লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে আর গভীর ও দৃঢ় হয়েছে দাম্পত্য? কী বলছে গবেষণা!

লকডাউনে আর গভীর ও দৃঢ় হয়েছে দাম্পত্য? কী বলছে গবেষণা!

লকডাউনে গৃহবন্দী থাকা কারও কাছে ছিল অসহ্য, আবার কেউ কেউ বেশ ভালোই উপভোগ করেছেন এই অবস্থা।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: করোনাভাইরাস যাতে আর না ছড়াতে পারে, সেই জন্য বিভিন্ন দেশের সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন। লকডাউনে গৃহবন্দী থাকা কারও কাছে ছিল অসহ্য, আবার কেউ কেউ বেশ ভালোই উপভোগ করেছেন এই অবস্থা। বিশেষ করে ইংলন্ডের বিবাহিত দম্পতিরা বেশ খুশি হয়েছেন এই লকডাউনে, এইটুকু বলা যায়।

হঠাৎ সব দেশ ছেড়ে বিলেতের কথা কেন বলা হচ্ছে? এই প্রশ্ন আপনি করতেই পারেন। কারণ অবশ্যই আছে। ইংলন্ডে দেখা দিয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বা সেকেন্ড ওয়েভ। আর তাই সেখানে আবার লকডাউন শুরু হয়েছে। এখন কথা হচ্ছে যে একই ছাদের নিচে চব্বিশ ঘণ্টা থাকতে থাকতে অনেক দম্পতিরই হাঁপিয়ে ওঠার কথা! যদিও বাস্তবে এমনটা হয়নি। ম্যারেজ ফাউন্ডেশন নামক একটি সংস্থা যে সমীক্ষা করেছে তার ফলাফল কিন্তু বেশ পজিটিভ। বেশিরভাগ দম্পতিই জানিয়েছেন যে লকডাউনের সময়ে তাঁদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। তবে ঝগড়াঝাঁটি আর মনোমালিন্যও যে হয়নি, তা নয়।

অনেকে এর উল্টো পিঠেও কথা বলেছেন। মানে, এই লকডাউন তাঁদের কাছে অভিশাপ ছিল। অর্থাৎ গৃহবন্দী হয়ে তাঁরা চুলোচুলি ছাড়া আর কিছুই করেননি। যদিও সমীক্ষায় এঁদের অনুপাতের হার অত্যন্ত কম।

সমীক্ষা মোতাবেকে, বিবাহিতদের দাম্পত্য যে শুধু দৃঢ় হয়েছে তা নয়, জুনের পর বিবাহবিচ্ছেদের সংখ্যাও যথেষ্ট হ্রাস পেয়েছে। অর্থাৎ লকডাউনের আগে যাঁরা বিবাহবিচ্ছেদ করবেন বলে ভেবেছিলেন, তাঁরা যে সিদ্ধান্ত পালটেছেন সেটা বেশ স্পষ্ট। গবেষকরা দেখিয়েছেন যে আচমকা সব কিছু স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং একসঙ্গে গৃহবন্দী থাকার দরুন অনেক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যা আগে থেকে আঁচ করা যায়নি। মূলত সেগুলোর সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে মোকাবিলা করতে গিয়েই দাম্পত্যের ফাটলগুলো আপনা থেকেই জুড়ে গিয়েছে। স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে ঘরের কাজ করেছেন, রান্না করেছেন আবার ছেলেমেয়েদের অনলাইন পড়াশোনার দায়িত্বও ভাগ করে নিয়েছেন। এত কাজ একসঙ্গে করতে গিয়েই দৃঢ় হয়েছে বন্ধন।

দু'-একজন এই কাজ ভাগাভাগি নিয়ে পরস্পরের প্রতি অভিযোগ জানিয়েছেন ঠিকই। তবে সব দিক থেকে বিচার করলে এই সমীক্ষা বেশ পজিটিভই বলা চলে। অন্তত দাম্পত্যের দিক থেকে এটা বেশ ভালো সময় বলা যায়, তাই না?

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: November 9, 2020, 1:03 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर