• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • এই লক্ষণগুলি বলে দেবে আপনার বাচ্চার বিশেষ যত্নের প্রয়োজন আছে কি না

এই লক্ষণগুলি বলে দেবে আপনার বাচ্চার বিশেষ যত্নের প্রয়োজন আছে কি না

একটি ছোট শিশু হল একটা পরিষ্কার স্লেটের মতো। এখানে আপনি যা লিখবেন সেটার দাগ থেকে যাবে। শিশুদের জীবনও হল সে রকম। ছোটবেলায় তাকে যা যা বলা হয় বা শেখানো হয়, সেটা সারা জীবন তার মনের মধ্যে পাকাপাকি ঘর তৈরি করে। কারণ ছোটবেলায় নিজস্ব মতামত খুব একটা থাকে না। বাবা-মাকে দেখেই একটি বাচ্চা শেখার বা বোঝার চেষ্টা করে। বাবা-মায়ের দায়িত্ব হল একটি শিশুকে সঠিক শিক্ষার মাধ্যমে বয়ঃসন্ধি থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পথে নিয়ে যাওয়া।

একটি ছোট শিশু হল একটা পরিষ্কার স্লেটের মতো। এখানে আপনি যা লিখবেন সেটার দাগ থেকে যাবে। শিশুদের জীবনও হল সে রকম। ছোটবেলায় তাকে যা যা বলা হয় বা শেখানো হয়, সেটা সারা জীবন তার মনের মধ্যে পাকাপাকি ঘর তৈরি করে। কারণ ছোটবেলায় নিজস্ব মতামত খুব একটা থাকে না। বাবা-মাকে দেখেই একটি বাচ্চা শেখার বা বোঝার চেষ্টা করে। বাবা-মায়ের দায়িত্ব হল একটি শিশুকে সঠিক শিক্ষার মাধ্যমে বয়ঃসন্ধি থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পথে নিয়ে যাওয়া।

সেই সমস্যাগুলো কী ভাবে বোঝা যায়, দেখে নেওয়া যাক এক এক করে

  • Share this:

#কলকাতা:এমন অনেক বাচ্চা থাকে, যাদের বিশেষ কোনও শারীরিক বা মানসিক কারণে একটু বেশি যত্নের প্রয়োজন হয়। কানে কম শুনতে পাওয়া বা কানে না শোনা (Hearing Impairments), সেরেব্রাল পালসি (Cerebral Palsy), চোখে দেখার সমস্যা (Visual Impairments) উপর থেকেই বোঝা যায়। কিন্তু ডিসলেকসিয়া (Dyslexia), ডিসগ্রাফিয়া (Dysgraphia), ডিসক্যালকুলিয়া (Dyscalculia), অটিজম (Autism), অ্যাটেনশন ডিফিসিট ডিজঅর্ডার (Attention Deficit Disorder)- এই ধরনের সমস্যাগুলি উপর থেকে বোঝা যায় না।

এই সমস্যা যে বাচ্চাদের থাকে, তারাও বাকিদের মতোই বড় হয়। কিন্তু অবশ্যই তাদের দিকে নজর একটু বেশি দিতে হয়। এবং তাদের কোন জায়গায় সমস্যা তৈরি হচ্ছে সে দিকে খেয়াল রাখা সব চেয়ে জরুরি হয়ে পড়ে। কথা বলার সমস্যা ১ বছর বয়সের পর থেকেই বোঝা যায়।

নিজেকে কামড়ানো, নিজের মাথায় আঘাত করা- এই ধরনের সমস্যাগুলো বার বার ঘটতে থাকলে সনাক্ত করা যায়। কিন্তু বাকিগুলো নয়। কিছু নির্দিষ্ট জিনিস থাকে যা এই সমস্যাগুলোকে বুঝতে সাহায্য করে।

সেই সমস্যাগুলো কী ভাবে বোঝা যায়, দেখে নেওয়া যাক এক এক করে!

১. কোনও বাচ্চার সঙ্গে কথা বললে সে যদি তা মন দিয়ে না শোনে, বার বার বলা সত্ত্বেও কোনও বিষয়ে মন দিতে না পারলে বা অনেক্ষণ একটা কথা বলার মাঝে যদি যে অন্যমনস্ক হয়ে যায়, তা হলে অ্যাটেনশন ডিফিসিট ডিজঅর্ডারের (Attention Deficit Disorder) সমস্যা থাকতে পারে।

২. কোনও বাচ্চা যদি নির্দেশ মেনে পড়াশোনা, হোমওয়ার্ক বা তাকে যা অ্যাক্টিভিটি করতে দেওয়া হয়েছে, সেটা করতে না পারে, তা হলে ধরে নিতে হবে তার গুছিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। এটাও অ্যাটেনশন ডিফিসিট ডিজঅর্ডারের (Attention Deficit Disorder) মধ্যে পড়ে।

৩. যে কাজে অনেক্ষণ মনোনিবেশ করতে হবে বা বেশি মন দিয়ে করতে হবে, সেই কাজ এড়িয়ে যাওয়া। ভুলে যাওয়া ও কোনও জিনিসে গুরুত্ব না দেওয়া অ্যাটেনশন ডিফিসিট ডিজঅর্ডারের (Attention Deficit Disorder) লক্ষণ।

৪. খুব বেশি কথা বলা ও শান্তভাবে খেলা করতে না পারা অ্যাটেনশন ডিফিসিট ডিজঅর্ডারের (Attention Deficit Disorder) লক্ষণ।

৫. অনেকে কথা বলছে, তা না শুনে মাঝখান থেকে কথা বলে ফেলা, নিজের সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে না পারা অ্যাটেনশন ডিফিসিট ডিজঅর্ডারের (Attention Deficit Disorder) লক্ষণ।

৬. কোনও ভাষা শিখতে সমস্যা হওয়া বা বয়স অনুযায়ী যেটা পড়া দরকার, বোঝা দরকার সেটা করতে না পারা, পাশাপাশি বানান মুখস্থ করতে সমস্যা ও কথা বলতে সমস্যা অ্যাটেনশন ডিফিসিট ডিজঅর্ডারের (Attention Deficit Disorder) লক্ষণ।

৭. একটি বাচ্চা এক বলছে আর এক লিখছে- এই সমস্যা যদি থাকে তা হলে ধরে নেওয়া যেতে পারে তার ডিসগ্রাফিয়া (Dysgraphia) রয়েছে।

৯. নম্বর মনে রাখতে না পারা বা যোগ-বিয়োগে ভুল, পাশাপাশি অঙ্ক কষতে না পারাও ডিসগ্রাফিয়ার (Dysgraphia) লক্ষণ।

১০. ছবি দেখে অঙ্ক করতে সমস্যা হওয়া বা ভিস্যুয়াল কনসেপ্টে কাজ করতে না পারা ডিসগ্রাফিয়ার (Dysgraphia) লক্ষণ।

তবে, যা-ই সমস্যা হোক না কেন, প্রথমেই এটি চিহ্নিত করা জরুরি। যত তাড়াতাড়ি চিহ্নিত করা যাবে, তত তাড়াতাড়ি সমস্যা নিয়ে কাজ শুরু করলে উপকার হবে। প্রত্যেক বাচ্চাই তার সমস্যা নিয়ে স্ট্রাগল করে। সেই স্ট্রাগলে যদি বাবা-মা বা পরিবারের কেউ, এমনকি কোনও স্পেশ্যাল এডুকেটরকে সঙ্গী হিসেবে সে পায়, তা হলে তার এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সময় কম লাগে!

Published by:Ananya Chakraborty
First published: