পটেটো চিপস আর চকোলেট দেখলেই জিভে জল? সাবধান, এর থেকে হতে পারে কিডনির অসুখ!

পটেটো চিপস আর চকোলেট দেখলেই জিভে জল? সাবধান, এর থেকে হতে পারে কিডনির অসুখ!

পটেটো চিপস আর চকোলেট দেখলেই জিভে জল? সাবধান, এর থেকে হতে পারে কিডনির অসুখ!

এই সব জাঙ্ক খাবারের প্রতি আসক্তি নিয়ে আসতে পারে লিকি গাট সিনড্রম বলে একটি অসুখ!

  • Share this:

#অস্ট্রেলিয়া: হাল্কা খিদে হোক বা মন খারাপের ওষুধ, কচর-মচর করে চিপস চেবাতে কার না ভালো লাগে? তার সঙ্গে যোগ্য সঙ্গতে যদি মিষ্টি মিষ্টি চকোলেট থাকে তাহলে তো কেল্লা ফতে! তবে চিপস, চকোলেট আর বেকারি প্রোডাক্টে আপনার যদি আসক্তি থেকে থাকে তাহলে এখনই সাবধান হন। কারণ ইঁদুর জাতীয় প্রাণীর উপরে গবেষণা করে দেখা গিয়েছে যে এই সব জাঙ্ক খাবারের প্রতি আসক্তি নিয়ে আসতে পারে লিকি গাট সিনড্রম বলে একটি অসুখ!

অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক দেখেছেন যে যখন কোনও প্যাকেটজাত খাবার তৈরি হচ্ছে তাপ-সহ, তখন সেখানে কিছু ক্ষতিকর রাসায়নিক যোগ করা হয়। এই রাসায়নিক যৌগ হল অ্যাডভান্সড গ্লাইসেশন এন্ড প্রোডাক্টস বা এজিইএস। মূলত এই রাসায়নিক যৌগের জন্যই খয়েরি রঙের, রোস্ট করা, সেদ্ধ বা ভাজা যে কোনও খাবারের গন্ধ ও স্বাদ আর তীব্র হয়ে ওঠে। এই রাসায়নিক শরীরে গিয়ে এক ধরনের বিক্রিয়া তৈরি করে যার নাম মাইলার্ড বিক্রিয়া। এর থেকে শরীর ফুলে যেতে পারে এবং কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সায়েন্স অ্যাডভান্সেস বলে জার্নালে এই সমস্যার প্রতিকারও বলে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে যে অন্ত্র এবং কিডনি এই দুয়েরই স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে বেশি মাত্রায় স্টার্চ ফাইবার আছে এমন খাবার খেতে হবে। যেমন ওটস, রান্না করা ঠাণ্ডা ভাত, বার্লি, বিন, ডাল, কালো বিন, মটরশুঁটি, কাঁচা আলুর স্টার্চ (সাপ্লিমেন্ট), রান্না করা ঠাণ্ডা আলু ইত্যাদি।

মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়াবেটিস বিভাগের সহকারী অধ্যাপিকা মেলিন্ডা কঘলান বলেছেন যে আমাদের স্বভাব যেমন আমরা চট করে পাল্টে ফেলতে পারি না, ঠিক তেমনই ডায়েটারি পরিবর্তনও বেশি দিন মেনে চলা সম্ভব হয় না। কিন্তু আমরা যত বেশি করে আমাদের ডায়েটে স্টার্চ দেওয়া খাবার রাখব, যত বেশি করে সেদ্ধ ও রান্না করা স্টার্চ খাব, সেটা তত আমাদের শরীরের জন্য ভালো প্রমাণিত হবে। এই জাতীয় স্টার্চযুক্ত খাবার অন্ত্রে ভালো ব্যাকটিরিয়াদের পুষ্টি যোগায় ফলে মেটাবোলিজম বৃদ্ধি পায় এবং অন্ত্র ও কিডনি ভালো থাকে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: