চায় না। গোটা ফলের গন্ধ বা স্বাদ পছন্দ হয় না। অনেকের খেতেও অসুবিধা হয়। তাদের জন্য পুষ্টিগুণ দেখে নির্দিষ্ট কিছু ফলের একসঙ্গে রস করা যেতে পারে। কোনও সুন্দর জার বা গ্লাসে একটু সাজিয়ে পরিবেশন করলে বাচ্চাদের ভালো লাগবে। অনেক সময় লেবুর খোলা বা ছোট ছোট চেরি দিয়েও স্ট্রয়ের মুখ বা জারের নিচের অংশ সাজানো যেতে পারে।

৪. কুকিজ ও স্ন্যাক্স

বাচ্চারা বিস্কুট বা কুকিজ খেতে ভালোবাসে। বাজারচলতি বিস্কুট বা কুকিজ বেশি খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে। তাই বাড়িতেই আটা দিয়ে কুকিজ বানিয়ে নিলে ভালো। আটা ব্যবহার না করলে রেগি, বাজরা বা ওটসও ব্যবহার করা যেতে পারে। আর বিস্কুট ছাড়াও মুখরোচক কিছু বানানো যেতে পারে যেমন- পোহা, খাকড়া বা চাকলি।

৫. কাটলেট বা টিক্কি

ফলের মতোই সবজিও খেতে চায় না অনেক বাচ্চাই। গোটা সবজি দিলে পছন্দ করে না তারা। তাই বিভিন্ন সবজি দিয়ে কাটলেট বা টিক্কি বানিয়ে দিলে বুঝতেই পারবে না কী খাচ্ছে। এতে সমস্ত পুষ্টিগুণও ঢুকবে তাদের শরীরে। খেতেও সমস্যা করবে না তারা। তবে, টিক্কি বা কাটলেটের উপর অবশ্যই কেচআপ বা কালারফুল কিছু ছড়িয়ে দিতে হবে।

৬. খাওয়ার সময়ে গল্প হোক

অনেকেই খেতে প্রচুর সময় নেয় বা এদিক-ওদিক পালিয়ে যায়। খেতে গিয়ে মুখ থেকে বের করে দেয়- তাও হয়। এই সব সময়ে আজকাল বাচ্চাদের ফোন দিয়ে দেন অনেক বাবা-মায়েরা। তাতে লাভের থেকে ক্ষতি বেশি হয়। এমন অনেক বাচ্চাই আছে যারা এই অভ্যেসের পর ফোন ছাড়া খাবার খায় না। একটানা এ ভাবে ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকলে নষ্ট হয় চোখ। তাই এই সময় ফোন না দিয়ে তাদের গল্প শোনালে খেতে সমস্যা কম করতে পারে। কারণ খাওয়ার সময় গল্পে ব্যস্ত থাকলে সেই দিকেই মন থাকবে।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: