Harry Potter: মৃত মায়ের রেখে যাওয়া ১০০ টাকার বইয়ের দাম এখন ৩০ লক্ষ! ভাগ্য বদল মেয়ের !

Harry Potter: মৃত মায়ের রেখে যাওয়া ১০০ টাকার বইয়ের দাম এখন ৩০ লক্ষ! ভাগ্য বদল মেয়ের !

Harry Potter Hardback

প্রাইমারি স্কুলের এই শিক্ষিকা এক পাউন্ড দিয়ে স্কুলের একটি মেলা থেকে কিনেছিলেন হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোজফারস স্টোন বইটি।

  • Share this:

#ইংল্যান্ড: বাবা মায়েরা তাঁদের অর্জিত ধন সম্পত্তি, টাকা পয়সা সব রেখে যান ছেলে মেয়েদের জন্য। কিন্তু বারমিংহামের এক মহিলা তাঁর মেয়ের জন্য রেখে গিয়েছিলেন হ্যারি পটার সিরিজের একটি হার্ডব্যাক বই। ভারতীয় মূল্যে যার দাম মাত্র ১০০ টাকা। বছর কুড়ি আগের ঘটনা। প্রাইমারি স্কুলের এই শিক্ষিকা এক পাউন্ড দিয়ে স্কুলের একটি মেলা থেকে কিনেছিলেন হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোজফারস স্টোন বইটি। বইটি ১৯৯৭ সালে ছাপা সিরিজের প্রথম বই। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে এই শিক্ষিকা মাত্র ৪৪ বছর বয়সে ২০০৫ সালে স্তন ক্যানসারে মারা যান।

চার মেয়ের জন্য এই বইটি রেখে যান শিক্ষিকা, যাতে তাঁরা অবসর সময়ে এই বইটি পড়তে পারে এবং মায়ের স্মৃতি উদযাপন করতে পারে। মায়ের মৃত্যুর কিছু দিন পরেই মেয়েরা জানতে পারে যে মায়ের রেখে যাওয়া ১০০ টাকার বইয়ের বর্তমান বাজার মূল্য হল ৩০ হাজার পাউন্ড বা আনুমানিক ৩০ লক্ষ টাকা।

কিন্তু কেন এই বইয়ের দাম এখন আকাশছোঁওয়া? কারণ এটি হ্যারি পটার বইয়ের সংগ্রহের সব চেয়ে আকর্ষণীয় অংশ। এখনও পর্যন্ত এই বইটি মাত্র ৫০০ কপি ছাপা হয়েছে। আর সেই জন্যই এই বইটির দাম এখন আকাশছোঁওয়া। এর আগে আরও একটি পুরনো কপি বিক্রি হয়েছে ৬৮ লক্ষ টাকায়। অর্থাৎ দীর্ঘ দিন ধরে যে বই অবহেলায়, অনাদরে তাকের উপরে ধুলোর মধ্যে পড়ে ছিল, সেই বই আসলে হ্যারি পটারের প্রথম সংস্করণ।

প্রয়াত শিক্ষিকা ছিলেন বই-অন্ত প্রাণ। তিনি পড়তে খুব ভালোবাসতেন। তিনি চেয়েছিলেন তাঁর সংগ্রহে থাকা সব বই যত্ন করে রেখে দেবেন তাঁর মেয়েরা। তবে তার সঙ্গে সঙ্গে তিনি এটাও চেয়েছিলেন যে বই পড়ার যে অনাবিল আনন্দ সেটাও যেন উপভোগ করেন তাঁর মেয়েরা। বইটি স্ট্যাফোর্ডশায়ারে নিলাম হবে। নিলাম ঘরের মালিক বলেছেন যে এই দুষ্প্রাপ্য বইটি নিলাম হলে বিপুল অর্থ পাবে চার বোন, এটা মায়ের ভালোবাসা যা স্বর্গ থেকে এসেছে।

প্রয়াত শিক্ষিকার জ্যেষ্ঠা কন্যা বলেছেন ১৬ বছর ধরে এই বই তাকে পড়েছিল। এখন এর থেকে প্রাপ্ত অর্থ চার বোনের মধ্যে সমান ভাগ করে দেওয়া হবে।

Published by:Piya Banerjee
First published:

লেটেস্ট খবর