Home /News /life-style /
Loneliness: একা লাগে? মনে হয় কেউ আপনার নয়, কারও ভালবাসাও পাবেন না? এই কয়েকটা কথা তাহলে আপনারই জানা জরুরি

Loneliness: একা লাগে? মনে হয় কেউ আপনার নয়, কারও ভালবাসাও পাবেন না? এই কয়েকটা কথা তাহলে আপনারই জানা জরুরি

কীভাবে গুছিয়ে নিতে হয়? একা থেকেও সুখী হওয়ার রহস্যটা কী? দেখে নেওয়া যাক সেগুলো।

  • Share this:

কলকাতা: ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও/ আমি নিজেকে নিজের মতো গুছিয়ে নিয়েছি’। অনুপম রায় যত সহজে গেয়েছিলেন ব্যাপারটা অত সহজ নয়। আসলে মানুষ জন্মগতভাবে সামাজিক জীব। একা থাকলেই তাঁকে নিঃসঙ্গতা গ্রাস করে। কিন্তু ওই যে, গুছিয়ে নেওয়াটাই আসল। তাহলেই জীবন পালতোলা নৌকোর মতো ছুটবে। কিন্তু প্রশ্ন হল, কীভাবে গুছিয়ে নিতে হয়? একা থেকেও সুখী হওয়ার রহস্যটা কী? দেখে নেওয়া যাক সেগুলো (Loneliness)।

নিজের সঙ্গে সম্পর্ক: একা থাকা মানেই একাকী হয়ে যাওয়া নয়। এই মুহূর্তগুলো নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে হয়। আত্মার সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তোলার এটাই সেরা সময়। একা সময় কাটানো কঠিন মনে হতে পারে। তাই একা থাকলে কী সমস্যা হয়, সেগুলোও বিশ্লেষণ করতে হবে। সেই অনুযায়ী নিতে হবে পরবর্তী পদক্ষেপ। এর জন্য ডায়রি লেখা শুরু করা যায়।

আরও পড়ুন- বর্ষায় জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভুগছেন? পাতে এই ফল, সবজি রাখলেই বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

স্বেচ্ছাসেবক: এটা দারুণ পদক্ষেপ হতে পারে। কোনও কাজে বা সংস্থায় স্বেচ্ছাশ্রম দেওয়া। মানসিক তৃপ্তি যোগাতে এর কোনও বিকল্প নেই। ২০২০ সালে ইংল্যান্ডের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা মাসে অন্তত একবার স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছেন তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্য অন্যদের তুলনায় ঢের ভালো। এজন্য ফুড ব্যাঙ্ক চালু করা যেতে পারে।

নতুন কিছু শেখা: দক্ষতায় শান দেওয়ার মতো ভালো জিনিস আর কি হতে পারে! এতে মনোযোগ তো বাড়েই, পাশাপাশি উদ্ভাবনী ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। এ জন্য ভিন্ন কিছু করতে পারলে সবচেয়ে ভাল। কোনও ভিডিও কোর্স করা যায়। রান্না করা বা নতুন ভাষা শেখাও দারুণ পদক্ষেপ।

ব্যায়াম: সুখে থাকতে চাইলে সক্রিয় থাকতে হবে। এজন্য ব্যায়াম বা ওয়ার্কআউট আদর্শ। ২০১৮ সালের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, অন্যদের তুলনায় তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্য ৪৩.২ শতাংশ ভাল থাকে।

আরও পড়ুন- ‘অ্যায়সা কোই সাথী হো, অ্যায়সা কই প্রেমী হো...’ পার্থ-অর্পিতাকে দেখে বাজল গান !

প্রকৃতির সঙ্গে: পাহাড় বা জঙ্গলে গেলে মন এমনিই ভাল হয়ে যায়। এর কারণ প্রকৃতি। সবুজ গাছগাছালির অনাবিল সৌন্দর্য মনেও প্রভাব ফেলে। মেজাজ ফুরফুরে হয়, শরীরও সুস্থ থাকে। বিকেলের দিকে একটু হাঁটাহাঁটি কিংবা পার্কে ঘোরা দারুণ কাজ দেয়।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ: প্রতিদিন কতশত মানুষের সংস্পর্শে আসতে হয়। কাজে, অকাজে। তাঁদের ধন্যবাদ জানানো, কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন একটা দারুণ আধ্যাত্মিক অনুশীলন হতে পারে। এটা সরাসরি মানসিকতায় প্রভাব ফেলে।

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতি: সোশ্যাল মিডিয়া অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ করে দেয়। কিন্তু তলিয়ে ভাবলে দেখা যাবে, এর ফলে মানুষ বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো হয়ে উঠেছে। প্রতিবেশীর সঙ্গে হাই-হ্যালোও আর মুখোমুখি নয়, সোশ্যাল মিডিয়াতেই হয়। এতে মানুষ আরও বেশি একা হয়ে যায়।

নিজের সঙ্গে ডেট: মানুষ যা চায় তা করতে পারে না। এর পিছনে নানা কারণ থাকতে পারে। কিন্তু সমস্যা সত্য। তাই প্রত্যেকেরই নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো উচিত। একা সিনেমা দেখতে যাওয়া যেতে পারে। কিংবা হোটেলে খাওয়াদাওয়া।

ধ্যান: ধ্যান মস্তিষ্কের গ্রে ম্যাটারকে উন্নত করে। মানসিক নিয়ন্ত্রণ এবং দৃষ্টিভঙ্গির স্বচ্ছতা আসে। একা থাকার জন্য এই দুটি জিনিসই গুরুত্বপূর্ণ।

পোষ্য: পোষ্য কথা বলতে পারে না বটে, কিন্তু সঙ্গী হিসেবে তার বিকল্প নেই। মনুষ্যতর একটি প্রাণীর সঙ্গে সম্পর্কস্থাপন জীবনের ডায়ামেনশনে অন্য মাত্রা যোগ করে।

Published by:Siddhartha Sarkar
First published:

Tags: Lifestyle

পরবর্তী খবর