• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • কুকুর পুষলেই বাড়বে মানুষের আয়ু ! জানুন কিভাবে সম্ভব !

কুকুর পুষলেই বাড়বে মানুষের আয়ু ! জানুন কিভাবে সম্ভব !

ইওরোপ, সাইবেরিয়ায় ছড়িয়ে থাকা ২৭ রকমের কুকুরের জিন নিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন ফ্রান্সিস ক্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক।

ইওরোপ, সাইবেরিয়ায় ছড়িয়ে থাকা ২৭ রকমের কুকুরের জিন নিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন ফ্রান্সিস ক্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক।

ইওরোপ, সাইবেরিয়ায় ছড়িয়ে থাকা ২৭ রকমের কুকুরের জিন নিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন ফ্রান্সিস ক্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক।

  • Share this:

এ তো আর আজ-কালের ব্যাপার নয়, মানুষের সঙ্গে কুকুরের সম্পর্ক সেই তুষারযুগ থেকে। তুষারযুগের শেষ ধাপটি ছিল প্রায় ১১, ০০০ বছর আগে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে এই তথ্য। যা জোর দিয়েছে মানুষ এবং কুকুরের পারস্পরিক সম্পর্কের দিকে।

গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে 'সায়েন্স' জার্নালে। ইওরোপ, সাইবেরিয়ায় ছড়িয়ে থাকা ২৭ রকমের কুকুরের জিন নিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন ফ্রান্সিস ক্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক। গবেষণা বলছে, অন্যান্য পশুদের মধ্যে সবচেয়ে আগে পোষ মেনেছিল কুকুর। নেকড়ে প্রজাতির থেকে হাজার পঁচিশ বছর আগে আলাদা হতে শুরু করে কুকুরের জিনের গঠন।

সম্প্রতি আরও এক সমীক্ষায় ধরা পড়েছে যে কুকুর পুষলে মনিবরা দীর্ঘ আয়ু পান। দ্য আমেরিকান হার্ট অ্যাসোশিয়েশন জার্নাল এই সমীক্ষা করেছে। বিশেষ করে যে সমস্ত রোগী হৃদরোগ অথবা স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই উপায় খুবই কার্যকর বলে জানিয়েছে সমীক্ষার ফলাফল।

বাড়িতে পোষা কুকুর রয়েছে, এমন মানুষের সঙ্গে যাঁদের কুকুর নেই, তাঁদের নিয়ে একটা তুলনামূলক বিচার করা হয়েছিল। ১ লক্ষ ৮২ হাজার মানুষ যাঁরা কখনও না কখনও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁদের নিয়ে সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে যে এঁদের মধ্যে মাত্র ৬ শতাংশের হার্ট অ্যাটাক অথবা স্ট্রোক হয়েছিল। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া সবাই সুইডেনের বাসিন্দা। সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে বাড়িতে কুকুর থাকলে তার দেখভাল করতে গিয়ে শারীরিক সক্ষমতা বজায় থাকে, তার ফলে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা খুব কমই ঘটে।

যাঁরা বাড়িতে একা থাকেন, তাঁদের এমনিতে শারীরিক সমস্যা হলে তা গুরুতর আকার ধারণ করতেই পারে। তবে বয়স্ক মানুষের সঙ্গে যদি কুকুর থাকে, তবে সচলতা অনেক বেশি থাকে। সে ক্ষেত্রে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঘটার সম্ভাবনা ৩৩ শতাংশ কমে যায়। আর পোষ্যের বদলে যদি সঙ্গীর সঙ্গেই থাকেন, তবে মৃত্যুর সম্ভাবনা কমে ১৫ শতাংশ।

স্ট্রোক হয়েছে এমন রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর মৃত্যুর ঝুঁকি কমে যায় ২৭ শতাংশ। পোষ্যের বদলে এ ক্ষেত্রে সঙ্গীর সঙ্গে থাকলে ঝুঁকি কমে মাত্র ১২ শতাংশ, বলছে সমীক্ষা!

Published by:Piya Banerjee
First published: