• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • এই ৫ আদবকায়দা রপ্ত করালেই সন্তান বড় হয়ে পাবে মোটা মাইনের চাকরি, বলছে সমীক্ষা

এই ৫ আদবকায়দা রপ্ত করালেই সন্তান বড় হয়ে পাবে মোটা মাইনের চাকরি, বলছে সমীক্ষা

বাচ্চাদের মধ্যে ছোট থেকেই এই কয়েকটি অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি

বাচ্চাদের মধ্যে ছোট থেকেই এই কয়েকটি অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি

বাচ্চাদের মধ্যে ছোট থেকেই এই কয়েকটি অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি

  • Share this:

#কলকাতা: বাচ্চাদের মধ্যে ভালো অভ্যাস গড়ে তোলা খুবই সহজ। ছোট থেকেই একটু একটু করে বিভিন্ন ভালো জিনিস শেখালে তারা সহজেই তা শিখতে পারে। যার ফলে জীবনের বিভিন্ন ওঠা-পড়ায় তারা যেমন মানিয়ে নিতে পারে, তেমনই সমাজের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতেও সুবিধে হয়।

জীবনে শুধু বেঁচে থাকলেই চলে না। নিজের সঙ্গে সঙ্গে সমাজের কথাও মাথায় রাখতে হয়। সকলের সঙ্গে একসঙ্গে বাঁচার শিক্ষা তাই ছোট থেকেই দেওয়া ভালো। যাতে যে কোনও বাচ্চা শেয়ার করে খাওয়া, সাহায্য করা বা যে কারও কথা শোনার অভ্যাস তৈরি করতে পারে।

সমীক্ষা বলছে, সোশ্যাল স্কিল ও ভালো অভ্যাস যাদের রয়েছে, এমন বাচ্চারা কেরিয়ার হোক বা পড়াশোনা, ব্যক্তিগত জীবন হোক বা বন্ধুত্ব, সব দিকই খুব সুন্দর ভাবে বজায় রাখতে পারে এবং জীবনে অনেকটা উন্নতি করতে পারে। এর পাশাপাশি যে কোনও খারাপ পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে পারে তারা। তাই বাচ্চাদের মধ্যে ছোট থেকেই এই কয়েকটি অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। সমীক্ষা মোতাবেকে, এই সুঅভ্যাসের দরুণ মোটা মাইনের চাকরিও তারা পেয়ে যায় ২৫ বছরের মধ্যেই!

শেয়ার করা

বাচ্চাদের মধ্যে শেয়ারিংয়ের প্রবণতা বাড়িয়ে তোলা খুবই দরকার। এতে আত্মকেন্দ্রিক হওয়ার সম্ভাবনা কমে। কোনও আইডিয়া হোক বা গল্প, খাবার হোক বা যে কোনও কিছু- সকলের সঙ্গে শেয়ার করার অভ্যাস তৈরি করলে ভালো। বাচ্চাদের বোঝানো যেতে পারে, সকলের সঙ্গে যে কোনও জিনিস ভাগ করে নিলে তাতেই আনন্দ আসে। এতে সকলে সমান- এই ভাবনা তাদের মধ্যে গড়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসও গড়ে ওঠে।

এই তিনটি শব্দ শেখানো খুব জরুরি

অনেক বাচ্চাই আছে সরি, থ্যাঙ্ক ইউ বা প্লিজ বলতে চায় না। এগুলো বলতে লজ্জা পায়। যা বড় বয়সেও তাদের মধ্যে থেকে যায়। এবং আদতে যা ব্যক্তিগত জীবনে এবং কেরিয়ারে প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি এমন একটা ভাবনা তৈরি হয় যে ভুল বলে কিছু করতে আমি পারি না। তাই ছোটবেলাতেই তাদের এই তিন শব্দ শেখানো অত্যন্ত জরুরি।

ভাল শ্রোতা হওয়া

অনেকে খুব কথা বলতে পারে। কিন্তু কারও কথা শোনে না। মন দেয় না কোনও কথায়। তেমন হলে কোনও কথোপকথনই বেশিক্ষণ গড়ায় না। এতে বিপরীত মানুষটি অপমানবোধও করতে পারে। তাই বাচ্চাদের মধ্যে শোনার ক্ষমতা তৈরি করতে হবে। শোনার ধৈর্য্যও তৈরি করতে হবে। মাথায় রাখতে হবে কেউ কোনও কথা বললে তাকে অ্যাটেনশন দেওয়াটা আদতে সম্মান দেওয়ার সমান।

চোখে চোখ রেখে কথা বলা

চোখে চোখ রেখে কথা বলতে শিখলে মিথ্যে কথা বলার প্রবণতা কমে। পাশাপাশি নন-ভার্বাল কমিউনিকেশন গড়ে তুলতে সাহায্য করে। যাতে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, এক্সপ্রেশন দেখেই যে কারও অভ্যাস এমনকি স্বভাবও বোঝা যেতে পারে।

সমণ্বয়মূলক কাজ

অনেক কলেজে পড়া ছেলে-মেয়েরা বা চাকরি করা ছেলে-মেয়েরাও গ্রুপে কাজ করতে পারে না। কারণ We থেকে তারা I-তেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। এমন হলে ভবিষ্যতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ছোট থেকেই একসঙ্গে গ্রুপে কাজ করা শেখালে ভালো। তাতে অনেকের সঙ্গে কথা বলা, তাদের কথা শোনার অভ্যাসও তৈরি হতে পারে।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: